ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুন ২০২২ ৯৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যার পানি কমলেও দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি বেড়েছে। বৃষ্টি ও উজানের ঢল কমে যাওয়ায় সিলেট-সুনামগঞ্জে ধীরে ধীরে বন্যার উন্নতি হচ্ছে। লালমনিরহাটে তিস্তা, ধরলা নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী জেলার ৩০টি গ্রামের ৮০ হাজার মানুষ। গাইবান্ধার নদ-নদীর পানি আরও বেড়েছে। ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে।

নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুন) সকালে নীলফামারীর ডিমলা ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ২৪ সেন্টিমিটার (৫২.৮৪) ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২.৬০ সেন্টিমিটার। এতে তিস্তা নদী বেষ্টিত ১০টি চরগ্রাম প্লাবিত হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, উজানের পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বিপৎসীমার ২৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। সেইসঙ্গে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৮০ হাজারের বেশি মানুষ। তলিয়ে গেছে প্রায় তিন হাজার ৫০০ হেক্টর জমির ফসল।

নিউজটি শেয়ার করুন

উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুন ২০২২

সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যার পানি কমলেও দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি বেড়েছে। বৃষ্টি ও উজানের ঢল কমে যাওয়ায় সিলেট-সুনামগঞ্জে ধীরে ধীরে বন্যার উন্নতি হচ্ছে। লালমনিরহাটে তিস্তা, ধরলা নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী জেলার ৩০টি গ্রামের ৮০ হাজার মানুষ। গাইবান্ধার নদ-নদীর পানি আরও বেড়েছে। ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে।

নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুন) সকালে নীলফামারীর ডিমলা ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ২৪ সেন্টিমিটার (৫২.৮৪) ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২.৬০ সেন্টিমিটার। এতে তিস্তা নদী বেষ্টিত ১০টি চরগ্রাম প্লাবিত হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, উজানের পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বিপৎসীমার ২৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। সেইসঙ্গে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৮০ হাজারের বেশি মানুষ। তলিয়ে গেছে প্রায় তিন হাজার ৫০০ হেক্টর জমির ফসল।