মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে মন্দিরগামীদের নিয়ে নৌকাডুবি, ২৪ জনের লাশ উদ্ধার, অনেকেই নিখোঁজ ডিএনসিসি মেয়র, ওয়াসা এমডিকে কারাগারে পাঠাতে চান নদী কমিশন চেয়ারম্যান নতুন মূল্য নির্ধারণ: পাম অয়েলে কমলো ১২ টাকা, চিনিতে ৬ টাকা বেনজীরের বিদায়, পুলিশের নতুন আইজি মামুন, র‌্যাবের ডিজি খুরশীদ ডলারে অতিরিক্ত মুনাফার অভিযোগ থেকে মুক্ত ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি কর্তারা শত অনিয়মের আখড়া ছিল ই-ভ্যালি, ছিলনা আয়-ব্যয়ের হিসাব ১৬ কোটি মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতা সাফজয়ী অধিনায়ক সাবিনার ল্যাব থাকলেও টেস্ট ছাড়াই হালাল সনদ দেয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ও সোনার বাংলা ক্যাপিটাল’র আমানত-দায় শেয়ারে রূপান্তর, চুক্তি সকল শক্তি দিয়েও নদী দখলকারীদের উচ্ছেদ করা যাচ্ছেনা: টুকু হংকংকে হারিয়ে সুপার ফোর নিশ্চিত করল ভারত প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা ষড়যন্ত্রে সরকারি দলের লোকজন জড়িত হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন খালেদা জিয়া বিএনপি-জামাতের সম্পর্ক ভেতরে অটুট: কাদের দেশে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের ১৪ শতাংশ হাসপাতাল কখনোই নিবন্ধন করেনি

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : আগস্ট ৩০, ২০২২
দেশের ১৪ শতাংশ হাসপাতাল কখনোই নিবন্ধন করেনি

দেশে ১৪ শতাংশ বেসরকারি হাসপাতাল কখনোই নিবন্ধন করেনি বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি)।

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে আইসিডিডিআরবি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির ম্যাটার্নাল অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ ডিভিশনের (এমসিএইচডি) সিনিয়র ডিরেক্টর ডা. শামস এল আরেফিন এ গবেষণা উপাত্ত তুলে ধরেন।

ডা. শামস এল আরেফিন বলেন, বিভিন্ন সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রণে আনতে অভিযান পরিচালনা করেছে। এ বিষয়টি দেখতে ইউএস-এইডের সহায়তায় আমরা ১২ সিটি করপোরেশনের ১০টি জেলার ২৯টি উপজেলায় একটি গবেষণা জরিপ পরিচালনা করি। এতে স্থানীয় সিভিল সার্জনসহ কিছু বেসরকারি হাসপাতাল সহায়তা করে।

তিনি বলেন, গবেষণাটি করতে গিয়ে ১১৮৯টি বেসরকারি হাসপাতালকে মূল্যায়নের জন্য সহযোগিতা চাওয়া হয়, কিন্তু তাদের মধ্যে ৪০টি হাসপাতালই সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানায়। সবশেষে ১১১৭টিতে মূল্যায়ন করা হয়।

শামস এল আরেফিন বলেন, জরিপ করা ১১১৭টি বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে ৯৫৬টি হাসপাতাল কোনো এক সময় নিবন্ধনের আওতায় এসেছিল, শতকরা হিসাবে যা প্রায় ৮৬ শতাংশ। আর বাকি ১৬১টি বেসরকারি হাসপাতাল কখনোই নিবন্ধন করেনি, যা শতাংশ হিসাবে ১৪ শতাংশ।

তিনি আরও বলেন, কোনো এক সময় নিবন্ধনের আওতায় আসা ৯৫৬টি বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে ৮৮৬টির (৭৯ শতাংশ) লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, ৬৬টি হাসপাতালের (৬ শতাংশ) বৈধ লাইসেন্স ছিল এবং বাকি ৪টি হাসপাতাল (দশমিক ৫ শতাংশ) এবিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি।

সংস্থাটি বলছে, দেশে এমন কিছু সংখ্যক বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে যারা নিবন্ধনের জন্য কখনোই আবেদন করেনি, শতকরা হিসেবে তা প্রায় ১৪ শতাংশ। এমনকি যারা কোন এক সময় নিবন্ধনের আওতায় এসেছিল, তাদের মধ্যেও বড় একটি সংখ্যার লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ২০১৯-২০ সালে এই গবেষণা পরিচালনা করা হয়। তবে, এই সময়ে এসে সেই পরিস্থিতি পরিবর্তনও হতে পারে বলে জানিয়েছে আইসিডিডিআরবি।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৮০ সাল থেকে দেশে বেসরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমের অগ্রগতি শুরু হয়। অগ্রগতিটা সবচেয়ে বেশি হয় ২০০৭ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত। বর্তমানে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্য সেবার জন্য নির্ভর করে বেসরকারি হাসপাতালের ওপর। বেসরকারি হাসপাতালের ওপর মানুষের এই নির্ভরশীলতার কারণ হলো সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ নানা সংকট।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ১৯৮২ সালের আইন অনুযায়ী বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে স্বাস্থ্যসেবার ৭টি শর্ত/নিয়ম মানতে হয়। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব শর্ত পূরণ করে স্বাস্থ্য সেবা দিতে গেলে নানা বাঁধার মুখে পড়তে হয়, যে কারণে গুনগত স্বাস্থ্য সেবা দিতে সমস্যা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ