ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কবে কোথায় আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মে ২০২২ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে ‘আসানি’। বর্তমানে এটি ভারতের উপকূলের দিকে এগোলেও গতি বদলে বাংলাদেশের দিকে আসারও সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত প্রবল গতিতে অন্ধ্র প্রদেশ ও ওড়িশা রাজ্যের উপকূলের দিকে এগোতে থাকবে। তবে উপকূলে আঘাত হানার সময় এর গতি কমে আসতে পারে।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ১০ মে সন্ধ্যায় অন্ধ্র উপকূলে পৌঁছনোর কথা অশনির। তারপর সামান্য বাঁক নিয়ে উত্তর দিকে ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোবে। তবে কোন পথে স্থলভাগে প্রবেশ করবে তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আসানির প্রভাবে ১০ মে থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি শুরু হবে। ১০ থেকে ১২ মে পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে হালকা বৃষ্টি হলেও ১১ তারিখ থেকে ১২ মে পর্যন্ত দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগর এই মুহূর্তে বিক্ষুব্ধ হয়ে রয়েছে। বাংলাদেশের উপকূলের আবহাওয়াতেও পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার নাগাদ এটি উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছবে বলে আবহাওয়াবিদরা ধারণা করছেন।

এ কারণে দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোকে দুই নম্বর দূরবর্তী পুন:সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশের ওপর এই ঝড়ের প্রভাব পড়তে শুরু করবে বলে পূর্বাভাসে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঝড়টি উপকূলের কাছাকাছি আসলে আবার বৃষ্টিপাত বাড়বে। ঘূর্ণিঝড় পুরোপুরি বিলীন না হওয়া পর্যন্ত উপকূলে বৃষ্টিপাত থাকতে পারে।

দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এনামুর রহমান ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় পূর্ব প্রস্তুতি বিষয়ক একটি সভাও করেছেন। ঘূর্ণিঝড় হলে তা মোকাবিলার সব প্রস্তুতি আছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কবে কোথায় আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’

আপডেট সময় : ০২:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মে ২০২২

প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে ‘আসানি’। বর্তমানে এটি ভারতের উপকূলের দিকে এগোলেও গতি বদলে বাংলাদেশের দিকে আসারও সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত প্রবল গতিতে অন্ধ্র প্রদেশ ও ওড়িশা রাজ্যের উপকূলের দিকে এগোতে থাকবে। তবে উপকূলে আঘাত হানার সময় এর গতি কমে আসতে পারে।

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ১০ মে সন্ধ্যায় অন্ধ্র উপকূলে পৌঁছনোর কথা অশনির। তারপর সামান্য বাঁক নিয়ে উত্তর দিকে ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোবে। তবে কোন পথে স্থলভাগে প্রবেশ করবে তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আসানির প্রভাবে ১০ মে থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি শুরু হবে। ১০ থেকে ১২ মে পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে হালকা বৃষ্টি হলেও ১১ তারিখ থেকে ১২ মে পর্যন্ত দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগর এই মুহূর্তে বিক্ষুব্ধ হয়ে রয়েছে। বাংলাদেশের উপকূলের আবহাওয়াতেও পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার নাগাদ এটি উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছবে বলে আবহাওয়াবিদরা ধারণা করছেন।

এ কারণে দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোকে দুই নম্বর দূরবর্তী পুন:সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশের ওপর এই ঝড়ের প্রভাব পড়তে শুরু করবে বলে পূর্বাভাসে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঝড়টি উপকূলের কাছাকাছি আসলে আবার বৃষ্টিপাত বাড়বে। ঘূর্ণিঝড় পুরোপুরি বিলীন না হওয়া পর্যন্ত উপকূলে বৃষ্টিপাত থাকতে পারে।

দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এনামুর রহমান ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় পূর্ব প্রস্তুতি বিষয়ক একটি সভাও করেছেন। ঘূর্ণিঝড় হলে তা মোকাবিলার সব প্রস্তুতি আছে বলে তিনি জানিয়েছেন।