ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসি’র উপর কোন চাপ নেই- সিইসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২ ৪৯ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচন বন্ধ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কোনো চাপ অনুভব করছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেছেন, আমরা কোনো চাপ অনুভব করছি না। আমরা আমাদের কাজ করেছি। আজ রোববার (১৬ই অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে একই চিত্র দেখতে পেলে কী করবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আগাম কিছু বলতে পারছি না। আর এটা একটা ভিন্ন ধরনের নির্বাচন। এ বিষয়ে এককভাবে আমি কিছু বলতে পারবো না যে, কালকে কী করবো বা আরও কী করবো।

তিনি আরও বলেন, আর এই সিসিটিভিটা স্বচ্ছতা যে, ভোটাররা ভোট দিতে পারছে কি না, আমরা কিন্তু কোনো পক্ষ নই। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে ভোটার যেন ভোটটা দিতে পারেন সে দায়িত্ব পালন করা। হাবিবুল আউয়াল বলেন, সিসিটিভির প্রচলনটা সাম্প্রতিক। আমরা এটার মাধ্যমে এখান থেকে নির্বাচন মনিটরিং করতে পারি। এটা একটা ভালো উদ্যোগ।

এদিকে, জাতীয় নির্বাচনে সিসিটিভি ব্যবহার প্রশ্নে কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে আমরা সিসিটিভি স্থাপন করে পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের সঙ্গে কথা বলছি। জাতীয় নির্বাচনে ৪২ হাজার কেন্দ্র ও চার লাখ বুথ থাকে। সেটা মনিটরিং করা সম্ভব। এটা আমাদের অনেক বড় আকারে করতে হবে। অনেক লোক নিয়োগ দিতে হবে। তখন মনিটরিংয়ে আমরা পাঁচজন নয়, আরও অনেক লোক থাকবে। আমাদের সচিবালয়ের কর্মকর্তারা আছেন। তাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। তারা সবাই মিলে মনিটরিং করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসি’র উপর কোন চাপ নেই- সিইসি

আপডেট সময় : ০৬:১০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২

গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচন বন্ধ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কোনো চাপ অনুভব করছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেছেন, আমরা কোনো চাপ অনুভব করছি না। আমরা আমাদের কাজ করেছি। আজ রোববার (১৬ই অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে একই চিত্র দেখতে পেলে কী করবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আগাম কিছু বলতে পারছি না। আর এটা একটা ভিন্ন ধরনের নির্বাচন। এ বিষয়ে এককভাবে আমি কিছু বলতে পারবো না যে, কালকে কী করবো বা আরও কী করবো।

তিনি আরও বলেন, আর এই সিসিটিভিটা স্বচ্ছতা যে, ভোটাররা ভোট দিতে পারছে কি না, আমরা কিন্তু কোনো পক্ষ নই। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে ভোটার যেন ভোটটা দিতে পারেন সে দায়িত্ব পালন করা। হাবিবুল আউয়াল বলেন, সিসিটিভির প্রচলনটা সাম্প্রতিক। আমরা এটার মাধ্যমে এখান থেকে নির্বাচন মনিটরিং করতে পারি। এটা একটা ভালো উদ্যোগ।

এদিকে, জাতীয় নির্বাচনে সিসিটিভি ব্যবহার প্রশ্নে কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে আমরা সিসিটিভি স্থাপন করে পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের সঙ্গে কথা বলছি। জাতীয় নির্বাচনে ৪২ হাজার কেন্দ্র ও চার লাখ বুথ থাকে। সেটা মনিটরিং করা সম্ভব। এটা আমাদের অনেক বড় আকারে করতে হবে। অনেক লোক নিয়োগ দিতে হবে। তখন মনিটরিংয়ে আমরা পাঁচজন নয়, আরও অনেক লোক থাকবে। আমাদের সচিবালয়ের কর্মকর্তারা আছেন। তাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। তারা সবাই মিলে মনিটরিং করবেন।