মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের সব জায়গায় কাল থেকে সতর্ক পাহারায় থাকবে আ. লীগ: সেতুমন্ত্রী রাজধানীর নতুন যে জায়গায় সমাবেশের অনুমতি চেয়েছে বিএনপি হলো না ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ভোট চুরি করলে জনগণ ছেড়ে দেয় না : প্রধানমন্ত্রী রাস্তায় পেতে রাখা বোমার বিস্ফোরণে ৭ জন নিহত বিধ্বস্ত পাওয়ার গ্রিড পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে ইউক্রেন পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড ছাত্রলীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জরুরি ভিত্তিতে কর্মী নেবে রাশিয়া, লাগবে না ভাড়া বাংলাদেশ বিনিয়োগের সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা- প্রধানমন্ত্রী নতুন বছরের ‘শুরুতেই’ দ্বিতীয় মেয়াদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বাইডেন গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন ৪ জানুয়ারি ব্রাজিলের জয় নিয়ে যা বললেন বুবলী অসুস্থ পেলেকে জয় উৎসর্গ করলেন নেইমাররা ফেরি চলাচল ব্যাহত দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে

ক্রুজ মেরে ইউক্রেনের প্রধান তেল সংরক্ষণাগার উড়িয়ে দিলো রুশ বাহিনী

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : মার্চ ২৬, ২০২২
ক্রুজ মেরে ইউক্রেনের প্রধান তেল সংরক্ষণাগার উড়িয়ে দিলো রুশ বাহিনী

ইউক্রেনে অভিযানরত রুশ বাহিনী দেশটির বৃহত্তম জ্বালানি তেলের ডিপো ধ্বংস করেছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনাশেনকভ।

কোনাশেনকভ বলেন, ২৪ মার্চ রাতে ইউক্রেনের বৃহত্তম জ্বালানি তেলের ডিপো ধ্বংস করেছে রুশ সেনারা। রাজধানী কিয়েভের সংলগ্ন গ্রাম ক্যালিনোভকায় ছিল এই ডিপোর অবস্থান।

বিবিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমুদ্রভিত্তিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ক্যালিব্রি হাই প্রিসিশন মিসাইল ব্যবহার করে ডিপোটি ধ্বংস করা হয়েছে। এখান থেকেই সেনাবাহিনী ও ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলে জ্বালানি তেল সরবরাহ করত দেশটির সরকার।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই দাবি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কিয়েভের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন, তবে কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে সম্মত হননি।

পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোকে কেন্দ্র করে ২০০৮ সাল থেকে দ্বন্দ্ব চলছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে। ওই বছরই ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছিল ইউক্রেন। সম্প্রতি ন্যাটো ইউক্রেনকে পূর্ণ সদস্যপদ না দিলেও ‘সহযোগী সদস্য’ মনোনীত করার পর আরও বাড়ে এই দ্বন্দ্ব।

ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন প্রত্যাহারে ইউক্রেনকে চাপে রাখতে গত দুই মাস রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে প্রায় দুই লাখ সেনা মোতায়েন রেখেছিল মস্কো।

অবশেষে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দুই ভূখণ্ড দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় রাশিয়া; এবং তার দু’দিন পর, ২৪ তারিখ ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরুর নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ