ঢাকা ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সাত আসরের চ্যাম্পিয়ন ও সেরা ক্রিকেটাররা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০০:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অক্টোবর ২০২২ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাত বিশ্ব আসর পেরিয়ে এবার অষ্টম আসরে পা দেয়ার অপেক্ষায় বিশ্বকাপ। ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি থেকে নাম বদলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বিশ্ব ঘুরে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবার আয়োজনের অপেক্ষায়। ফিরে দেখা যাক আগের সাত আসরের দলগত আর ব্যক্তিগত সেরাদের।

সাত বিশ্বকাপের ছয় চ্যাম্পিয়ন। আয়োজকও ভিন্ন ভিন্ন আট দেশ। সবশেষ আসর যৌথভাবে আয়োজন করেছিলো ওমান ও আরব আমিরাত। যদিও স্বাগতিক ছিলো ভারত।

২০০৭-এ যখন বিশ্বকাপ শুরু হয় তখন মাত্র ১২ দেশ খেলেছিলো এই ফরম্যাটে। নাটকীয় আর উত্তেজনার ফাইনাল জিতে প্রথম শিরোপায় হাত মহেন্দ্র সিং ধোনির। ভারত চ্যাম্পিয়ন হলেও টুর্নামেন্ট সেরা পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদি। অলরাউন্ড নৈপুণ্য তাকে দিয়েছে সে স্বীকৃতি।

দু’বছর পর আফ্রিকা থেকে ইউরোপের প্রথম আর এখন পর্যন্ত একমাত্র বিশ্বকাপটি হয় ইংল্যান্ডে। প্রথম ফাইনাল হারের দুঃখ ভুলে পাকিস্তান নাম লেখায় চ্যাম্পিয়ন লিস্টে। প্রথম আসরের মত এখানেও মিল। ফাইনাল হারা শ্রীলঙ্কার তিলকারত্নে দিলশান প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট।

পরের বছরই আরেক বিশ্বকাপ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্যালিপসো সুরে মাতোয়ারা ইংল্যান্ড। আগের আসরের স্বাগতিকদের পরের আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ধারার শুরু ২০১০ থেকে। চ্যাম্পিয়ন দলের ক্রিকেটারদের টুর্নামেন্ট সেরা হবার দুই কীর্তির প্রথমটি সেবারই। কেভিন পিটারসেন পেছনে ফেলেন সবাইকে।

নিজ দেশে না পারলেও দু’বছর পর শ্রীলঙ্কায় গিয়ে প্রথমবারের মত বিশ্ব শ্রেষ্ঠত্ব দখলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শ্রীলঙ্কা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই ফাইনালিস্টের কেউ না হয়েও শেন ওয়াটসন সেরা। অবিশ্বাস্য অলরাউন্ড নৈপুণ্যে।

২০১৪। বাংলাদেশে এলো বিশ্বকাপ। এবার পালা শ্রীলঙ্কার। পরপর দু’আসরের ফাইনালিস্টও লঙ্কানরা। ঘরের মাঠে না পারলেও উপমহাদেশেই বিশ্বকাপ জিতে দেখিয়েছে সাঙ্গাকারা-জয়াবর্ধনে-দিলশান-মালিঙ্গারা। লঙ্কার এত রাজার ভিড়ে প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট বিরাট কোহলি।

ব্যাক টু ব্যাক দু’বার। ২০১৬ তেও ঘরের মাঠে কোহলির ফর্ম তাকে এনে দিয়েছে ব্যক্তিগত পুরস্কার। আর বাংলাদেশ ভেঙ্গেছে স্বাগতিক হবার পরের আসরে শ্রেষ্ঠত্ব জেতার রীতি। সেই জায়গা নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গড়েছে দু’ফরম্যাটে দুটি করে বিশ্ব শিরোপা জেতার অনন্য কীর্তি।

মাঝে পাঁচ বছরের বিরতি। ২০২০-এর আসর ২১-এ। ভারতের আসর ওমান আর আমিরাতে। কেন এতদিন শ্রেষ্ঠত্ব জেতে না অস্ট্রেলিয়া সেই রহস্যের অবসান। বিশ্বজয়ী ছয় দলের কাতারে উঠলো নাম। আর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করানোর কারিগর ডেভিড ওয়ার্নার।

নিউজটি শেয়ার করুন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সাত আসরের চ্যাম্পিয়ন ও সেরা ক্রিকেটাররা

আপডেট সময় : ১১:০০:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অক্টোবর ২০২২

সাত বিশ্ব আসর পেরিয়ে এবার অষ্টম আসরে পা দেয়ার অপেক্ষায় বিশ্বকাপ। ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি থেকে নাম বদলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বিশ্ব ঘুরে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবার আয়োজনের অপেক্ষায়। ফিরে দেখা যাক আগের সাত আসরের দলগত আর ব্যক্তিগত সেরাদের।

সাত বিশ্বকাপের ছয় চ্যাম্পিয়ন। আয়োজকও ভিন্ন ভিন্ন আট দেশ। সবশেষ আসর যৌথভাবে আয়োজন করেছিলো ওমান ও আরব আমিরাত। যদিও স্বাগতিক ছিলো ভারত।

২০০৭-এ যখন বিশ্বকাপ শুরু হয় তখন মাত্র ১২ দেশ খেলেছিলো এই ফরম্যাটে। নাটকীয় আর উত্তেজনার ফাইনাল জিতে প্রথম শিরোপায় হাত মহেন্দ্র সিং ধোনির। ভারত চ্যাম্পিয়ন হলেও টুর্নামেন্ট সেরা পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদি। অলরাউন্ড নৈপুণ্য তাকে দিয়েছে সে স্বীকৃতি।

দু’বছর পর আফ্রিকা থেকে ইউরোপের প্রথম আর এখন পর্যন্ত একমাত্র বিশ্বকাপটি হয় ইংল্যান্ডে। প্রথম ফাইনাল হারের দুঃখ ভুলে পাকিস্তান নাম লেখায় চ্যাম্পিয়ন লিস্টে। প্রথম আসরের মত এখানেও মিল। ফাইনাল হারা শ্রীলঙ্কার তিলকারত্নে দিলশান প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট।

পরের বছরই আরেক বিশ্বকাপ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্যালিপসো সুরে মাতোয়ারা ইংল্যান্ড। আগের আসরের স্বাগতিকদের পরের আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ধারার শুরু ২০১০ থেকে। চ্যাম্পিয়ন দলের ক্রিকেটারদের টুর্নামেন্ট সেরা হবার দুই কীর্তির প্রথমটি সেবারই। কেভিন পিটারসেন পেছনে ফেলেন সবাইকে।

নিজ দেশে না পারলেও দু’বছর পর শ্রীলঙ্কায় গিয়ে প্রথমবারের মত বিশ্ব শ্রেষ্ঠত্ব দখলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শ্রীলঙ্কা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই ফাইনালিস্টের কেউ না হয়েও শেন ওয়াটসন সেরা। অবিশ্বাস্য অলরাউন্ড নৈপুণ্যে।

২০১৪। বাংলাদেশে এলো বিশ্বকাপ। এবার পালা শ্রীলঙ্কার। পরপর দু’আসরের ফাইনালিস্টও লঙ্কানরা। ঘরের মাঠে না পারলেও উপমহাদেশেই বিশ্বকাপ জিতে দেখিয়েছে সাঙ্গাকারা-জয়াবর্ধনে-দিলশান-মালিঙ্গারা। লঙ্কার এত রাজার ভিড়ে প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট বিরাট কোহলি।

ব্যাক টু ব্যাক দু’বার। ২০১৬ তেও ঘরের মাঠে কোহলির ফর্ম তাকে এনে দিয়েছে ব্যক্তিগত পুরস্কার। আর বাংলাদেশ ভেঙ্গেছে স্বাগতিক হবার পরের আসরে শ্রেষ্ঠত্ব জেতার রীতি। সেই জায়গা নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গড়েছে দু’ফরম্যাটে দুটি করে বিশ্ব শিরোপা জেতার অনন্য কীর্তি।

মাঝে পাঁচ বছরের বিরতি। ২০২০-এর আসর ২১-এ। ভারতের আসর ওমান আর আমিরাতে। কেন এতদিন শ্রেষ্ঠত্ব জেতে না অস্ট্রেলিয়া সেই রহস্যের অবসান। বিশ্বজয়ী ছয় দলের কাতারে উঠলো নাম। আর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করানোর কারিগর ডেভিড ওয়ার্নার।