ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে না জড়াতে হামাসকে অনুরোধ যুক্তরাষ্ট্রের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০২২ ৬০ বার পড়া হয়েছে

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে না জড়াতে হামাসকে অনুরোধ যুক্তরাষ্ট্রের

বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরায়েলের সঙ্গে হামাস যেন আবারও যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে সেজন্য ৪৮ ঘণ্টায় ১৫০টি ফোনকল পেয়েছে গাজাভিত্তিক গ্রুপটি। গত কয়েক দিন ধরে অধিকৃত পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমে অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল। এতে গাজার আকাশে যুদ্ধে ঘনঘটা দেখতে পাচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। এমতাবস্থায় মধ্যস্থতার জন্য এগিয়ে এসেছে বিভিন্ন পক্ষ। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

হামাসের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, গাজায় পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পরোক্ষভাবে তাদের দ্বারস্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত এ ধরনের মধ্যস্থতায় যোগ দেয় না।

গাজায় ২০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি বসবাস করে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট শহরের সমান। ২০০৬ সাল থেকে গাজায় অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধ দিয়ে রেখেছে ইসরায়েল। এজন্য এটিকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত কারাগার’ বলা হয়।

গাজা থেকে সোমবার ইসরায়েলে একটি রকেট ছোড়া হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর গাজায় হামাসের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে মধ্যস্থতার প্রক্রিয়া ভেস্তে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়। তবে এখনো পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে বড় ধরনের সংঘাতে জড়ায়নি হামাস।

গত মাসে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বিভিন্ন অভিযানে কমপক্ষে ১৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। আর ওই মাসেই ফিলিস্তিনিদের হামলায় ১৪ ইসরায়েলি নিহত হয়। তবে চলতি সপ্তাহে আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের পর ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছিল। তবে এখনো পর্যন্ত তেমন কিছু ঘটেনি।

বিভিন্ন সূত্র এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, নতুন একটি যুদ্ধে জড়াতে চায় না হামাস। শুধু হুমকি-ধামকি দিয়েই ক্ষান্ত থাকতে চায় তারা। এজন্যই রকেট হামলার সঙ্গে সঙ্গে মিশরের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামাস। এই রকেট যে তারা ছোড়েনি সে বিষয়ে দ্রুত কায়রোকে অবগত করে গ্রুপটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে না জড়াতে হামাসকে অনুরোধ যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় : ০৫:১২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০২২

ইসরায়েলের সঙ্গে হামাস যেন আবারও যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে সেজন্য ৪৮ ঘণ্টায় ১৫০টি ফোনকল পেয়েছে গাজাভিত্তিক গ্রুপটি। গত কয়েক দিন ধরে অধিকৃত পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমে অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল। এতে গাজার আকাশে যুদ্ধে ঘনঘটা দেখতে পাচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। এমতাবস্থায় মধ্যস্থতার জন্য এগিয়ে এসেছে বিভিন্ন পক্ষ। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

হামাসের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, গাজায় পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পরোক্ষভাবে তাদের দ্বারস্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত এ ধরনের মধ্যস্থতায় যোগ দেয় না।

গাজায় ২০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি বসবাস করে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট শহরের সমান। ২০০৬ সাল থেকে গাজায় অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধ দিয়ে রেখেছে ইসরায়েল। এজন্য এটিকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত কারাগার’ বলা হয়।

গাজা থেকে সোমবার ইসরায়েলে একটি রকেট ছোড়া হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর গাজায় হামাসের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে মধ্যস্থতার প্রক্রিয়া ভেস্তে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়। তবে এখনো পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে বড় ধরনের সংঘাতে জড়ায়নি হামাস।

গত মাসে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বিভিন্ন অভিযানে কমপক্ষে ১৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। আর ওই মাসেই ফিলিস্তিনিদের হামলায় ১৪ ইসরায়েলি নিহত হয়। তবে চলতি সপ্তাহে আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের পর ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছিল। তবে এখনো পর্যন্ত তেমন কিছু ঘটেনি।

বিভিন্ন সূত্র এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, নতুন একটি যুদ্ধে জড়াতে চায় না হামাস। শুধু হুমকি-ধামকি দিয়েই ক্ষান্ত থাকতে চায় তারা। এজন্যই রকেট হামলার সঙ্গে সঙ্গে মিশরের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামাস। এই রকেট যে তারা ছোড়েনি সে বিষয়ে দ্রুত কায়রোকে অবগত করে গ্রুপটি।