ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইনজীবীদের একমাত্র লক্ষ্য জনগণের সেবা করা : প্রধান বিচারপতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মার্চ ২০২৩ ১৩ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, আইনজীবীদের একমাত্র লক্ষ্য হলো জনগণের সেবা করা করা।

আজ শনিবার (৪ মার্চ) সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে আসা বিচারপ্রার্থীদের জন্য নির্মিত বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় তিনি এ কথা বলেন। এরপর প্রধান বিচারপতি জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন এবং বিচারকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘ন্যায়কুঞ্জ প্রতিষ্ঠার জন্য সারা দেশে সরকার ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এছাড়া, দেশে ৬৪টির মধ্যে ৩৪টি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গায়ও চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নির্মাণ করা হবে। মামলাজট নিরসনে পাঁচ হাজার বিচারক নিয়োগের জন্য প্রতিবছর ১০০ জনের বেশি বিচারক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গায় বিচারক সংকট নিরসনে বিচারক নিয়োগ দেওয়া হবে। বিচারকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সময় অনুযায়ী অফিস করতে। তবে, কেউ যদি গাফিলতি করেন অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ সময় আপিল বিভাগের বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলম, জেলা ও দায়রা জজ মো. জিয়া হায়দার এবং জজকোর্ট ও চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আইনজীবীদের একমাত্র লক্ষ্য জনগণের সেবা করা : প্রধান বিচারপতি

আপডেট সময় : ০১:১৮:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মার্চ ২০২৩

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, আইনজীবীদের একমাত্র লক্ষ্য হলো জনগণের সেবা করা করা।

আজ শনিবার (৪ মার্চ) সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে আসা বিচারপ্রার্থীদের জন্য নির্মিত বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় তিনি এ কথা বলেন। এরপর প্রধান বিচারপতি জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন এবং বিচারকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘ন্যায়কুঞ্জ প্রতিষ্ঠার জন্য সারা দেশে সরকার ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এছাড়া, দেশে ৬৪টির মধ্যে ৩৪টি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গায়ও চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নির্মাণ করা হবে। মামলাজট নিরসনে পাঁচ হাজার বিচারক নিয়োগের জন্য প্রতিবছর ১০০ জনের বেশি বিচারক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গায় বিচারক সংকট নিরসনে বিচারক নিয়োগ দেওয়া হবে। বিচারকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সময় অনুযায়ী অফিস করতে। তবে, কেউ যদি গাফিলতি করেন অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ সময় আপিল বিভাগের বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলম, জেলা ও দায়রা জজ মো. জিয়া হায়দার এবং জজকোর্ট ও চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকরা উপস্থিত ছিলেন।