রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বোরো মৌসুমের নতুন ১০টি জাতের ধানের নিবন্ধন ছাড় আইন প্রণয়নসহ নির্বাচন কমিশনের আর্থিক অবস্থা শক্তিশালী করার প্রস্তাব আওয়ামী লীগের ৫০ ঊর্ধ্ব বয়সীদের করোনা ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নির্বাচন কমিশন নিয়োগে আইনের খসড়ায় মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন ডিসি সম্মেলন শুরু মঙ্গলবার, মাঠ প্রশাসনের কর্তারা আরো ক্ষমতা চান স্বাধীনতা বিরোধীতাকারীদের তালিকা প্রকাশে জামুকা আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেব: বিজয়ী নাসিক মেয়র আইভী ইভিএম কারচুপির জন্য পরাজয়: তৈমুর বোরো উৎপাদনে কেজিতে সর্বোচ্চ ৬৫০ লিটার পানির প্রয়োজন: ব্রির গবেষণা ২৪ বিসিএসের (প্রশাসন) নতুন কমিটি: সভাপতি নাছির, সম্পাদক হামিদ নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন: আইভী থাকছেন নাকি তৈমুর হচ্ছেন মেয়র মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে অনলাইন আবেদন ২৮ জানুয়ারি থেকে রবিবার বিকেলে বসছে সংসদের ষোড়শ অধিবেশন বিধিনিষেধ না মানলে লকডাউন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনায় আরও ৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩,৪৪৭ ২০ জানুয়ারির পর রোডমার্চ-গণসংযোগ কর্মসূচি দিচ্ছে বিদিশার জাতীয় পার্টি ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষিপ্রযুক্তির উন্নয়নে ‘সমন্বিত প্রকল্প’ নিবে ডি-৮ ২ বছর পর হচ্ছে তিনদিনের ডিসি সম্মেলন, শুরু ১৮ জানুয়ারি জমজমাট চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: দুই প্যানেলে প্রধান মিশা ও কাঞ্চন রাষ্ট্রপতির সংলাপে নির্বাচনী আইন প্রণয়নসহ ৫ দফা প্রস্তাব এনপিপি’র

কুইক রেন্টাল’ বিদ্যুতকেন্দ্র আরও ৫ বছর রাখতে সংসদে বিল

রিপোর্টারের নাম : / ৯৬ জন দেখেছেন
আপডেট : রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন

জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটাতে এক দশক আগে দেশে ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালানোর বিশেষ আইনের মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়াতে সংসদে বিল উঠেছে।
বুধবার বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ‘বিদ্যুৎ ও জ্বলানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) বিল-২০২১’ সংসদে উত্থাপন করেন।

২০০৯ সালের আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ সঙ্কট দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি ভাড়া ও দ্রুত ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমোদন দেওয়া হয়।

এসব ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বৈধতা দিতে ২০১০ সালে প্রণয়ন করা হয় ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন’। শুরুতে দুই বছরের জন্য এ আইন করা হলেও পরে কয়েক দফায় সময় বাড়ানো হয়।

২০১০ সালে প্রণীত আইনটির মেয়াদ সর্বশেষ তিন বছর বাড়িয়ে ২০২১ সাল পর্যন্ত করা হয়েছিল। সেই মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর সংসদের সম্মতি নেওয়ার জন্য বিল তোলা হল।

তাৎক্ষণিক পরিকল্পনায় তিন বছর, পাঁচ বছর ও ১৬ বছর মেয়াদী এসব রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্রুত বেড়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল হয়েছে বলে সরকারের ভাষ্য।

 

তবে এসব কেন্দ্র থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনতে সরকারকে অনেক টাকা ভর্তুকি দিতে হয়, যা আসে করদাতাদের পকেট থেকে। ফলে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে।

এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ২০২৪ সালের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে গত মার্চে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্থাপিত মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল।

বিদ্যমান আইনে ক্রয় প্রক্রিয়ার প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে বিশেষ বিধানে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশেষ কমিটির মাধ্যমে আলোচনা করে চুক্তি সম্পাদনের সুযোগ রয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইনের মেয়াদ বাড়ানোর পর ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ‘স্ট্যান্ডবাই’ হিসেবে রাখা হবে। তবে মেয়াদ বাড়ার পর এই বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে কীভাবে বিদ্যুৎ কেনা হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ অবশ্য বলেছেন, এই কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ কিনলে টাকা দেওয়া হবে, না কিনলে দেওয়া হবে না, এভাবেই চলবে।

বিলটি সংশোধনের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সংসদে বলেন, “…নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা-২০০৮ অনুযায়ী নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস হতে দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ১০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার লক্ষ্যে এ খাতে দ্রুত অধিক সংখ্যক প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন।

“টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্য আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখা অপরিহার্য।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ