ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার রংপুরে পরিবহন ধর্মঘট ডাকল মোটর মালিক সমিতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২ ৩০ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রংপুরে পরিবহন ধর্মঘট আহ্বান করেছে জেলা মোটর মালিক সমিতি। বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১২টা থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে। শনিবার (২৯ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত চলবে ধর্মঘট।

রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি এ কে এম মোজাম্মেল হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মহাসড়ক থেকে তিন চাকার যানবাহন বন্ধ অন্যান্য দাবিতে এ ধর্মঘট আহ্বান করা হয়েছে বলে মোটর মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী শনিবার (২৯ অক্টোবর) রংপুরে বিভাগীয় গণসমাবেশ আয়োজন করেছে দলটি। খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, জ্বালানি তেল, চাল-ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের গুলিতে হত্যা, হামলা এবং মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে গণসমাবেশের ডাক দেয় বিএনপি।

শনিবার রংপুরে সমাবেশ সমাবেশ সফল করতে নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও প্রস্তুতি সভাসহ সমাবেশে উপস্থিতি বাড়াতে প্রচারপত্র বিতরণ, জনসংযোগ, পথসভা করছেন নেতাকর্মীরা।

গত ৮ অক্টোবর চট্টগ্রামের সমাবেশটি নির্বিঘ্নে হলেও ১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহ ও ২২ অক্টোবর খুলনার বিভাগীয় গণসমাবেশের আগেও সেখানকার পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা বাস ধর্মঘটের ডাক দেন। এতে দু’দিন ধরে বাস বন্ধ থাকায় গণসমাবেশমুখী নেতাকর্মীদের পাশাপাশি চাকরিজীবী, চাকরিপ্রার্থী এবং সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

এদিকে আগামী ৫ নভেম্বর বরিশালে বিভাগীয় গণসমাবেশ ডেকেছে দলটি। কিন্তু বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বরিশাল জেলা বাস মালিক সমিতি।

মহাসড়কে নসিমন, করিমন ও থ্রি হুইলারসহ অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে আগামী ৪ ও ৫ নভেম্বর বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বরিশাল জেলা বাস মালিক সমিতি।

আগামী ৪ নভেম্বর থেকে বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণ রুটের সব বাস চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, তাদের সমাবেশে লোকসমাগম ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। তবে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বিএনপির অতীতের নানা কর্মসূচিতে বাসে আগুন ও ভাঙচুরের ভয়ে মালিকরা বাস বন্ধ রাখছে, এতে সরকারের হাত নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

এবার রংপুরে পরিবহন ধর্মঘট ডাকল মোটর মালিক সমিতি

আপডেট সময় : ০২:৩৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২

রংপুরে পরিবহন ধর্মঘট আহ্বান করেছে জেলা মোটর মালিক সমিতি। বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১২টা থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে। শনিবার (২৯ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত চলবে ধর্মঘট।

রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি এ কে এম মোজাম্মেল হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মহাসড়ক থেকে তিন চাকার যানবাহন বন্ধ অন্যান্য দাবিতে এ ধর্মঘট আহ্বান করা হয়েছে বলে মোটর মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী শনিবার (২৯ অক্টোবর) রংপুরে বিভাগীয় গণসমাবেশ আয়োজন করেছে দলটি। খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, জ্বালানি তেল, চাল-ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের গুলিতে হত্যা, হামলা এবং মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে গণসমাবেশের ডাক দেয় বিএনপি।

শনিবার রংপুরে সমাবেশ সমাবেশ সফল করতে নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও প্রস্তুতি সভাসহ সমাবেশে উপস্থিতি বাড়াতে প্রচারপত্র বিতরণ, জনসংযোগ, পথসভা করছেন নেতাকর্মীরা।

গত ৮ অক্টোবর চট্টগ্রামের সমাবেশটি নির্বিঘ্নে হলেও ১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহ ও ২২ অক্টোবর খুলনার বিভাগীয় গণসমাবেশের আগেও সেখানকার পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা বাস ধর্মঘটের ডাক দেন। এতে দু’দিন ধরে বাস বন্ধ থাকায় গণসমাবেশমুখী নেতাকর্মীদের পাশাপাশি চাকরিজীবী, চাকরিপ্রার্থী এবং সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

এদিকে আগামী ৫ নভেম্বর বরিশালে বিভাগীয় গণসমাবেশ ডেকেছে দলটি। কিন্তু বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বরিশাল জেলা বাস মালিক সমিতি।

মহাসড়কে নসিমন, করিমন ও থ্রি হুইলারসহ অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে আগামী ৪ ও ৫ নভেম্বর বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বরিশাল জেলা বাস মালিক সমিতি।

আগামী ৪ নভেম্বর থেকে বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণ রুটের সব বাস চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, তাদের সমাবেশে লোকসমাগম ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। তবে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বিএনপির অতীতের নানা কর্মসূচিতে বাসে আগুন ও ভাঙচুরের ভয়ে মালিকরা বাস বন্ধ রাখছে, এতে সরকারের হাত নেই।