শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কার : শিক্ষার্থীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে: ওবায়দুল কাদের দেশে বদলে যাচ্ছে বন্যার ধরন গণতন্ত্রের জন্যও শিক্ষার্থীদের লড়াই করার আহ্বান আমির খসরুর সরকার পতনের আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: মান্না কোটা সংস্কারের নামে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত স্বাধীনতাবিরোধীরা: আইনমন্ত্রী বাজারে সব পণ্যেই হাকিয়েছে সেঞ্চুরি নয়াদিল্লিতে বিমসটেক রিট্রিটে যোগ দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী গাজায় এখন যুদ্ধ শেষ করায় সময়: বাইডেন নেপালে ভূমি ধসে নদীতে ভেসে গেল বাস, নিখোঁজ ৬৩ শ্রীলঙ্কা দলের নেতৃত্ব ছাড়লেন হাসারাঙ্গা সিরাজগঞ্জে আবারও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি শিশুদের পুরো প্রজন্ম হারানোর দ্বারপ্রান্তে গাজা : জাতিসংঘ বিতর্কিত পেনাল্টি নিয়ে মুখ খুললেন কেইন

চকবাজারে আগুন, ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : আগস্ট ১৫, ২০২২
চকবাজারে আগুন, ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর চকবাজারের দেবীদাস লেনে প্লাস্টিক কারখানা ও গোডাউনে আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে আগুন নেভানোর পর গোডাউনের ভেতর থেকে ওই ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অগ্নিদগ্ধ ছয়জনের মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড হাসপাতাল) মর্গে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

নিহত ছয়জনের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- মো. শরিফ (১৫), মো. বিল্লাল (৩৫), মো. স্বপন (২২), মো. ওসমান (২৫)।

এর আগে চকবাজারে প্লাস্টিকের গোডাউনে লাগা আগুন প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট। সোমবার (১৫ই আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয়রা জানান, চকবাজারের কামালবাগের দেবীদ্বার ঘাটের একটি হোটেলের রান্না ঘর থেকে আগুন প্লাস্টিকের গোডাউনে ছড়িয়ে যায়। খবর পেয়ে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ও পরে আরও চারটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার খালিদা ইয়াসমিন জানান, দুপুর ২টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন লাগা কারখানার ভবনসহ আশপাশের সব ভবনই ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। দুপুর আড়াইটার দিকে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশনস অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান।

তিনি বলেন, আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে এসে দেখি আশপাশের অনেক ভবনেই যত্রতত্র এ রকম বিভিন্ন ধরনের কারখানা গড়ে উঠেছে, যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। একদিকে ঘিঞ্জি এলাকা অন্যদিকে এসব কারখানায় যখন-তখন যেকোনো ঘটনা ঘটে যেতে পারে। পাশাপাশি অনেক ভবনে মানুষ বাসও করছেন। তাদের জন্যই ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ