ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাল, তেল, চিনি ও খেজুরে শুল্ক ও কর কমালো সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আসন্ন রমজান উপলক্ষে চার পণ্যে শুল্ক ও কর কমিয়েছে সরকার। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে চাল, চিনি, তেল ও খেজুরে ভ্যাট ও শুল্ক কমিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম সই করা পৃথক চারটি আদেশে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, চাল আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক ও কর মিলিয়ে ৪৭.২৫ শতাংশ কমানো হয়েছে। বিদ্যমান শুল্ক ও কর ৬২.৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫.২৫ শতাংশ করা হয়েছে। এর মধ্যে সম্পূরক শুল্ক কমানো হয়েছে ২০ শতাংশ। যা বয়েল ও নন-বয়েল চাল আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে রেয়াতি হারে চাল আমদানির পূর্বে প্রত্যেক চালানের জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ন্যূনতম যুগ্মসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা থেকে লিখিত অনুমোদন নিতে হবে। এই সুবিধা আগামী ১৫ মে পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

খেজুর আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক ও কর ৫৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৩ শতাংশ করা হয়েছে। যার মধ্যে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এটি আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ও পাম অয়েলের ওপর প্রযোজ্য কর (ভ্যাট) ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। যা আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

চিনির ক্ষেত্রে প্রতি মেট্রিক টনে শুল্ক দেড় হাজার টাকা থেকে কমিয়ে এক হাজার টাকা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এই সুবিধা ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

আহসানুল ইসলাম টিটু জানান, বাজারে নিত্যপণ্যের বাড়তি জোগান আর দ্রব্যমূল্য নাগালের মধ্যে রাখতে বাড়তি নজরদারি করা হচ্ছে। শুল্ক কমানোর মাধ্যমে এসব পণ্যে নির্ধারিত দামের চেয়ে কমে পাওয়া যাবে বলে আশা করছি। সাধারণ ভোক্তাদের কাছে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, কৃষি, খাদ্য, মৎস্য বাণিজ্য- এসব মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাজ চলছে। তাতে উৎপাদন, জোগান আর ভোক্তার কাছে পৌঁছানোর পুরো বিষয় তদারকি করা হবে। যাতে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য পাওয়া যায়। এসব ক্ষেত্রে দরকার হলে আইনি পদক্ষেপও নেয়া হবে। প্রয়োজনে খাদ্যের জন্য জরুরি আইন প্রয়োগ করা হবে।ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রিতে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রত্যাশা করি আমরা।

গত ২৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে রমজান উপলক্ষে ভোজ্যতেল, চিনি, খেজুর ও চালের ওপর শুল্ক কমানোর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, রমজানে যাতে এসব পণ্যের সরবরাহ কম না হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

চাল, তেল, চিনি ও খেজুরে শুল্ক ও কর কমালো সরকার

আপডেট সময় : ০৪:০৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আসন্ন রমজান উপলক্ষে চার পণ্যে শুল্ক ও কর কমিয়েছে সরকার। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে চাল, চিনি, তেল ও খেজুরে ভ্যাট ও শুল্ক কমিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম সই করা পৃথক চারটি আদেশে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, চাল আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক ও কর মিলিয়ে ৪৭.২৫ শতাংশ কমানো হয়েছে। বিদ্যমান শুল্ক ও কর ৬২.৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫.২৫ শতাংশ করা হয়েছে। এর মধ্যে সম্পূরক শুল্ক কমানো হয়েছে ২০ শতাংশ। যা বয়েল ও নন-বয়েল চাল আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে রেয়াতি হারে চাল আমদানির পূর্বে প্রত্যেক চালানের জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ন্যূনতম যুগ্মসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা থেকে লিখিত অনুমোদন নিতে হবে। এই সুবিধা আগামী ১৫ মে পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

খেজুর আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক ও কর ৫৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৩ শতাংশ করা হয়েছে। যার মধ্যে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এটি আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ও পাম অয়েলের ওপর প্রযোজ্য কর (ভ্যাট) ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। যা আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

চিনির ক্ষেত্রে প্রতি মেট্রিক টনে শুল্ক দেড় হাজার টাকা থেকে কমিয়ে এক হাজার টাকা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এই সুবিধা ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

আহসানুল ইসলাম টিটু জানান, বাজারে নিত্যপণ্যের বাড়তি জোগান আর দ্রব্যমূল্য নাগালের মধ্যে রাখতে বাড়তি নজরদারি করা হচ্ছে। শুল্ক কমানোর মাধ্যমে এসব পণ্যে নির্ধারিত দামের চেয়ে কমে পাওয়া যাবে বলে আশা করছি। সাধারণ ভোক্তাদের কাছে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, কৃষি, খাদ্য, মৎস্য বাণিজ্য- এসব মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাজ চলছে। তাতে উৎপাদন, জোগান আর ভোক্তার কাছে পৌঁছানোর পুরো বিষয় তদারকি করা হবে। যাতে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য পাওয়া যায়। এসব ক্ষেত্রে দরকার হলে আইনি পদক্ষেপও নেয়া হবে। প্রয়োজনে খাদ্যের জন্য জরুরি আইন প্রয়োগ করা হবে।ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রিতে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রত্যাশা করি আমরা।

গত ২৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে রমজান উপলক্ষে ভোজ্যতেল, চিনি, খেজুর ও চালের ওপর শুল্ক কমানোর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, রমজানে যাতে এসব পণ্যের সরবরাহ কম না হয়।