ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা কিয়েল্লিনির

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল ২০২২ ৯৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টানা দ্বিতীয়বারের মতো নিজ দেশকে বিশ্বকাপের মূলপর্বে নিয়ে যেতে ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন ইতালির অধিনায়ক জর্জিও কিয়েল্লিনি। সঙ্গে বয়সের ভারও রয়েছে। সবকিছু মিলিয়েই জাতীয় দলের জার্সি খুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইতালি অধিনায়ক। এর জন্য উপলক্ষটাও ভালোই পাচ্ছেন তিনি। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যারাডোনা কাপে মাঠে নামবে ইতালি।

এই ম্যাচটিই হচ্ছে কিয়েল্লিনির জাতীয় দলের হয়ে শেষ ম্যাচ। তার নেতৃত্বেই ২০২০ ইউরো জেতে আজ্জুরিরা। কিন্তু ২০২২ বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ। সোমবার সিরি আতে সাসোলার বিপক্ষে ২-১ গোলে জুভেন্টাসের জয়ের পর এ কথা জানান তিনি। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার ও ইতালির রক্ষণ সামলানোর দায়িত্ব ছিল তার কাঁধে।

৩৭ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার ডিএজেডএনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন জাতীয় দলের হয়ে শিগগিরই থামতে চলেছেন, ‘ওয়েম্বলিতেই আমি জাতীয় দলকে বিদায় জানাব, যেখানে আমি ইউরো জিতে আমার ক্যারিয়ারের চূড়ায় উঠেছিলাম। আমি একটা সুন্দর স্মৃতি নিয়ে জাতীয় দল থেকে বিদায় নিতে চাই। ওই ম্যাচ নিশ্চিতভাবেই জাতীয় দলের হয়ে আমার শেষ ম্যাচ হতে চলেছে।’

১৮ বছরে ১১৬ ম্যাচ খেলা এই ডিফেন্ডার এখনো কোচ রবার্তো মানচিনির অন্যতম অস্ত্র। আলেসান্দ্রো বাস্তোনি, জিয়ানলুকা মানচিনি, আলেসসিও রোমানিওলি, ফ্রান্সেসকো আসেরবির মতো একাধিক ডিফেন্ডার গত কয়েক বছরে উঠে এলেও জাতীয় দলের রক্ষণের মূল ভরসা হিসেবে এখনো সেই কিয়েল্লিনি আর বোনুচ্চিকেই মানেন মানচিনি।

জিয়ানলুইজি বুফন, দানিয়েলে দি রসি, ফ্যাবিও ক্যানাভারোর পর আন্দ্রেয়া পিরলোর পাশাপাশি কিয়েল্লিনিই ইতালির হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন। ২০০৪ সালে মাত্র ২০ বছর বয়সে মার্সেলো লিপ্পির অধীন অভিষেক হওয়া কিয়েল্লিনি ২০১২ ইউরোর রানার্সআপ দলের অধিনায়ক ছিলেন। সেবার স্পেনের কাছে হেরে আর শিরোপা জেতা হয়নি ইতালির।

নিউজটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা কিয়েল্লিনির

আপডেট সময় : ০১:০৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল ২০২২

টানা দ্বিতীয়বারের মতো নিজ দেশকে বিশ্বকাপের মূলপর্বে নিয়ে যেতে ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন ইতালির অধিনায়ক জর্জিও কিয়েল্লিনি। সঙ্গে বয়সের ভারও রয়েছে। সবকিছু মিলিয়েই জাতীয় দলের জার্সি খুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইতালি অধিনায়ক। এর জন্য উপলক্ষটাও ভালোই পাচ্ছেন তিনি। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যারাডোনা কাপে মাঠে নামবে ইতালি।

এই ম্যাচটিই হচ্ছে কিয়েল্লিনির জাতীয় দলের হয়ে শেষ ম্যাচ। তার নেতৃত্বেই ২০২০ ইউরো জেতে আজ্জুরিরা। কিন্তু ২০২২ বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ। সোমবার সিরি আতে সাসোলার বিপক্ষে ২-১ গোলে জুভেন্টাসের জয়ের পর এ কথা জানান তিনি। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার ও ইতালির রক্ষণ সামলানোর দায়িত্ব ছিল তার কাঁধে।

৩৭ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার ডিএজেডএনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন জাতীয় দলের হয়ে শিগগিরই থামতে চলেছেন, ‘ওয়েম্বলিতেই আমি জাতীয় দলকে বিদায় জানাব, যেখানে আমি ইউরো জিতে আমার ক্যারিয়ারের চূড়ায় উঠেছিলাম। আমি একটা সুন্দর স্মৃতি নিয়ে জাতীয় দল থেকে বিদায় নিতে চাই। ওই ম্যাচ নিশ্চিতভাবেই জাতীয় দলের হয়ে আমার শেষ ম্যাচ হতে চলেছে।’

১৮ বছরে ১১৬ ম্যাচ খেলা এই ডিফেন্ডার এখনো কোচ রবার্তো মানচিনির অন্যতম অস্ত্র। আলেসান্দ্রো বাস্তোনি, জিয়ানলুকা মানচিনি, আলেসসিও রোমানিওলি, ফ্রান্সেসকো আসেরবির মতো একাধিক ডিফেন্ডার গত কয়েক বছরে উঠে এলেও জাতীয় দলের রক্ষণের মূল ভরসা হিসেবে এখনো সেই কিয়েল্লিনি আর বোনুচ্চিকেই মানেন মানচিনি।

জিয়ানলুইজি বুফন, দানিয়েলে দি রসি, ফ্যাবিও ক্যানাভারোর পর আন্দ্রেয়া পিরলোর পাশাপাশি কিয়েল্লিনিই ইতালির হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন। ২০০৪ সালে মাত্র ২০ বছর বয়সে মার্সেলো লিপ্পির অধীন অভিষেক হওয়া কিয়েল্লিনি ২০১২ ইউরোর রানার্সআপ দলের অধিনায়ক ছিলেন। সেবার স্পেনের কাছে হেরে আর শিরোপা জেতা হয়নি ইতালির।