ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাপা মহাসচিব হলেন মুজিবুল হক চুন্নু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অক্টোবর ২০২১ ২০৬ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: দলের কো-চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নুকে জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব নিয়োগ দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

শনিবার বিকেলে  জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১ (১)ক উপধারার ক্ষমতাবলে চুন্নুকে মহাসচিব পদে নিয়োগ দেন। ওই নিয়োগ আদশে ৯ অক্টোবর শনিবার থেকেই কার্যকর হবে বলে আদেশে বলা হয়।

২ অক্টোবর জাপার মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর মৃত্যুতে মহাসচিবের পদ শূন্য হয়। এর পরপরই মহাসচিবের পদ নিয়ে জ্যেষ্ঠ নেতারা নানামুখী তৎপরতা চালান।

জাপার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের এক সাংগঠনিক আদেশে দলের কো-চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নুকে পার্টির মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছেন।

দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের মহাসচিব পদে দলের তরুণ সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে নিয়োগ দিতে চাইলে জ্যেষ্ঠ নেতারা এর বিপক্ষে অবস্থান নেন। পরে জাপার চেয়ারম্যান তার অবস্থান থেকে সরে আসেন।

সূত্র জানায়, মহাসচিব পদের জন্য মুজিবুল হক চুন্নু ছাড়াও দলের সাবেক দুই মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার ও মসিউর রহমান রাঙ্গা এবং ঢাকার সাংসদ সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, অতিরিক্ত মহাসচিব সাইদুর রহমান টেপা ও শামীম হায়দার পাটোয়ারী, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম মসী মহাসচিব হওয়ার জন্য আগ্রহ দেখান।

কিন্তু কেউ সরাসরি নিজের আগ্রহের কথা না বলে নানাভাবে চেষ্টা-তৎপরতা চালান। শেষ পর্যন্ত মুজিবুল হককেই বেছে নিলেন জি এম কাদের।

প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মুজিবুল হক বলেন, ‘পার্টির চেয়ারম্যান গঠনতন্ত্রের ক্ষমতাবলে আমাকে মহাসচিব পদে নিযুক্ত করেছেন। তিনি আমার ওপর যে আস্থা রেখেছেন, আমি তার মর্যাদা রাখব। আমার লক্ষ্য হবে দলকে শক্তিশালী করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়া এবং দলকে ক্ষমতায় নেওয়া।’

নিম্ব আদালনের বিচারক হিসেবে সরকারি চাকরি ছেড়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদের হাত ধরে রাজনীতিতে অভিষিক্ত মুজিবুল হক কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ।

তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। তিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জাপা মহাসচিব হলেন মুজিবুল হক চুন্নু

আপডেট সময় : ০১:৪০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অক্টোবর ২০২১

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: দলের কো-চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নুকে জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব নিয়োগ দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

শনিবার বিকেলে  জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১ (১)ক উপধারার ক্ষমতাবলে চুন্নুকে মহাসচিব পদে নিয়োগ দেন। ওই নিয়োগ আদশে ৯ অক্টোবর শনিবার থেকেই কার্যকর হবে বলে আদেশে বলা হয়।

২ অক্টোবর জাপার মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর মৃত্যুতে মহাসচিবের পদ শূন্য হয়। এর পরপরই মহাসচিবের পদ নিয়ে জ্যেষ্ঠ নেতারা নানামুখী তৎপরতা চালান।

জাপার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের এক সাংগঠনিক আদেশে দলের কো-চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নুকে পার্টির মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছেন।

দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের মহাসচিব পদে দলের তরুণ সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে নিয়োগ দিতে চাইলে জ্যেষ্ঠ নেতারা এর বিপক্ষে অবস্থান নেন। পরে জাপার চেয়ারম্যান তার অবস্থান থেকে সরে আসেন।

সূত্র জানায়, মহাসচিব পদের জন্য মুজিবুল হক চুন্নু ছাড়াও দলের সাবেক দুই মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার ও মসিউর রহমান রাঙ্গা এবং ঢাকার সাংসদ সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, অতিরিক্ত মহাসচিব সাইদুর রহমান টেপা ও শামীম হায়দার পাটোয়ারী, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম মসী মহাসচিব হওয়ার জন্য আগ্রহ দেখান।

কিন্তু কেউ সরাসরি নিজের আগ্রহের কথা না বলে নানাভাবে চেষ্টা-তৎপরতা চালান। শেষ পর্যন্ত মুজিবুল হককেই বেছে নিলেন জি এম কাদের।

প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মুজিবুল হক বলেন, ‘পার্টির চেয়ারম্যান গঠনতন্ত্রের ক্ষমতাবলে আমাকে মহাসচিব পদে নিযুক্ত করেছেন। তিনি আমার ওপর যে আস্থা রেখেছেন, আমি তার মর্যাদা রাখব। আমার লক্ষ্য হবে দলকে শক্তিশালী করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়া এবং দলকে ক্ষমতায় নেওয়া।’

নিম্ব আদালনের বিচারক হিসেবে সরকারি চাকরি ছেড়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদের হাত ধরে রাজনীতিতে অভিষিক্ত মুজিবুল হক কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ।

তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। তিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।