রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ১১:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আ.লীগ জনগণের কাঁধে চেপে বসেছে: জিএম কাদের হামাসের অভিযানে আরও ১৫ ইসরাইলি সেনা নিহত বাংলাদেশ ব্যাংকে কি তাহলে ঋণখেলাপিরা ঢুকবে, প্রশ্ন রিজভীর বিএনপি নেতা ইশরাক কারাগারে উপজেলা নির্বাচনে ব্যবসায়ী প্রার্থীদের দাপট অক্ষুণ্ণ: টিআইবি বাজারে থাকা এসএমসি প্লাসের সব ড্রিংকস প্রত্যাহারের নির্দেশ ভ্যাট বসলে মেট্রোরেলের সুনাম নষ্ট হবে : কাদের জাতীয় এসএমই পুরস্কার-২০২৩ পেলেন ৭ উদ্যোক্তা তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী পঞ্চম বাংলাদেশি হিসেবে বাবর আলীর এভারেস্ট জয় ঝুঁকিতে ৪৫ হাজার কোটি রুপির ভারতীয় মসলার বাজার যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েলের সরকারে ভাঙনের সুর জীবন বাঁচাতে রাফা ছেড়েছেন ৮ লাখ ফিলিস্তিনি : জাতিসংঘ শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ১৭ রাজা চার্লসের চেয়েও বেশি সম্পদ ঋষি সুনাকের

তাইওয়ান স্বাধীনতা ঘোষণা করলে যুদ্ধ শুরু হবে: চীন

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : জুন ১১, ২০২২
তাইওয়ান স্বাধীনতা ঘোষণা করলে যুদ্ধ শুরু হবে: চীন

তাইওয়ান স্বাধীনতা ঘোষণা করলে চীন যুদ্ধ শুরু করতে দ্বিধা করবে না বলে হুমকি দিয়েছে বেইজিং। চীনের এই হুমকিকে উসকানিমূলক বলে মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সিঙ্গাপুরে নিরাপত্তা সম্মেলন ‘সাংগ্রিলা ডায়ালগের’ ফাঁকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা বৈঠকে বসেন। এ বৈঠক থেকেই যুদ্ধের হুমকি দেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী য়েই ফেংহে বলেন, “যদি কেউ চীন থেকে তাইওয়ানকে বিভক্ত করার সাহস করে, তবে চীনা সেনাবাহিনী অবশ্যই যুদ্ধ শুরু করতে দ্বিধা করবে না, যে মূল্যই দিতে হোক না কেন।”

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, বেইজিং তাইওয়ানের স্বাধীনতার যেকোনো চক্রান্ত নস্যাৎ করবে এবং মাতৃভূমির একত্রীকরণকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করবে। তাইওয়ানকে ব্যবহার করে চীনকে দমন করার বিষয়টি সফল হতে দেয়া হবে না।

চীনের এই বক্তব্যকে উসকানিমূলক আচরণ হিসেবে অভিহিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন মনে করেন, ‘চীনের এই আচরণ ইন্দো-প্যাসিফিকের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য হুমকিস্বরূপ।’

তাইওয়ান নিয়ে ক্ষমতাধর দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দ্বন্দ্বের । চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের সঙ্গে সাক্ষাতে এই সতর্কবার্তা দেন। খবর এএফপির।

বেইজিং তাইওয়ানকে তার অংশ হিসেবে দেখে। তারা তাইওয়ানকে ধরে রাখতে প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের কথাও জানিয়েছে। স্বশাসিত এই দেশটিকে কেন্দ্র করে মার্কিন-চীন উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। এই উত্তেজনার প্রেক্ষিতে বৈঠকে বসেছিল চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকেরা। তবে বৈঠকে কোনো সমাধান আসেনি।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ