ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোচিংয়ে না পড়লে ফেল করিয়ে দেওয়া অনৈতিক: শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২২ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কোচিংয়ে না পড়লে ফেল করিয়ে দেওয়া খুবই অনৈতিক ও অপরাধমূলক কাজ বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোচিংয়ের সমস্যা হলো একজন শিক্ষক ক্লাসে পড়িয়ে শিক্ষার্থীদের আবার তার কাছে কোচিংয়ে যেতে বাধ্য করেন। কোচিংয়ে না পড়লে শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্য করেন।

কোচিংয়ের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘কোচিং দরকার হতেই পারে। অনেক শিক্ষার্থী ঠিকমতো বাড়িতে পড়তে পারে না বা কোনো বিষয়ের জন্য একটু বেশি সময় দিতে হয়। আমাদের ক্লাস সাইজগুলোও বেশি যার কারণে শ্রেণিকক্ষে সকল শিক্ষার্থীর দিকে সমান নজর দেওয়া সম্ভব হয় না। আমরা চেষ্টা করছি একটি শ্রেণিকক্ষে সর্বোচ্চ ৩০-৩৫ শিক্ষার্থী বসিয়ে ক্লাস করানোর। অনেক কারণেই কোচিংয়ের দরকার হতে পারে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাংস্কৃতিক সম্পাদকের অসীম কুমার উকিল এমপি, বেগম আইভি রহমান পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান খোকা, সদস্য মুহাম্মদ রোকন উদ্দিন পাঠান প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

কোচিংয়ে না পড়লে ফেল করিয়ে দেওয়া অনৈতিক: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:২৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২২

কোচিংয়ে না পড়লে ফেল করিয়ে দেওয়া খুবই অনৈতিক ও অপরাধমূলক কাজ বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোচিংয়ের সমস্যা হলো একজন শিক্ষক ক্লাসে পড়িয়ে শিক্ষার্থীদের আবার তার কাছে কোচিংয়ে যেতে বাধ্য করেন। কোচিংয়ে না পড়লে শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্য করেন।

কোচিংয়ের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘কোচিং দরকার হতেই পারে। অনেক শিক্ষার্থী ঠিকমতো বাড়িতে পড়তে পারে না বা কোনো বিষয়ের জন্য একটু বেশি সময় দিতে হয়। আমাদের ক্লাস সাইজগুলোও বেশি যার কারণে শ্রেণিকক্ষে সকল শিক্ষার্থীর দিকে সমান নজর দেওয়া সম্ভব হয় না। আমরা চেষ্টা করছি একটি শ্রেণিকক্ষে সর্বোচ্চ ৩০-৩৫ শিক্ষার্থী বসিয়ে ক্লাস করানোর। অনেক কারণেই কোচিংয়ের দরকার হতে পারে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাংস্কৃতিক সম্পাদকের অসীম কুমার উকিল এমপি, বেগম আইভি রহমান পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান খোকা, সদস্য মুহাম্মদ রোকন উদ্দিন পাঠান প্রমুখ।