সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ছাত্রলীগের দখলে ঢাবি, অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত গণহত্যার বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মেয়েরা রাজাকার বলে স্লোগান দেয়, কোন দেশে বাস করছি: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ভেসে যাবে সরকার: রিজভী ১২ দলীয় জোটে যোগ দিলো বিকল্পধারাসহ নতুন ২ দল ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত সিরাজগঞ্জের তাঁত শিল্প আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে শক্ত হাতে মোকাবিলা হবে: ডিএমপি এবার প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন কোটা আন্দোলন : এবার রাজপথে মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী ও তার স্ত্রীর হিসাব স্থগিত বছরে প্রায় ৩০ কোটি টাকার কৃত্রিম ফুল আমদানি জলাবদ্ধতা রাজধানী নিয়ে উদ্বিগ্ন নগরবাসী নানা পরিস্থিতি বিবেচনায় রপ্তানি আয়ে ধীরগতি সম্মেলনে যোগ দিতে মিলওয়াকিতে পৌঁছেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

জ্বালানি তেলের দাম ৫ টাকা কমানোকে সমন্বয়হীনতা বলছে: ড. দেবপ্রিয়

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : আগস্ট ৩০, ২০২২
জ্বালানি তেলের দাম ৫ টাকা কমানোকে সমন্বয়হীনতা বলছে: ড. দেবপ্রিয়

জ্বালানি তেলের দাম ৪০ টাকা বাড়িয়ে ৫ টাকা কমানো সিদ্ধান্ত সমন্বয়হীনতার উৎকৃষ্ট উদাহরণ বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) এর সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম ‘ইআরএফ ডায়ালগ’ তিনি একথা বলেন।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, দ্রব্যমূল্যের দাম নির্ধারণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি দীর্ঘদিন ধরে কোনো বৈঠক করে না। কোনো একটা মন্ত্রণালয়ের একজন সচিবের সিদ্ধান্তে বাজারের দাম কমানো বা বাড়ানো হয়। এক্ষেত্রে কি পরিমাণ রাজস্ব আদায় হবে সে হিসাবে কি তাদের কাছে আছে।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘নিত্যপণ্যের বাজার একটা বদমাশই জায়গা। বাংলাদেশ চাপে আছে সংকটে নেই। যত্ন না নিলে শরীরের ক্ষতগুলো যেমন আরো মারাত্মক হয়ে যায়। তেমনি বাজারের ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে জনগণের দুর্ঘ গণতন্ত্র মানবাধিকার এগুলো উন্নয়নের অংশ। সবচেয়ে বড় প্রকল্প আদো কাজে আসবে কীনা তা আমরা জানি না।

গত এক দশক বা দেড় দশকে আমরা যে উন্নয়নের অভিযাত্রায় আছি এরমধ্যে আমাদের সাফল্যগুলোকে কীভাবে দেখবো? বাংলাদেশের পরবর্তী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সামাজিক দায়িত্ব কি? বৈশ্বিক যে পরিস্থিতি আসছে সামনে তা খুব দ্রুতই কেটে যাচ্ছে না, বাংলাদেশের মূল সমস্যা হল আর্থিক খাতের সমস্যা, সরকারের রাজস্ব আদায় কম সেহেতু খরচ করার সক্ষমতাও কম, প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানিতে ভর্তুকি দিতে পারছে না সরকার, বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসের মধ্যে প্রতিশ্রুতিশীল একটি দশক আমরা পার করে এসেছি তা সমালোচক হিসেবেও স্বীকার করতে হবে, আমরা নিম্ন আয়ের দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে গেছি এবং স্বল্পোন্নত দেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের ভৌত অবকাঠামোগত বেড়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে যথেষ্ট বিনিয়োগ হয়নি।

পেশাদার অর্থনীতিবিদের দুঃখের জায়গাটা হলো বিচ্যুতি রেখা, গেলা একদশকে মূলত রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ দ্বারা ধাবিত হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত বিনিয়োগ না হওয়ায় প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ ২ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠতে পারে নাই, যা কোনোভাবেই একটা নিম্নমধ্য আয়ের দেশের জন্য কাম্য হতে পারে না। রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ বেশি করলে ব্যক্তি বিনিয়োগকে কোনঠাসা করে ফেলে, বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ বাড়ার পরও ব্যক্তি বিনিয়োগ বাড়েনি, যা একটি বড় বিষয়।

আর্থিক খাতের দুর্বলতা কর আহরণ করার হার। দেশজ আয় বাড়লেও আয়ের ওপর কর এলো না কেন। আয় হয়েছে তারপরও কর আসলো না কেন? তাহলে কি আয় হয় নাই নাকি কর আদায় করা যাইনি। সরকার তার নিজের প্রয়োজন মত আমদানি করতে পারে না, টিসিবির পণ্য দিয়ে দেশের গরীব মানুষের প্রয়োজন মেটাতে পারছে না।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ