ক্রেতাশূন্য দেশের পুঁজিবাজার !
- আপডেট সময় : ০৪:০০:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩ ১৭ বার পড়া হয়েছে
নতুন করে ৩৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে ‘ফ্লোর প্রাইস’ বেঁধে দেওয়ায় দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেনের গতি আরো কমেছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসই’র ১৯৮টি প্রতিষ্ঠানের ক্রয়াদেশের ঘর শূন্য হয়ে পড়েছে। তাই বাজারের স্বাভাবিক গতি ফেরাতে শেয়ারের সর্বনিম্ন দাম বা ‘ফ্লোর প্রাইস’ তুলে দেবার দাবি করেছেন অর্থনীতিবিদরা। তবে এ মুহূর্তে ‘ফ্লোর প্রাইস’ তুলে দিলে মার্জিন ঋণের ফোর্স সেলের শঙ্কা জানান, ডিএসই’র সাবেক কর্মকর্তারা।
গত তিন সপ্তাহ ধরেই দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন দু’শো থেকে চারশো কোটি টাকার মধ্যে আটকে আছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ডিএসই’র প্রধান মূল্য সূচক ১ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ২১ এ। লেনদেন হয়েছে ৪২৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৪৫২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সেই হিসেবে লেনদেন কমেছে ২৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।
নতুন করে আরো ৩৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের সর্বনিম্ন দামের সীমা বেঁধে দেওয়ায় ডিএসইতে লেনদেন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। ১৩৯টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন আগে থেকেই ফ্লোর প্রাইসে আটকে আছে। ফলে ১৯৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ার তালিকায়। পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘ফ্লোর প্রাইস’ তুলে দেবার বিকল্প নেই বলে মনে করেন, অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ।
তবে এ মুহূর্তে ফ্লোর প্রাইস তুলে দিলে মার্জিন ঋণের ফোর্স সেলের চাপ পড়বে বলে জানান, ডিএসই’র সাবেক কর্মর্কতা আহমেদ রশীদ লালী। প্রায় ক্রেতাশূন্য পুঁজিবাজারকে চাঙ্গা করতে নিয়ন্ত্রণ সংস্থাকে দ্রুত সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেবার পরামর্শ দিয়েছেন, এই দুই বাজার বিশ্লেষক।

























