শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৩৬ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে মরক্কো ২৪ বছর পর গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় বেলজিয়ামের গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে সরকার বেসামাল হয়ে গেছে : রিজভী বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম নির্ধারণ করতে পারবে সরকার আমাদের ও আওয়ামী লীগের মাঝখানে আসবেন না: সালাম ইসলামি ব্যাংক থেকে মালিকপক্ষের ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ পোশাক রপ্তানিতে আবারো দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ ডেঙ্গুতে মৃত্যুহীন দিনে ৩৮০ জন হাসপাতালে ভর্তি আশার আলো দেখাচ্ছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের কথা না ভেবে সরকার বিদেশে অর্থ পাচার করছে: ড. কামাল ডিসেম্বরকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস ঘোষণার দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পুলিশ প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে যা জানালেন বিএনপি নেতারা ডিএমপির ছয় কর্মকর্তা বদলি শুরু হলো সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযান করোনা টিকাদানের বিশেষ কর্মসূচি শুরু

এ বছর আমনের ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : নভেম্বর ১৭, ২০২২
এ বছর আমনের ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে

বাংলাদেশ এ বছর দেশের দ্বিতীয় প্রধান ধানের জাত আমনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে চলেছে উল্লেখ করে কর্মকর্তারা বলছেন যে, দেশের প্রধান শস্যের ফলন প্রত্যাশার চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি হতে পারে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)’র একজন মুখপাত্র বাসস’কে বলেন, ‘আমরা আশা করছি এ বছর আমন উৎপাদন প্রাক্কলিত উৎপাদনের তুলনায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেশি হবে।’

ডিএই’র ফিল্ড সার্ভিস উইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আবদুহু বলেন, ‘আমনের প্রাক্কলিত ফলন ১৬৩ মিলিয়ন টনের বিপরীতে এখন ১৭০ মিলিয়ন টনের বেশি হতে পারে।’

সারা দেশে ৫৯ লাখ হেক্টর জমিতে এই প্রধান ফসল কাটার কাজ চলছে এমন সময় তার এ মন্তব্য এসেছে। এদিকে কৃষকরা আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলার কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন।

ডিএই কর্মকর্তারা আভাস দেন যে এ পর্যন্ত ১৮ শতাংশ শস্য সংগ্রহ করা হয়েছে। আমন ফসল মোট ধান উৎপাদনের ৩৮ শতাংশ এবং এর অবস্থান বোরোর পরে দ্বিতীয়।

আবদুহু এবং ডিএই-তে তার সহকর্মীদের মতে, ঘূর্ণিঝড় আমন উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে এমন আশঙ্কার বিপরীতে শরৎকালের শেষের দিকে যথেষ্ট বৃষ্টিপাত ফলন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

তিনি বলেন, ‘গত দুই বছরের তুলনায় হেক্টর প্রতি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা বেশি ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত উৎপাদন বর্ধিত লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে।’

ডিএ’র সাবেক মহাপরিচালক আব্দুল মুয়ীদ বলেন, তারা গত মাসগুলোতে একটি খরার মতো পরিস্থিতির কারণে আমন উৎপাদন সম্পর্কে উদ্বিগ্ন ছিলেন, যা একটি ছত্রাক সংক্রমণের কারণ হতে পারে। তবে বৃষ্টি শেষ পর্যন্ত এ জাতীয় পরিস্থিতি রোধ করে।

তিনি বলেন, ‘এটি (ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং) বরং আশীর্বাদ হিসাবে উপস্থিত হয়েছে।’

সরকারী পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ বছর সামগ্রিক আমন এলাকার কভারেজ ছিল ৫৯.০৬ লাখ হেক্টরের বেশি, যেখানে গত দুই বছরে তা যথাক্রমে ৫৭.২০ লাখ এবং ৫৬.২৫ লাখ হেক্টরের বেশি ছিল না।

এফএও’র রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালে ৩৭.৪ মিলিয়ন টন এবং ২০২১ সালে ৩৭.৮ মিলিয়ন টন ধান উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ