ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আর্জেন্টিনায় ভয়াবহ মূল্যস্ফীতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫২:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ নভেম্বর ২০২২ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আর্জেন্টিনায় মূল্যস্ফীতিজনিত কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় ১ হাজার ৫০০ পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার। শুক্রবার(১১ই নভেম্বর) এ ব্যাপারে দেশটির সরকার ডিক্রি জারি করেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যেসব পণ্যের দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে, সেগুলো মূলত খাদ্য, পানীয়, ওষুধ ও পরিষ্কারক সামগ্রীজাতীয় পণ্য। ডিক্রিতে বলা হয়েছে, সরকার থেকে নির্দিষ্ট করা এসব পণ্যের দাম প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ বাড়াতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। এই ডিক্রির মেয়াদ আগামী চার মাস পর্যন্ত থাকবে বলে জানিয়েছে দেশটির অর্থমন্ত্রণালয় ।

বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম এই দেশটিতে মূল্যস্ফীতি ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মনে করছেন অনেকে। আর্জেন্টাইন অর্থনীতিবিদদের বলছেন, ’চলতি বছরের শেষ দিকে এই মূল্যস্ফীতি শতকরা ১০০ ভাগে পৌঁছে যাবে।’

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আর্জেন্টিনায় বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশে। আবার ব্যাপক এই মূল্যস্ফীতিতে একদিকে যেমন বাড়ছে জনদুর্ভোগ ও দারিদ্র্যের হার, অন্যদিকে দেশের মানুষ নামছেন বিক্ষোভে।

মনিকা সুলে নামের এক বিক্ষোভকারী জানান, ‘বর্তমানে আমাদের দেশের মূল্যস্ফীতি তিন অংকে পৌঁছানোর অবস্থা হয়েছে। খাদ্যপণ্যের দাম যেভাবে বেড়েছে, কোনো সভ্য সমাজে তা সম্ভব নয়। সরকার কোনো উদ্যোগ না নিলে ডিসেম্বরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।’

সেবাস্টিয়ান মার্টিনো নামের আরেক বিক্ষোভকারী বলেন, বর্তমানে আর্জেন্টিনার প্রায় অর্ধেক মানুষের তিন বেলার খাদ্য কেনার মতো সামর্থ্য নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আর্জেন্টিনায় ভয়াবহ মূল্যস্ফীতি

আপডেট সময় : ১১:৫২:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ নভেম্বর ২০২২

আর্জেন্টিনায় মূল্যস্ফীতিজনিত কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় ১ হাজার ৫০০ পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার। শুক্রবার(১১ই নভেম্বর) এ ব্যাপারে দেশটির সরকার ডিক্রি জারি করেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যেসব পণ্যের দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে, সেগুলো মূলত খাদ্য, পানীয়, ওষুধ ও পরিষ্কারক সামগ্রীজাতীয় পণ্য। ডিক্রিতে বলা হয়েছে, সরকার থেকে নির্দিষ্ট করা এসব পণ্যের দাম প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ বাড়াতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। এই ডিক্রির মেয়াদ আগামী চার মাস পর্যন্ত থাকবে বলে জানিয়েছে দেশটির অর্থমন্ত্রণালয় ।

বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম এই দেশটিতে মূল্যস্ফীতি ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মনে করছেন অনেকে। আর্জেন্টাইন অর্থনীতিবিদদের বলছেন, ’চলতি বছরের শেষ দিকে এই মূল্যস্ফীতি শতকরা ১০০ ভাগে পৌঁছে যাবে।’

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আর্জেন্টিনায় বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশে। আবার ব্যাপক এই মূল্যস্ফীতিতে একদিকে যেমন বাড়ছে জনদুর্ভোগ ও দারিদ্র্যের হার, অন্যদিকে দেশের মানুষ নামছেন বিক্ষোভে।

মনিকা সুলে নামের এক বিক্ষোভকারী জানান, ‘বর্তমানে আমাদের দেশের মূল্যস্ফীতি তিন অংকে পৌঁছানোর অবস্থা হয়েছে। খাদ্যপণ্যের দাম যেভাবে বেড়েছে, কোনো সভ্য সমাজে তা সম্ভব নয়। সরকার কোনো উদ্যোগ না নিলে ডিসেম্বরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।’

সেবাস্টিয়ান মার্টিনো নামের আরেক বিক্ষোভকারী বলেন, বর্তমানে আর্জেন্টিনার প্রায় অর্ধেক মানুষের তিন বেলার খাদ্য কেনার মতো সামর্থ্য নেই।