ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ক্রুজ মেরে ইউক্রেনের প্রধান তেল সংরক্ষণাগার উড়িয়ে দিলো রুশ বাহিনী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ মার্চ ২০২২ ৯৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইউক্রেনে অভিযানরত রুশ বাহিনী দেশটির বৃহত্তম জ্বালানি তেলের ডিপো ধ্বংস করেছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনাশেনকভ।

কোনাশেনকভ বলেন, ২৪ মার্চ রাতে ইউক্রেনের বৃহত্তম জ্বালানি তেলের ডিপো ধ্বংস করেছে রুশ সেনারা। রাজধানী কিয়েভের সংলগ্ন গ্রাম ক্যালিনোভকায় ছিল এই ডিপোর অবস্থান।

বিবিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমুদ্রভিত্তিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ক্যালিব্রি হাই প্রিসিশন মিসাইল ব্যবহার করে ডিপোটি ধ্বংস করা হয়েছে। এখান থেকেই সেনাবাহিনী ও ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলে জ্বালানি তেল সরবরাহ করত দেশটির সরকার।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই দাবি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কিয়েভের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন, তবে কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে সম্মত হননি।

পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোকে কেন্দ্র করে ২০০৮ সাল থেকে দ্বন্দ্ব চলছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে। ওই বছরই ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছিল ইউক্রেন। সম্প্রতি ন্যাটো ইউক্রেনকে পূর্ণ সদস্যপদ না দিলেও ‘সহযোগী সদস্য’ মনোনীত করার পর আরও বাড়ে এই দ্বন্দ্ব।

ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন প্রত্যাহারে ইউক্রেনকে চাপে রাখতে গত দুই মাস রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে প্রায় দুই লাখ সেনা মোতায়েন রেখেছিল মস্কো।

অবশেষে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দুই ভূখণ্ড দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় রাশিয়া; এবং তার দু’দিন পর, ২৪ তারিখ ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরুর নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ক্রুজ মেরে ইউক্রেনের প্রধান তেল সংরক্ষণাগার উড়িয়ে দিলো রুশ বাহিনী

আপডেট সময় : ১১:৫৮:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ মার্চ ২০২২

ইউক্রেনে অভিযানরত রুশ বাহিনী দেশটির বৃহত্তম জ্বালানি তেলের ডিপো ধ্বংস করেছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনাশেনকভ।

কোনাশেনকভ বলেন, ২৪ মার্চ রাতে ইউক্রেনের বৃহত্তম জ্বালানি তেলের ডিপো ধ্বংস করেছে রুশ সেনারা। রাজধানী কিয়েভের সংলগ্ন গ্রাম ক্যালিনোভকায় ছিল এই ডিপোর অবস্থান।

বিবিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমুদ্রভিত্তিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ক্যালিব্রি হাই প্রিসিশন মিসাইল ব্যবহার করে ডিপোটি ধ্বংস করা হয়েছে। এখান থেকেই সেনাবাহিনী ও ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলে জ্বালানি তেল সরবরাহ করত দেশটির সরকার।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই দাবি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কিয়েভের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন, তবে কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে সম্মত হননি।

পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোকে কেন্দ্র করে ২০০৮ সাল থেকে দ্বন্দ্ব চলছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে। ওই বছরই ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছিল ইউক্রেন। সম্প্রতি ন্যাটো ইউক্রেনকে পূর্ণ সদস্যপদ না দিলেও ‘সহযোগী সদস্য’ মনোনীত করার পর আরও বাড়ে এই দ্বন্দ্ব।

ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন প্রত্যাহারে ইউক্রেনকে চাপে রাখতে গত দুই মাস রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে প্রায় দুই লাখ সেনা মোতায়েন রেখেছিল মস্কো।

অবশেষে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দুই ভূখণ্ড দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় রাশিয়া; এবং তার দু’দিন পর, ২৪ তারিখ ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরুর নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।