গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবে পোশাক শিল্পে সংকট
- আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
গ্যাস সংকটের সঙ্গে এবার যোগ হয়েছে দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিং। এতে তৈরি পোশাক কারখানায় উৎপাদন আরও কমে গেছে। রপ্তানি আদেশ কমে যাওয়া, শিপমেন্ট স্থগিত হওয়ায় গতমাসে কমেছে রপ্তানি আয়। আগামী মাসেও রপ্তানি আয় কমবে। এতে ছোট ও মাঝারি ধরনের কারখানা বন্ধ হওয়ার আশংকা করছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে কারখানাগুলোতে নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি সংশ্লিষ্টদের।
করোনা অতিমারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতিতে মন্দা চলছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও। সঙ্গে বিষফোঁড়া হয়ে দেখা দেয় মার্কিন ডলারের সংকট। ভাটা পড়েছে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনেও। প্রতিদিনের কর্মঘন্টার ৫ থেকে ৬ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ পাচ্ছে না শিল্প কারখানাগুলো। এমন বহুমুখী সংকটে রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক কারখানায় উৎপাদন কমেছে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় কমেছে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে ডিজেল ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়ও। এতে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে সময় মতো পণ্য পৌঁছে দিতে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। রপ্তানি আয় বাড়াতে শিল্প কারখানাগুলোতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান ব্যবসায়ী নেতারা।
দেশে মার্কিন ডলারের মজুদ শক্তিশালী করতে রপ্তানি আয় বাড়ানোর বিষয়ে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। কারখানাগুলোতে নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারলে আগামীতে বড় ধরনের লোকসান গুণতে হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
* বিদ্যুতের অভাবে কর্মঘণ্টা কমেছে ৫-৬ ঘণ্টা
* গ্যাসের সরবরাহ কমেছে ৭-৮%
* উৎপাদন কমেছে ৩০-৫০%
* উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৫০-৬০%
* রপ্তানি আদেশ কমেছে ২০-৩০%
* সেপ্টেম্বরে রপ্তানি কমেছে ৬.২৫%




















