ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইমরান খানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১৪ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে ইসলামাবাদের একটি আদালত। বারবার নির্দেশ দেয়া হলেও আদালতে হাজির না থাকার কারণে আজ মঙ্গলবার এ পরোয়ানা জারি করেন তোশাখানা মামলার অতিরিক্ত সেশন জজ জাফর ইকবাল।

চারটি ভিন্ন ভিন্ন মামলায় আজ আদালতে হাজির হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ (পিটিআই) প্রধান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের। তবে তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে মঙ্গলবারের শুনানি থেকে তাকে রেহাই দেয়ার অনুরোধ করেন। নিষিদ্ধ অর্থায়ন এবং সন্ত্রাস সম্পর্কিত অন্য দুটি মামলা থেকে জামিন পেলেও তোশাখানা মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে শুনানি আগামী ৭ই মার্চ পর্যন্ত মুলতবি করেন আদালত। এ ঘটনার পরপরই ইসলামাবাদ হাইকোর্টে উপস্থিত হন ইমরান।

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় তোশাখানা থেকে বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের দেয়া উপহার কিনেছিলেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া ঘোষণাপত্রে এ সম্পদের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইমরান খানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট সময় : ০৯:১৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে ইসলামাবাদের একটি আদালত। বারবার নির্দেশ দেয়া হলেও আদালতে হাজির না থাকার কারণে আজ মঙ্গলবার এ পরোয়ানা জারি করেন তোশাখানা মামলার অতিরিক্ত সেশন জজ জাফর ইকবাল।

চারটি ভিন্ন ভিন্ন মামলায় আজ আদালতে হাজির হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ (পিটিআই) প্রধান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের। তবে তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে মঙ্গলবারের শুনানি থেকে তাকে রেহাই দেয়ার অনুরোধ করেন। নিষিদ্ধ অর্থায়ন এবং সন্ত্রাস সম্পর্কিত অন্য দুটি মামলা থেকে জামিন পেলেও তোশাখানা মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে শুনানি আগামী ৭ই মার্চ পর্যন্ত মুলতবি করেন আদালত। এ ঘটনার পরপরই ইসলামাবাদ হাইকোর্টে উপস্থিত হন ইমরান।

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় তোশাখানা থেকে বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের দেয়া উপহার কিনেছিলেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া ঘোষণাপত্রে এ সম্পদের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।