শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৩৬ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে মরক্কো ২৪ বছর পর গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় বেলজিয়ামের গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে সরকার বেসামাল হয়ে গেছে : রিজভী বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম নির্ধারণ করতে পারবে সরকার আমাদের ও আওয়ামী লীগের মাঝখানে আসবেন না: সালাম ইসলামি ব্যাংক থেকে মালিকপক্ষের ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ পোশাক রপ্তানিতে আবারো দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ ডেঙ্গুতে মৃত্যুহীন দিনে ৩৮০ জন হাসপাতালে ভর্তি আশার আলো দেখাচ্ছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের কথা না ভেবে সরকার বিদেশে অর্থ পাচার করছে: ড. কামাল ডিসেম্বরকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস ঘোষণার দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পুলিশ প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে যা জানালেন বিএনপি নেতারা ডিএমপির ছয় কর্মকর্তা বদলি শুরু হলো সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযান করোনা টিকাদানের বিশেষ কর্মসূচি শুরু

টানা ৩ জুমার নামাজ ত্যাগকারীদের যেভাবে সতর্ক করেছেন মহানবী (সা.)

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : নভেম্বর ১১, ২০২২
টানা ৩ জুমার নামাজ ত্যাগকারীদের যেভাবে সতর্ক করেছেন মহানবী (সা.)

পবিত্র মুসলিম শরিফের ৮৫৪ নং হাদিসে এসেছে, মহানবী (সা.) বলেন, যে দিনগুলোতে সূর্য উদিত হয়, ঐ দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। ঐ দিন আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা হয়েছে। ঐ দিন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং ঐ দিনই তাকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়। আর ঐ দিনই কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়াও জুমার দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। জুমার দিন জোহরের চার রাকাত নামাজের পরিবর্তে দুই রাকাত আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য। এদিনের সওয়াব-মর্যাদা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতো। মুসলমানদের কাছে এ দিন অপরিসীম ফজিলতের।

ইবনে মাজাহর ১০৯৮ নং হাদিসে নবী কারিম (সা.)বলেছেন, মুমিনের জন্য জুমার দিন হলো সাপ্তাহিক ঈদের দিন। জুমার দিনের অনেক আমলের কথা বিভিন্ন হাদিসে চমৎকারভাবে আলোচিত হয়েছে। তবে পবিত্র এই জুমার নামাজ যদি কেউ টানা তিন জুমা ত্যাগ করে তাদের জন্য রয়েছে সতর্কবার্তা।

রাসূল ( সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত পর পর তিন জুমা পরিত্যাগ করে, আল্লাহ তায়ালা তার অন্তরে মোহর এঁটে দেন। অর্থাৎ তার অন্তরে আর হেদায়েত প্রবেশ করবে না।

এই হাদিসটি সবগুলো গ্রন্থেই এসেছে। বুখারি শরীফের ১০৫২ নং, তিরমিজি শরীফের ৫০২ নং এবং মুসলিম শরীফের ১৯৯৯ নং হাদিস এটা।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি পর পর তিনটি জুমা পরিত্যাগ করবে, সে ইসলামকে পেছনের দিকে নিক্ষেপ করল। (মুসলিম)

তবে অপর এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, চার শ্রেণির লোক ব্যতীত জুমার নামাজ ত্যাগ করা কবিরা গোনাহ। চার শ্রেণির লোক হলো- ক্রীতদাস, স্ত্রীলোক, অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক, মুসাফির ও রোগাক্রান্ত ব্যক্তি। (আবু দাউদ)

এছাড়া নামাজ পড়া মুসলিমদের একটি নিদর্শন। তাই হজরত উমর (রা.) বলতেন, ‘নামাজ ত্যাগকারী নির্ঘাত কাফের’

হজরত আলি (রা.) বলেন, ‘যে নামাজ পড়ে না সে কাফের’ (বায়হাকি: ৬২৯১)। নামাজ পরিত্যাগকারীর ব্যাপারে কোরআন-সুন্নাহর দলিলগুলো প্রমাণ করে, বে-নামাজি ব্যক্তি ইসলাম নষ্টকারী বড় কুফরিতে লিপ্ত। তাই জুমা ও যে কোনো ওয়াক্তের ফরজ নামাজের প্রতি গুরুত্ব দেয়া জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ