ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইতিহাস গড়া বাবরের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ খুশদিল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুন ২০২২ ৭৮ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারায় পাকিস্তান। স্বাগতিকদের এই জয়ে অসামান্য ভূমিকা রাখেন পাক অধিনায়ক বাবর আজম। তার ক্যারিয়ারের ১৭তম সেঞ্চুরিতে (১০৩) ক্যারিবীয়দের করা ৮ উইকেটে ৩০৫ রানের লক্ষ্য সহজেই টপকে পায় পাকিস্তান।

১০৭ বলে ১০৩ রানের অনবদ্য ইনিংসের জন্য ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন পাকিস্তানের অধিনায়ক। কিন্তু বাবরের চোখে তিনি নন, ম্যাচ সেরা জয়ের মূল নায়ক খুশদিল শাহ। তাই তো নিজের ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার তার হাতে তুলে দিতে কার্পণ্য করেননি সময়ের অন্যতম সেরা এই ব্যাটার।

পাকিস্তানের শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ২১ রানের। ক্রিজে তখন ১৮ বলে ২৭ ও ৩ বলে ১ রান করে অপরাজিত আছেন খুশদিল এবং মোহাম্মদ নওয়াজ। প্রথম বলে এক রান করে খুশদিলকে স্ট্রাইক দিলে পরের ৫ বলে তিনি একাই তুলে নেন ১৪ রান। ৪৯ ওভারে পাকিস্তানের স্কোর বোর্ডে যুক্ত হয় ১৫ রান। এতে জয়ের একদম কাছে চলে আসে স্বাগতিকরা। ৫০ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সিরিজে পাকিস্তানের প্রথম জয় নিশ্চিত করেন নওয়াজ।

খুশদিল ২৩ বলে ১ চার ও ৪ ছক্কায় ৪১ রানে অপরাজিত থাকেন। তাই খুশদিলের হাতে ম্যাচসেরার পুরস্কার তুলে দেয়ার পর বাবর আজম বলেছেন, ‘অসাধারণ ব্যাটিংয়ের জন্য পুরস্কারটা তাকে দিতে চাই। রান তাড়ার পরিকল্পনায় আমাদের লক্ষ্যটা ছিল পরিষ্কার।’

এদিকে বাবর আজম ইতিহাসের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো টানা তিন ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির নজির গড়লেন। ওয়ানডেতে টানা চার ইনিংসে সেঞ্চুরির রেকর্ড আছে কুমার সাঙ্গাকারার। ২০১৫ বিশ্বকাপে গড়েছিলেন এমন রেকর্ড। কিন্তু একাধিকবার টানা তিন ওয়ানডেতে শতক? বাবর ছাড়া আর কারও নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইতিহাস গড়া বাবরের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ খুশদিল

আপডেট সময় : ০২:১৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুন ২০২২

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারায় পাকিস্তান। স্বাগতিকদের এই জয়ে অসামান্য ভূমিকা রাখেন পাক অধিনায়ক বাবর আজম। তার ক্যারিয়ারের ১৭তম সেঞ্চুরিতে (১০৩) ক্যারিবীয়দের করা ৮ উইকেটে ৩০৫ রানের লক্ষ্য সহজেই টপকে পায় পাকিস্তান।

১০৭ বলে ১০৩ রানের অনবদ্য ইনিংসের জন্য ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন পাকিস্তানের অধিনায়ক। কিন্তু বাবরের চোখে তিনি নন, ম্যাচ সেরা জয়ের মূল নায়ক খুশদিল শাহ। তাই তো নিজের ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার তার হাতে তুলে দিতে কার্পণ্য করেননি সময়ের অন্যতম সেরা এই ব্যাটার।

পাকিস্তানের শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ২১ রানের। ক্রিজে তখন ১৮ বলে ২৭ ও ৩ বলে ১ রান করে অপরাজিত আছেন খুশদিল এবং মোহাম্মদ নওয়াজ। প্রথম বলে এক রান করে খুশদিলকে স্ট্রাইক দিলে পরের ৫ বলে তিনি একাই তুলে নেন ১৪ রান। ৪৯ ওভারে পাকিস্তানের স্কোর বোর্ডে যুক্ত হয় ১৫ রান। এতে জয়ের একদম কাছে চলে আসে স্বাগতিকরা। ৫০ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সিরিজে পাকিস্তানের প্রথম জয় নিশ্চিত করেন নওয়াজ।

খুশদিল ২৩ বলে ১ চার ও ৪ ছক্কায় ৪১ রানে অপরাজিত থাকেন। তাই খুশদিলের হাতে ম্যাচসেরার পুরস্কার তুলে দেয়ার পর বাবর আজম বলেছেন, ‘অসাধারণ ব্যাটিংয়ের জন্য পুরস্কারটা তাকে দিতে চাই। রান তাড়ার পরিকল্পনায় আমাদের লক্ষ্যটা ছিল পরিষ্কার।’

এদিকে বাবর আজম ইতিহাসের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো টানা তিন ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির নজির গড়লেন। ওয়ানডেতে টানা চার ইনিংসে সেঞ্চুরির রেকর্ড আছে কুমার সাঙ্গাকারার। ২০১৫ বিশ্বকাপে গড়েছিলেন এমন রেকর্ড। কিন্তু একাধিকবার টানা তিন ওয়ানডেতে শতক? বাবর ছাড়া আর কারও নেই।