বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৫ ব্যাংকারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ বাসচাপায় শিক্ষার্থী নিহত : রামপুরায় ৯ বাসে আগুন, তিনটিতে ভাঙচুর করোনার এক ডোজ টিকা নিলেই যাওয়া যাবে সৌদি আরব আবরার হত্যা: সেদিন যা ঘটেছিল আবরার হত্যা মামলার রায় পেছালো প্রতিষ্ঠার ২২ বছরপূর্তি উদযাপন ঠিকানা সমবায় সমিতির গৃহ নির্মাণে সুদ ছাড়াই ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ ছাত্রলীগের মারামারিতে বন্ধ হওয়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ খুলল শিশুর অভিভাবকত্ব পারিবারিক আদালতেই নির্ধারিত হবে: হাইকোর্ট ব্লুটুথযুক্ত মোটরসাইকেলে বিটিআরসির অনুমোদন নিতে হবে: বিআরটিএ ২০৩০ সালের মধ্যে সব নদীর পলি অপসারণের উদ্যোগ সরকারের খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি আহ্বান বিএনপির এমপিদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিমেল দুই দিন ধরে নিখোঁজ সাংবাদিক রিশাদ হুদাকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে পণ্য নিতে এসে আলেশা মার্টের অফিস বন্ধ পাওয়ার অভিযোগ গ্রাহকদের সুনামগঞ্জের সীমান্তে বুনো হাতি, না মারার আহ্বান পুলিশের চেয়ারম্যান প্রতীক দিচ্ছি দেখেই মারামারি তা কিন্তু না: প্রধানমন্ত্রী মর্যাদাপূর্ণ সন পদক পেলেন বাংলাদেশের মেরিনা বছরের শুরুতে শ্রেণিকক্ষে ক্লাস পুরোপুরি সম্ভব নয়: শিক্ষামন্ত্রী নির্বাচনি সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ যুবলীগ নেতার মৃত্যু

কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পেয়ে হতাশ জেলেরা

রিপোর্টারের নাম : / ৩১ জন দেখেছেন
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:২২ পূর্বাহ্ন

 

নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরতে নেমে হতাশার কথা জানিয়েছেন বরগুনা ও চাঁদপুরের জেলেরা।
ইলিশের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সোমবার মধ্যরাতে নদী ও সাগরে ইলিশ ধরতে যান তারা। কিন্তু অনেকে বিনিয়োগও তুলতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন ট্রলার মালিকরা।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, “ভরা মৌসুমে বারবার সাগর থেকে প্রায় শূন্য হাতে ফেরায় মালিকদের হাত শূন্য। এছাড়া বাকিতে জ্বালানি এবং সাগরে জেলেদের খাবারের চাল-ডাল কিনতে না পারায় জেলেদের সাগরে পাঠানো যাচ্ছে না। অনেক চেষ্টা করেও অনেকে দাদন সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।”

ইলিশের আকাল নিয়ে ‍উৎকণ্ঠায় রয়েছেন তারা।

আবদুস সালেক নামে বরগুনার একজন ট্রলার মালিক বলেন, “জ্যৈষ্ঠ থেকে আশ্বিন পর্যন্ত ইলিশের মৌসুমে প্রথম দফায় ৬৫ দিন এবং দ্বিতীয় দফায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা ছিল। প্রায় তিন মাস। তাছাড়া একাধিকবার লঘুচাপ, নিম্নচাপ ও সাইক্লোন ছিল। স্বাভাবিকভাবেই এ বছর আমাদের বিনিয়োগ উঠবে ন।
“১৫-১৭ জন শ্রমিক নিয়ে সাগরে ট্রলার পাঠিয়ে খরচের ৩০ শতাংশও ওঠাতে পারিনি।”

চাঁদপুরের জেলে খোরশেদ আলম বললেন তার আশা ভঙ্গের কথা।

“মাছ না পাওনে আমগো আশা ভাইঙ্গা গেছে। এত দিন যে ঋণ কইরা চলচি, হেই টেহা কেমনে সোধ করমু আল্লায় জানে। আমনেও যদি মাছ না পাই, তয় আমগো দুঃখের শেষ থাকব না।”
বিক্রেতারা বলছেন, ইলিশের জোগান কম থাকায় জেলেদের পাশাপাশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারাও।

চাঁদপুরের আড়তগুলোর অধিকাংশই অলস সময় পার করছে বলে সেখানকার ব্যবসায়ীরা জানান।

বাচ্চু নামে একজন বিক্রেতা বলেন, “জেলেদের মত আমরাও অনেক আশা নিয়ে আড়তে এসেছি। কিন্তু মাছ না থাকায় অনেক ক্ষতির মুখে পড়ছি। লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। এত কম মাছ আসলে সেই টাকা তোলা সম্ভব হবে না।”
তবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ, অ্যাকোয়াকালচার অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ শুনিয়েছেন আশার কথা।

তিনি বলেন, “অনুমান করা যাচ্ছে, জেলেরা মৌসুম শেষ বিধায় দুশ্চিন্তা করলেও শীত মৌসুমেও এ বছর পর্যাপ্ত মাছ ধরা পড়তে পারে। মৌসুম শেষ হলেও ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইলিশের প্রাচুর্য থাকতে পারে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ