ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থাইল্যান্ডে একযোগে ১৭ স্থানে বিস্ফোরণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৭:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২ ৫০ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের অন্তত ১৭টি স্থানে একযোগে বিস্ফোরণ ও আগুনের ঘটনা ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, দৃশ্যত এটি একটি সমন্বিত হামলা। এতে অন্তত সাত জন আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মধ্যরাতের পর তিনটি প্রদেশের নিত্যপণ্যের দোকান ও গ্যাস স্টেশন লক্ষ্য করে এসব বোমা ও আগুন হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় অন্তত সাত জন আহত হয়েছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, এখন পর্যন্ত কোনও সংগঠন এসব হামলার দায় স্বীকার করেনি।

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে মালয়েশিয়া সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই কম মাত্রার বিদ্রোহী তৎপরতা চলছে। মূলত মুসলিম অধ্যুষিত পাত্তানি, ইয়ালা, নারাথিওয়াত এবং শঙ্খলা প্রদেশের অংশবিশেষে স্বাধীনতার দাবির বিরুদ্ধে লড়াই করছে থাই সরকার।

২০০৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এ সংঘাতে সাত হাজার তিনশ’রও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানিয়েছে সহিংসতা পর্যবেক্ষণকারী গ্রুপ ডিপ সাউথ ওয়াচ। এ সংঘাত নিরসনে ২০১৩ সালে শান্তি আলোচনা শুরু হলেও বারবার তা বিঘ্নিত হয়েছে।

মহামারির কারণে দুই বছর আলোচনা বন্ধ থাকার পর এই বছরের শুরুতে মূল বিদ্রোহী গ্রুপ বারিসান রিভোলুসি ন্যাসোনাল এর সঙ্গে শান্তি আলোচনা ফের শুরু করে থাই সরকার। এরমধ্যে বুধবার নতুন করে হামলার ঘটনা সামনে এলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

থাইল্যান্ডে একযোগে ১৭ স্থানে বিস্ফোরণ

আপডেট সময় : ০৪:১৭:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের অন্তত ১৭টি স্থানে একযোগে বিস্ফোরণ ও আগুনের ঘটনা ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, দৃশ্যত এটি একটি সমন্বিত হামলা। এতে অন্তত সাত জন আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মধ্যরাতের পর তিনটি প্রদেশের নিত্যপণ্যের দোকান ও গ্যাস স্টেশন লক্ষ্য করে এসব বোমা ও আগুন হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় অন্তত সাত জন আহত হয়েছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, এখন পর্যন্ত কোনও সংগঠন এসব হামলার দায় স্বীকার করেনি।

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে মালয়েশিয়া সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই কম মাত্রার বিদ্রোহী তৎপরতা চলছে। মূলত মুসলিম অধ্যুষিত পাত্তানি, ইয়ালা, নারাথিওয়াত এবং শঙ্খলা প্রদেশের অংশবিশেষে স্বাধীনতার দাবির বিরুদ্ধে লড়াই করছে থাই সরকার।

২০০৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এ সংঘাতে সাত হাজার তিনশ’রও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানিয়েছে সহিংসতা পর্যবেক্ষণকারী গ্রুপ ডিপ সাউথ ওয়াচ। এ সংঘাত নিরসনে ২০১৩ সালে শান্তি আলোচনা শুরু হলেও বারবার তা বিঘ্নিত হয়েছে।

মহামারির কারণে দুই বছর আলোচনা বন্ধ থাকার পর এই বছরের শুরুতে মূল বিদ্রোহী গ্রুপ বারিসান রিভোলুসি ন্যাসোনাল এর সঙ্গে শান্তি আলোচনা ফের শুরু করে থাই সরকার। এরমধ্যে বুধবার নতুন করে হামলার ঘটনা সামনে এলো।