শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রোববার যে সময়ে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ গ্রুপ ‘সি’: চমকে দিতে চায় উগান্ডা-পাপুয়া নিউগিনি এফএ কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ডার্বি উপকূলীয় এলাকায় লঞ্চ চলাচল বন্ধের নির্দেশ আনারের মাংসের ‘কিমা’ বানিয়ে কমোডে ফ্ল্যাশ করে খুনীরা আনারের মরদেহের পাশে বসেই খাবার খান হত্যাকারীরা বিশ্বজুড়ে গড় আয়ু কমেছে প্রায় ২ বছর : ডব্লিউএইচও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আসছে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত টাকা পাচারের অভিযোগ দেরিতে আসায় ব্যবস্থা নিতে বেগ পেতে হচ্ছে: দুদক পাকিস্তানে মূল্যস্ফীতি বাড়ায় হিমশিম খাচ্ছে চাকরিজীবীরাও রাফা-গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬০ এমপি আনারকে আগেও দুবার খুনের পরিকল্পনা হয়: ডিবি দুর্নীতি প্রশ্রয়দাতাদেরও বিচার করতে হবে : ১২ দলীয় জোট ‘বিদ্যুৎ-পানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন’

অস্থির ডলারের বাজারে ‘মে’ মাসে প্রবাসী আয়ে ধাক্কা

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : জুন ২, ২০২২
Ramitance

বাজারে যখন হু হু করে বাড়ছে ডলারের দাম, তখন হঠাৎ করে কমে গেছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। বিদায়ী মে মাসে প্রবাসীরা ১৮৮ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা এ বছরের এপ্রিল মাসের চেয়ে ও গত বছরের মে মাসের তুলনায় কম। গত বছরের মে মাসে আয় এসেছিল ২১৭ কোটি ডলার। ফলে প্রবাসী আয় কমেছে প্রায় ১৩ শতাংশ।

বুধবার (১ জুন) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে দেশে ১৮৮ কো‌টি ৫৩ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী (প্রতি ডলার ৮৯ টাকা ধরে) এই অর্থের পরিমাণ ১৬ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা। এ অঙ্ক আগের মাসের চেয়ে প্রায় ১২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার কম। এপ্রিলে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০১ কোটি ৮ লাখ ডলার। আর আগের বছরের মে মাসের তুলনায় এবার ২৮ কোটি ৫৭ লাখ ডলার কম এসেছে। গত বছর মে মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিল ২১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার।

একক মাস হিসেবে গত ১১ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে। এপ্রিলে ২০১ কোটি ৮ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঈদের আগে প্রবাসীরা তাদের আত্মীয়-স্বজনদের খরচের জন্য বেশি অর্থ পাঠানোর কারণে এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স বেশি এসেছে। কিন্তু মে মাসে একটু কম এসেছে। সামনে কোরবানির ঈদ থাকায় আগামী মাসে প্রবাসীরা আবার বেশি রেমিট্যান্স পাঠাবে।

ব্যাংকাররা বলছেন, দামের বড় ধরনের তারতম্যের কারণে বৈধ পথের চেয়ে হুন্ডিতে চলে যাচ্ছে প্রবাসী আয়। কারণ হুন্ডিতে পাঠালে প্রতি ডলারের বিপরীতে ৯৫ টাকার কাছাকাছি দাম দেওয়া হয়। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া দাম আবারও পুনর্বিবেচনার সময় এসেছে।

উল্লেখ্য, খোলাবাজারে এখন ডলার বিক্রি হচ্ছে ৯৬-৯৭ টাকায়। বিদেশে হুন্ডিতেও ৯২-৯৩ টাকা দরে প্রবাসী আয় সংগ্রহ করা হচ্ছে। আর ৮৯‍ টাকা ৮০ পয়সা দর দিচ্ছে ব্যাংকগুলো। এতে বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসা কমে গেছে।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ