ঢাকা ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার নিলামে উঠছে ম্যারাডোনার হ্যান্ড অব গড গোলের বল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিলামে উঠছে ‘হ্যান্ড অব গড’ খ্যাত ম্যারোডোনার সেই বিখ্যাত বলটি। শতাব্দির সেরা গোলের সাক্ষীও সেই বল। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের তিউনিশিয়ান রেফারি আল বিন নাসেরের কাছে এতদিন ছিলো বলটি। যার ভিত্তি মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় তিন মিলিয়ন পাউন্ড। নিলামের ইতিহাসে রেকর্ড গড়তে পারে ঐতিহাসিক সেই বল মনে করছেন অনেকেই।

১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। মেক্সিকোর এজতেকা স্টেডিয়ামে একই ম্যাচে ঘটলো ফুটবল ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দুই ঘটনা। নেপথ্যে ফুটবল ঈশ্বর দিয়াগো আরমান্দো ম্যারাডোনা।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এমন এক গোল করে বসলেন ম্যারাডোনা যা নিয়ে দ্বিধায় পড়ে গেলেন ম্যাচ রেফারি আলী বিন নাসের। বোকা বনে গিয়েছিলেন খোদ ইংলিশ গোলরক্ষক পিটার শিল্টনও। ৩৬ বছর আগে ছিলো না আজকের মত এতটা তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতাও। টিভিতে বারবার রিপ্লে দেখেও বোঝার উপায় ছিলো না গোলটায় ছিলো ম্যারাডোনার হাত। পুরো বিশ্বকে ধাঁধায় ফেলে দেয়া সেই গোলটাই হ্যান্ড আব গড বা ইশ্বরের হাত নামে সুপরচিত।

১৯৮৬ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালের রেফারি আলী বিন নাসের বলেন, সেই গোলটা শিল্টন এবং ম্যারাডোনার জন্য আমি দেখতে পাইনি। সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষেত্রে আমি লাইন্সম্যানের উপর নির্ভরশীল ছিলাম। তাই আমাকে কেউ দোষ দিতে পারবে না। সেবারের বিশ্বকাপটা মূলত আর্জেন্টিনার নয় ম্যারাডোনার ছিলো।

একই ম্যাচে চার ইংলিশ ফুটবলারকে কাটিয়ে আবারো ইতিহাসের পাতায় ম্যারাডোনা। শতাব্দীর সেরা গোলে মোহাচ্ছন্ন ছিলো ফুটবল বিশ্ব।

এমন দু’গোলের সাক্ষী যে বল তা এতদিন ধরে আগলে রেখেছিলেন ম্যাচ রেফারি আলি বিন নাসের। এ তিউনিশিয়ান এবার ঐতিহাসিক বলটা বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

১৯৮৬ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালের রেফারি আলী বিন নাসের বলেন, বলটা ইতিহাসের অংশ, পুরো পৃথিবীর সঙ্গে যা ভাগাভাগি করে নেয়ার এখই সেরা সময়।

১৬ নভেম্বর নিলামে উঠবে বলটি। যার ভিত্তি মূল্য দুই দশমিক আট মিলিয়ন থেকে তিন মিলিয়ন পাউন্ড। অর্থাৎ টাকায় আপনাকে গুনতে হবে সর্বনিমম্ন চল্লিশ কোটি টাকা। তবে এরচেয়ে প্রায় ৫ গুন বেশি দামে বিক্রির আশা করছে জার্মান ভিত্তিক নিলামকারী প্রতিষ্ঠান গ্রাহাম বাড।

২০২০ সালে ম্যারাডোনার মৃত্যুর ছয় মাসের মধ্যে সেই ম্যাচে তার জার্সিটা বিক্রি হয়েছিলো রেকর্ড ৭ দশমিক ৪ মিলিয়ন পাউন্ডে। কিনে নিয়েছিলেন সাবেক ইংলিশ মিডফিল্ডার স্টিভ হজ।

সে রেকর্ড ভেঙ্গে গেছে দু’বছর পরই। চলতি বছর সেপ্টেম্বরে ১৯৯৮ এনবিএ ফাইনালে মাইকেল জর্ডানের জার্সিটি বিক্রি হয়েছে আট দশমিক সাত মিলিয়ন পাউন্ডে। জার্সির নিরীখে যা সবচেয়ে বেশি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এবার নিলামে উঠছে ম্যারাডোনার হ্যান্ড অব গড গোলের বল

আপডেট সময় : ১১:৫৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২

নিলামে উঠছে ‘হ্যান্ড অব গড’ খ্যাত ম্যারোডোনার সেই বিখ্যাত বলটি। শতাব্দির সেরা গোলের সাক্ষীও সেই বল। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের তিউনিশিয়ান রেফারি আল বিন নাসেরের কাছে এতদিন ছিলো বলটি। যার ভিত্তি মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় তিন মিলিয়ন পাউন্ড। নিলামের ইতিহাসে রেকর্ড গড়তে পারে ঐতিহাসিক সেই বল মনে করছেন অনেকেই।

১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। মেক্সিকোর এজতেকা স্টেডিয়ামে একই ম্যাচে ঘটলো ফুটবল ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দুই ঘটনা। নেপথ্যে ফুটবল ঈশ্বর দিয়াগো আরমান্দো ম্যারাডোনা।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এমন এক গোল করে বসলেন ম্যারাডোনা যা নিয়ে দ্বিধায় পড়ে গেলেন ম্যাচ রেফারি আলী বিন নাসের। বোকা বনে গিয়েছিলেন খোদ ইংলিশ গোলরক্ষক পিটার শিল্টনও। ৩৬ বছর আগে ছিলো না আজকের মত এতটা তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতাও। টিভিতে বারবার রিপ্লে দেখেও বোঝার উপায় ছিলো না গোলটায় ছিলো ম্যারাডোনার হাত। পুরো বিশ্বকে ধাঁধায় ফেলে দেয়া সেই গোলটাই হ্যান্ড আব গড বা ইশ্বরের হাত নামে সুপরচিত।

১৯৮৬ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালের রেফারি আলী বিন নাসের বলেন, সেই গোলটা শিল্টন এবং ম্যারাডোনার জন্য আমি দেখতে পাইনি। সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষেত্রে আমি লাইন্সম্যানের উপর নির্ভরশীল ছিলাম। তাই আমাকে কেউ দোষ দিতে পারবে না। সেবারের বিশ্বকাপটা মূলত আর্জেন্টিনার নয় ম্যারাডোনার ছিলো।

একই ম্যাচে চার ইংলিশ ফুটবলারকে কাটিয়ে আবারো ইতিহাসের পাতায় ম্যারাডোনা। শতাব্দীর সেরা গোলে মোহাচ্ছন্ন ছিলো ফুটবল বিশ্ব।

এমন দু’গোলের সাক্ষী যে বল তা এতদিন ধরে আগলে রেখেছিলেন ম্যাচ রেফারি আলি বিন নাসের। এ তিউনিশিয়ান এবার ঐতিহাসিক বলটা বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

১৯৮৬ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালের রেফারি আলী বিন নাসের বলেন, বলটা ইতিহাসের অংশ, পুরো পৃথিবীর সঙ্গে যা ভাগাভাগি করে নেয়ার এখই সেরা সময়।

১৬ নভেম্বর নিলামে উঠবে বলটি। যার ভিত্তি মূল্য দুই দশমিক আট মিলিয়ন থেকে তিন মিলিয়ন পাউন্ড। অর্থাৎ টাকায় আপনাকে গুনতে হবে সর্বনিমম্ন চল্লিশ কোটি টাকা। তবে এরচেয়ে প্রায় ৫ গুন বেশি দামে বিক্রির আশা করছে জার্মান ভিত্তিক নিলামকারী প্রতিষ্ঠান গ্রাহাম বাড।

২০২০ সালে ম্যারাডোনার মৃত্যুর ছয় মাসের মধ্যে সেই ম্যাচে তার জার্সিটা বিক্রি হয়েছিলো রেকর্ড ৭ দশমিক ৪ মিলিয়ন পাউন্ডে। কিনে নিয়েছিলেন সাবেক ইংলিশ মিডফিল্ডার স্টিভ হজ।

সে রেকর্ড ভেঙ্গে গেছে দু’বছর পরই। চলতি বছর সেপ্টেম্বরে ১৯৯৮ এনবিএ ফাইনালে মাইকেল জর্ডানের জার্সিটি বিক্রি হয়েছে আট দশমিক সাত মিলিয়ন পাউন্ডে। জার্সির নিরীখে যা সবচেয়ে বেশি।