বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
খাবারে বিষক্রিয়ায় ইরানে অসুস্থ ১২০০ পল্টনের বিএনপি অফিস খুলে দেয়ার দাবি ফখরুলের ৩ দিনের সফরে সৌদিতে চীনা প্রেসিডেন্ট বিএনপি দেশে আগুনসন্ত্রাস শুরু করেছে : ওবায়দুল কাদের খেলা বন্ধ করেন, নয়তো পরিস্থিতি কারো নিয়ন্ত্রণে থাকবে না : কর্ণেল অলি নাশকতার মামলায় হাজিরা দিলেন মির্জা ফখরুলসহ পাঁচ নেতা চট্টগ্রামে পরিবহন ধর্মঘট, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ পেরুর নতুন প্রেসিডেন্ট দিনা বলুআর্তে বিশ্বে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ১১৭৪ জনের মৃত্যু মস্কো আগ বাড়িয়ে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করবে না : পুতিন আফগানিস্তানে প্রকাশ্যে ‘জঘণ্য’ মৃত্যুদন্ড কার্যকরের নিন্দা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরই পেরুর প্রেসিডেন্ট আটক মেসিকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন ডাচ কোচ ফন হাল ম্যানইউর ১১ ফুটবলার খেলছেন বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইনজুরির গুঞ্জন উড়িয়ে যা বললেন ডি পল

জাতিসংঘে ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : মার্চ ২৬, ২০২২
জাতিসংঘে ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান

‘বাংলাদেশে সংঘটিত ১৯৭১ সালের গণহত্যার ঘটনা অত্যন্ত ভালোভাবেই নথিভুক্ত করা আছে। তবু এখন পর্যন্ত জাতিসংঘে স্বীকৃতি লাভ করেনি। আমরা বিশ্বাস করি, গণহত্যা প্রতিরোধে জাতিসংঘের পদক্ষেপ অসম্পূর্ণই থেকে যাবে; যদি আমাদের দেশে সংঘটিত গণহত্যার মতো ঘটনা অস্বীকৃত থেকে যায়।’

শনিবার (২৬ মার্চ) গণহত্যা প্রতিরোধ; অতীত ট্র্যাজেডির স্বীকৃতি ও ক্ষতিগ্রস্তদের মর্যাদা পুনরুদ্ধার’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সেমিনারে এসব কথা বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। জাতীয় গণহত্যা দিবস-২০২২’ পালনের অংশ হিসেবে এ সেমিনার আয়োজন করে বাংলাদেশ মিশন।

সেমিনারটির মূল বক্তা ছিলেন কর্ণেল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর জন হাবেল ওয়েইস। জাতিসংঘে নিযুক্ত বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সোভেন আলকালাজ, কম্বোডিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সোভানকি এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বাউল এতে প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া ইভেন্টটিতে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘ মহাসচিবের গণহত্যা প্রতিরোধ বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মিজ্ অ্যালিস ওয়াইরিমু এনদেরিতু। আলোচনা পর্বটির সঞ্চালক ছিলেন রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। স্বাগত বক্তব্যে তিনি ১৯৭১ সালের গণহত্যার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ, ২ লাখ নির্যাতিত মা-বোন এবং ১ কোটি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করার ইতিহাস উল্লেখ করে রাবাবা ফাতিমা বলেন, ‘এর সূচনা হয়েছিল ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ‘অপারেশন সার্চলাইটের’ মাধ্যমে। ওই দিন গণহত্যা, যার উদ্দেশ্য ছিল আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে চিরতরে চূর্ণ-বিচূর্ণ করা। কিন্তু হানাদার বাহিনীর সে উদ্দেশ্য পূর্ণ হয়নি। এর বদলে জাতির পিতার উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাঙালি জাতি। যার পরিসমাপ্তি ঘটেছিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্মের মধ্য দিয়ে।’

আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল এনদেরিতু বলেন, গণহত্যা ও নৃশংসতার অপরাধ সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। বাংলাদেশ নিজের ইতিহাস থেকে এই গুরুতর লঙ্ঘনের স্থায়ী ক্ষত সম্পর্কে জানে। তিনি গণহত্যা প্রতিরোধে আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা জোরদার ও ঘৃণামূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ওপর জোর দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ