ঢাকা ০৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিস্তায় পানি বৃদ্ধি, নির্ঘুম রাত কাটছে নদী তীরবর্তী মানুষের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুন ২০২২ ৯৩ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লালমনিরহাটে আবারো হু হু করে বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। এতে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে তিস্তা পারের বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) রাত ৯টার দিকে জেলার হাতিবান্ধার দোয়ানীতে অবস্থিত তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি ৫২.৭০ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হচ্ছে (স্বাভাবিক ৫২.৬০) যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘উজানে ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।’

স্থানীয়রা জানান, ইতোমধ্যে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। সকাল ৯টায় পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি এবং বিকেল ৩টায় বিপদসীমা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তবে রাত ৯ ডালিয়া পয়েন্ট পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রাতে পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতে তিস্তা ও ধরলা নদীর পাশাপাশি জেলার অন্যান্য নদী ও ডোবায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ক্রমেই বাড়ছে দুর্ভোগ।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার কালমাটির সামছুল মিয়া জানান, নদীর পানি বিকেল থেকে হু হু করে বাড়ছে। নদীর তীরবর্তী হওয়ায় কয়েকদিন থেকে রাতে ঘুম আসছে না চোখে। কখন কি হয় সে চিন্তাই এখন মুল ভয়। এর আগে তিস্তার গ্রাসে ৮ বার বাড়ি সরিয়ে নিয়েছি বলেও জানান তিনি। শুধু সামছুল নয় ওই এলাকার ওবায়দুল,আমজাদসহ অনেকেই জানান নির্ঘুম রাত কাটানোর অভিজ্ঞতা।

এদিকে বন্যাসহ যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক আবু জাফর।

নিউজটি শেয়ার করুন

তিস্তায় পানি বৃদ্ধি, নির্ঘুম রাত কাটছে নদী তীরবর্তী মানুষের

আপডেট সময় : ০১:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুন ২০২২

লালমনিরহাটে আবারো হু হু করে বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। এতে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে তিস্তা পারের বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) রাত ৯টার দিকে জেলার হাতিবান্ধার দোয়ানীতে অবস্থিত তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি ৫২.৭০ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হচ্ছে (স্বাভাবিক ৫২.৬০) যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘উজানে ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।’

স্থানীয়রা জানান, ইতোমধ্যে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। সকাল ৯টায় পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি এবং বিকেল ৩টায় বিপদসীমা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তবে রাত ৯ ডালিয়া পয়েন্ট পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রাতে পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতে তিস্তা ও ধরলা নদীর পাশাপাশি জেলার অন্যান্য নদী ও ডোবায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ক্রমেই বাড়ছে দুর্ভোগ।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার কালমাটির সামছুল মিয়া জানান, নদীর পানি বিকেল থেকে হু হু করে বাড়ছে। নদীর তীরবর্তী হওয়ায় কয়েকদিন থেকে রাতে ঘুম আসছে না চোখে। কখন কি হয় সে চিন্তাই এখন মুল ভয়। এর আগে তিস্তার গ্রাসে ৮ বার বাড়ি সরিয়ে নিয়েছি বলেও জানান তিনি। শুধু সামছুল নয় ওই এলাকার ওবায়দুল,আমজাদসহ অনেকেই জানান নির্ঘুম রাত কাটানোর অভিজ্ঞতা।

এদিকে বন্যাসহ যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক আবু জাফর।