রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সর্বদা প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী দুর্দান্ত মেসিতে জয় পেল মায়ামি দুঃসংবাদ পেল ধোনি-মুস্তাফিজদের চেন্নাই বিএনপির নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জনগণের আগ্রহ নেই : ওবায়দুল কাদের বিএনপিনেতা হাবিবুর রহমান হাবিব জামিনে মুক্ত গরমে হাসপাতালগুলোকে যে নির্দেশ দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বোরো মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহের মূল্য নির্ধারণ মিয়ানমার নৌবাহিনীর গুলিতে বাংলাদেশি ২ জেলে গুলিবিদ্ধ ‘কাতার আমিরের সফরে ছয়টি চুক্তি ও পাঁচটি সমঝোতা স্মারক সই হবে’ পেনশন স্কিম, প্রত্যাশার চেয়েও গ্রাহক কম ইসরায়েলে নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ইসরায়েল–ইউক্রেনকে সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টে বিল পাস ইসরায়েলি সেনাদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলা, ১৪ ফিলিস্তিনি নিহত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম থেকে ব্যারিস্টার খোকনকে অব্যাহতি

দেশে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ নামল ১৯ বিলিয়ন ডলারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : নভেম্বর ৭, ২০২৩
রিজার্ভ নামল ১৯ বিলিয়ন ডলারে

দেশে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ প্রকৃত রিজার্ভ ১৯ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আমদানি বিল বাবদ ১২১ কোটি ডলার মঙ্গলবার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী সেপ্টেম্বরে প্রকৃত রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন ডলার রাখার কথা ছিল। আর আইএমএফের মতে দেশের নিট রিজার্ভ আরও কম। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আকুর আওতাধিন ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার দুই মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করায় রিজার্ভ কমেছে। বর্তমানে গ্রস রিজার্ভ ২৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু আইএমএফের বিপিএম-৬ ম্যাথোডে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবের সঙ্গে ৫ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলারের পার্থক্য রয়েছে। সেই হিসাবে প্রকৃত রিজার্ভ ২০ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন। এখান থেকে আকুর বিল পরিশোধের পর দেশের রিজার্ভ ১৯ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, ‘আকুল বিল পরিশোধ করা হয়েছে। তবে বিল পরিশোধের ভাউচার এখনো আমার হাতে আসেনি। বুধবার (৮ নভেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে জানানো হবে।

আইএমএফের ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম ৬) অনুযায়ী, রিজার্ভ গণনায় বাংলাদেশ ব্যাংক গঠিত বিভিন্ন তহবিলের পাশাপাশি বিমানের জন্য প্রদত্ত ঋণ গ্যারান্টি, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষকে দেওয়া ঋণ, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকে আমানত এবং নির্দিষ্ট গ্রেডের নিচে থাকা সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ রিজার্ভের অন্তর্ভুক্ত নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক এগুলোকেও রিজার্ভ হিসেবে দিখিয়ে আসছিল এতোদিন। এসব হিসাব বাদ দেওয়ার কারণে ৫ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার কমে যায়।

আইএমএফ নির্দিষ্ট শর্ত দিয়ে বাংলাদেশকে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়। সেই ঋণের প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ৭০ হাজার ডলার গত ফেব্রুয়ারিতে পায় বাংলাদেশ। এই শর্তের মধ্যে অন্যতম ছিল জুনে প্রকৃত রিজার্ভ ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরে তা ২ হাজার ৫৩০ ডলার এবং ডিসেম্বরে ২ হাজার ৬৮০ ডলারে রাখতে হবে। তবে সম্প্রতি এসব শর্ত শিথিল করেছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর থেকে রিজার্ভ কমে এ পর্যায়ে নেমেছে। এর আগে ধারাবাহিকভাবে যা বাড়ছিল। ১০ বছর আগে ২০১৩ সালের জুন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল মাত্র ১৫ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার। পাঁচ বছর আগে ছিল ৩৩ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার। সেখান থেকে বেড়ে ২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে পৌঁছায়। ওই বছরের ৮ অক্টোবর ৪০ বিলিয়ন ডলারের নতুন মাইলফলক অতিক্রম করে। এরপর তা বেড়ে ক‌রোনা মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ রেকর্ড গড়ে ২০২১ সালের ২৪ আগস্ট। ওইদিন রিজার্ভ ৪৮ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলার বা চার হাজার ৮০৪ কোটি ডলারে উঠে। তারপর থেকে ক্রমাগত ভাবে রিজার্ভ কমছে।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ