শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিসেম্বরেও উৎপাদনে যাচ্ছে না পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে দিল্লি, মুম্বাইসহ বেশ কিছু রাজ্য গাজার মানবিক অঞ্চলে বিমান হামলা, নিহত ৭১ গাজার ৭০ হাজারের বেশি মানুষ হেপাটাইটিসে আক্রান্ত নেপালে ১৬ বছরে ১৪ বার সরকার বদল? যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ আয়োজন করে কোটি টাকা খুইয়েছে আইসিসি ‘পদক নয়, নিজেদের উন্নতি করতে অলিম্পিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কার : শিক্ষার্থীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে: ওবায়দুল কাদের দেশে বদলে যাচ্ছে বন্যার ধরন গণতন্ত্রের জন্যও শিক্ষার্থীদের লড়াই করার আহ্বান আমির খসরুর সরকার পতনের আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: মান্না কোটা সংস্কারের নামে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত স্বাধীনতাবিরোধীরা: আইনমন্ত্রী বাজারে সব পণ্যেই হাকিয়েছে সেঞ্চুরি

দেশে করোনায় মৃত্যুহীন দিনে শনাক্ত ৯৩

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : আগস্ট ১৬, ২০২২
দেশে করোনায় মৃত্যুহীন দিনে শনাক্ত ৯৩

২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় কোনো মৃত্যু হয়নি। এ সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩ জন। নমুনা পরীক্ষায় রোগী শনাক্তের হার ৪ দশমিক চার-এক শতাংশ।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু না হওয়ায় দেশে করোনায় মোট প্রাণহানি ২৯ হাজার ৩১৪ জনই রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, দেশে এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা ২০ লাখ ৯ হাজার ২২২ জন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২২৮ জন। এ নিয়ে করোনা থেকে সুস্থ হলেন মোট ১৯ লাখ ৫১ হাজার ৯৬৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় ৮৮০টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয় ২ হাজার ১১০টি।

সংক্রমণ কমার ধারায় গত ৫ মে দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা নেমেছিল ৪ জনে। তবে গত ২২ মের পর থেকে দুই মাসের বেশি সময় ধরে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা আবারো বাড়তে থাকে।

এর ফলে সারা দেশে দোকান, শপিংমল, বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতা, হোটেল রেস্টুরেন্টে সবাইকে আবারো বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরাসহ ৬ নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। গত ২৮ জুন এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।

দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে গত বছরের ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ নতুন রোগী শনাক্ত হয়।
গত বছরের ডিসেম্বরের শেষে বিশ্বে ছড়াতে শুরু করে করোনার অতি সংক্রামক নতুন ধরন ওমিক্রন। তখন দেশে রোগী শনাক্তের হার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুও বাড়তে থাকে।
এ বছর ফেব্রুয়ারি থেকে আবার নামতে শুরু করে করোনা রোগীর সংখ্যা। যদিও জানুয়ারির শেষ দিকে শনাক্তের হার কিছুটা কমে ৩০ শতাংশের নিচে নামে। ওমিক্রন আতঙ্ক কিছুটা কাটিয়ে দেশে কয়েক দিন ধরে শনাক্তের সংখ্যা কমতে শুরু করে।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ