ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাপাসিয়ায় কচু চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষক

গাজীপুর সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অক্টোবর ২০২২ ৪৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলার কাপাসিয়া উপজেলায় পানি কচু, লতিরাজ কচু ও মুখি কচু চাষে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। উপজেলার দস্যু নারায়ণপুর গ্রামে বিভিন্ন ব্লকে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চাষ করা হয়েছে এই তিন জাতের কচু।

কাপাসিয়া কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অর্থকরী ফসল হিসেবে এই সবজি বেশ লাভজনক। উপজেলার প্রায় ১২ হেক্টর জমিতে পানি ও লতিরাজ কচুর চাষ করা হয়েছে। কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের সার, চারা, আন্তঃপরিচর্যার জন্য আর্থিক প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উপজেলা কৃষি অফিসের মাঠপর্যায়ের উ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে পরামর্শ দিচ্ছেন।

উপজেলার দস্যু নারায়ণপুর গ্রামের কৃষক আফজাল হোসেন কচু চাষ করেছেন। তিনি বলেন, কৃষি বিভাগের পরামর্শে এক হেক্টর জমিতে পানি কচু আবাদ করেছি। আগামীতে আরও দুই হেক্টর জমিতে চাষ করবো। ইতোমধ্যে ৯০ হাজার টাকার কচু ও লতি বিক্রি করেছি। আশা করছি আরও ২ মাস প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত কচু বিক্রি করতে পারবো। পানি কচু আবাদ ধান চাষের চেয়েও অনেক লাভজনক। প্রকল্পের আওতায় এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে চাষ করে লাভ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন কুমার বসাক জানান, কচু চাষে বিঘাপ্রতি খরচ হয় প্রায় ৩০ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা। শুধু কচু বিক্রি করে গড়ে টাকা আসে ৮০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা। এতে মৌসুম শেষে বিঘাপ্রতি লাভ হয় প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকা। কচু চাষ কেবল আর্থিকভাবে লাভজনক নয়, এটি আয়রণ সমৃদ্ধ সবজি যা, শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টি নিরাপত্তায় দারুণ ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও জানান, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কাপাসিয়ায় মুখিকচু, লতিরাজ কচু, ওল কচু, পানি কচু সম্প্রসারণ করতে কৃষকদের উপকরণ, প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আগ্রহী কৃষকের সংখ্যা দিন-দিন বাড়ছে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

কাপাসিয়ায় কচু চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষক

আপডেট সময় : ১২:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অক্টোবর ২০২২

জেলার কাপাসিয়া উপজেলায় পানি কচু, লতিরাজ কচু ও মুখি কচু চাষে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। উপজেলার দস্যু নারায়ণপুর গ্রামে বিভিন্ন ব্লকে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চাষ করা হয়েছে এই তিন জাতের কচু।

কাপাসিয়া কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অর্থকরী ফসল হিসেবে এই সবজি বেশ লাভজনক। উপজেলার প্রায় ১২ হেক্টর জমিতে পানি ও লতিরাজ কচুর চাষ করা হয়েছে। কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের সার, চারা, আন্তঃপরিচর্যার জন্য আর্থিক প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উপজেলা কৃষি অফিসের মাঠপর্যায়ের উ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে পরামর্শ দিচ্ছেন।

উপজেলার দস্যু নারায়ণপুর গ্রামের কৃষক আফজাল হোসেন কচু চাষ করেছেন। তিনি বলেন, কৃষি বিভাগের পরামর্শে এক হেক্টর জমিতে পানি কচু আবাদ করেছি। আগামীতে আরও দুই হেক্টর জমিতে চাষ করবো। ইতোমধ্যে ৯০ হাজার টাকার কচু ও লতি বিক্রি করেছি। আশা করছি আরও ২ মাস প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত কচু বিক্রি করতে পারবো। পানি কচু আবাদ ধান চাষের চেয়েও অনেক লাভজনক। প্রকল্পের আওতায় এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে চাষ করে লাভ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন কুমার বসাক জানান, কচু চাষে বিঘাপ্রতি খরচ হয় প্রায় ৩০ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা। শুধু কচু বিক্রি করে গড়ে টাকা আসে ৮০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা। এতে মৌসুম শেষে বিঘাপ্রতি লাভ হয় প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকা। কচু চাষ কেবল আর্থিকভাবে লাভজনক নয়, এটি আয়রণ সমৃদ্ধ সবজি যা, শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টি নিরাপত্তায় দারুণ ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও জানান, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কাপাসিয়ায় মুখিকচু, লতিরাজ কচু, ওল কচু, পানি কচু সম্প্রসারণ করতে কৃষকদের উপকরণ, প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আগ্রহী কৃষকের সংখ্যা দিন-দিন বাড়ছে বলেও জানান তিনি।