সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গণহত্যার বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মেয়েরা রাজাকার বলে স্লোগান দেয়, কোন দেশে বাস করছি: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ভেসে যাবে সরকার: রিজভী ১২ দলীয় জোটে যোগ দিলো বিকল্পধারাসহ নতুন ২ দল ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত সিরাজগঞ্জের তাঁত শিল্প আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে শক্ত হাতে মোকাবিলা হবে: ডিএমপি এবার প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন কোটা আন্দোলন : এবার রাজপথে মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী ও তার স্ত্রীর হিসাব স্থগিত বছরে প্রায় ৩০ কোটি টাকার কৃত্রিম ফুল আমদানি জলাবদ্ধতা রাজধানী নিয়ে উদ্বিগ্ন নগরবাসী নানা পরিস্থিতি বিবেচনায় রপ্তানি আয়ে ধীরগতি সম্মেলনে যোগ দিতে মিলওয়াকিতে পৌঁছেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১৪১ ফিলিস্তিনি

গুঁড়িয়ে দেয়া হচ্ছে ভারতের নয়ডার টুইন টাওয়ার

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : আগস্ট ২৮, ২০২২
গুঁড়িয়ে দেয়া হচ্ছে ভারতের নয়ডার টুইন টাওয়ার

গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে ভারতের নয়ডার সুপারটেকের টুইন টাওয়ার। রোববার (২৮শে আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটায় বিস্ফোরকের সাহায্যে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বিতর্কিত বহুতল এই ভবন দুটি। যার কারণে নির্মাণকারী সংস্থা সুপারটেকের ক্ষতি হবে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা।

নয়ডার এই বিতর্কিত বহুতল ভবন দুটির নাম অ্যাপেক্স এবং সিয়ানে। এগুলোর মধ্যে একটির উচ্চতা ১০৩ মিটার। দ্বিতীয়টির উচ্চতা ৯৭ মিটার। বহুতল এই ভবনগুলো গুঁড়িয়ে দিতে হরিয়ানা থেকে ডিনামাইটসহ ৩ হাজার ৭০০ কেজি বিস্ফোরক আনা হয়েছে। এই কাজে খরচ হচ্ছে ২০ কোটি টাকা।

২০০৪ সালে নয়ডায় সুপারটেক এমারেল্ড কোর্ট নামে একটি হাউজিং সোসাইটি তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এজন্য নয়ডা অথোরিটি সেক্টর ৯৩-এর চার নম্বর প্লটে ৪৮ হাজার ২৬৩ বর্গ মিটার জায়গা বরাদ্দ করে। ২০০৫ সালে নয়ডা অথোরিটি এমারেল্ড কোর্ট নামে এই হাউজিং সোসাইটিতে ১৪টি টাওয়ার বা বহুতল ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেয়। অনুমোদন অনুযায়ী, ভবনগুলো ১০ তলা হওয়ার কথা ছিল। সেই হিসাবেই ১৪টি টাওয়ার নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

পরে ২০০৬ সালের জুন মাসে সুপারটেককে লিজ দেওয়া জমির পরিমাণ বাড়িয়ে ৫৪ হাজার ৮১৯.৫১ বর্গ মিটার করা হয়। ওই বছরের ডিসেম্বরে ভবনগুলো ১০ তলার পরিবর্তে ১২ তলা করার অনুমতি দেয় নয়ডা কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও ওই আবাসন প্রকল্পে অতিরিক্ত দুটি টাওয়ার এবং একটি শপিং মল নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়।

২০১২ সালে নয়ডা কর্তৃপক্ষ নতুন নির্মাণ নকশা খতিয়ে দেখেন। সেই নকশা অনুযায়ী নতুন দুটি টাওয়ার চল্লিশ তলার হবে।

২০২১ সালের আগস্ট মাসে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট দুটি ভবনের মধ্যে ন্যূনতম জায়গা ছাড় না রাখার অভিযোগে টুইন টাওয়ার ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশ আবাসন আইন অনুসারে ফ্ল্যাট মালিকদের সম্মতি ছাড়াই বেআইনিভাবে ভবন দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এই বেআইনি কাজের জন্য নয়ডা কর্তৃপক্ষ এবং সুপারটেকের মধ্যে আঁতাত তৈরি হয় বলেও রায়ে মন্তব্য করেন আদালত।

পরে ভবন দুটির ফ্ল্যাট মালিকদের অনেকেই আদালতের দ্বারস্থ হন। প্রথমে ঠিক করা হয়েছিল, ২০২২ সালের মে মাসে ভবন দুটি ভেঙে ফেলা হবে। পরে সুপ্রিম কোর্ট ২৮শে আগস্ট পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেন। কিন্তু টেকনিক্যাল জটিলতা এবং আবহাওয়ার প্রতিকূলতার কথা মাথায় রেখে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, বহুতল ভবন দুটি ভাঙার যাবতীয় খরচ নির্মাণকারী সংস্থা সুপারটেককেই বহন করতে হবে।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ