মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ৫৪,৩০৪ শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি, আবেদনের সময় ৪ থেকে ৩০ এপ্রিল আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগে দুর্নীতি, ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোদির বিরুদ্ধে কমিশনের নালিশ মমতার বৃষ্টি-শিলাবৃষ্টিও হতে পারে দেশের বিভিন্ন এলাকায় হেফাজতের কর্মসূচিতে সমর্থন দিলেও ইন্ধন দেওয়ার কথা অস্বীকার ফখরুলের ইউরোপের মতো ভারতফেরৎ যাত্রীদেরও ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন করোনা: ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৫,০৪২, মৃত্যু ৪৫ দেশে ১৪ প্রতিষ্ঠান মোবাইল সেট উৎপাদন করছে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী তরঙ্গ পরিবর্তনে ২ দিন বিঘ্নিত হবে মোবাইল ফোন সেবা উত্তরায় শ্রীলঙ্কান নাগরিকের বিরুদ্ধে গৃহকর্মী ধর্ষণের অভিযোগ বাংলাদেশ সেকেন্ড হোম, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মায়ের মতো’: লোটে শেরিং এবারের স্বাধীনতা পুরস্কার বিতরণ ১১ এপ্রিল বাংলাদেশ-ভুটান বৈঠকে বাণিজ্য-যোগাযোগে গুরুত্ব গণহত্যা দিবস ‍উপলক্ষে ২৫ মার্চ সারাদেশে ১ মিনিটের ব্ল্যাক আউট নগরজুড়ে তিনদিন গ্যাসের সংকট, চরম দুর্ভোগে নগরবাসী মাসজুড়ে তাপপ্রবাহ-কালবৈশাখীর আভাস আবহাওয়া দপ্তরের দক্ষিণখানে গুলিতে ব্যবসায়ী নিহত, ৬ জন গ্রেফতার ১৩৮ প্রবাসী কর্মীর পরিবার পেল ৪ কোটি টাকার বঙ্গবন্ধু অভিবাসী ঋণ পরকীয়া প্রেমিককে হত্যায় প্রেমিকাসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি: বিএনপির ৩০ মার্চ পর্যন্ত সুবর্ণজয়ন্তীর সব কর্মসূচি স্থগিত

দেশে ১৪ প্রতিষ্ঠান মোবাইল সেট উৎপাদন করছে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম : / ২৬ জন দেখেছেন
আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ০৪:১৭ অপরাহ্ন

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন বর্তমান সরকারের প্রযুক্তি বান্ধব নীতির ফলে দেশে ১৪টি  প্রতিষ্ঠান মোবাইল সেট উৎপাদন করছে। এসব কারখানায় এখন ফোরজি সেটও তৈরি হচ্ছে। ফলে আমাদের সেট আমদানীর প্রয়োজন নেই।

তিনি মঙ্গলবার মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন  জিএসএমএ ‘রাউন্ডটেবিল  অন বাংলাদেশ এচিভিং মোবাইল-এনেভলড ডিজিটাল ইনক্লিউশন’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ১৯৮৯ সালে মোবাইল ফোন যুগে প্রবেশ করলেও মনোপলি ব্যবসার কারণে মোবাইল ছিল সাধারণের নাগালের বাইরে। ‘৯৭ সালে চারটি অপারেটরকে মোবাইল ফোন পরিচালনার লাইসেন্স দেওয়ার মাধ্যমে মোবাইল সাধারণের নাগালে পৌঁছে দেওয়া হয়।

২০১৩ সালে ৩জি চালু করা অবধি মোবাইল প্রযুক্তি কেবল কথা বলার কাজেই ব্যবহৃত হতো। এরপর ’১৮ সালে ৪জি চালু হবার পর আমরা প্রকৃত মোবাইল ইন্টারনেটের যুগে প্রবেশ করলাম। মাত্র তিন বছরে করোনা থাকার পরও মোবাইল অপারেটররা দেশব্যাপী ৪জির সম্প্রসারণ করেছে। এর ব্যবহারের পরিধি বাড়াতে সরকার সকল উদ্যোগ নেবে, বলেন তিনি।

মন্ত্রী মোবাইল প্রযুক্তি বিকাশে বাংলাদেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ৪জি চালুর ধারাবাহিকতায় গ্রামীণ ফোনের শতভাগ এবং রবির ৯৮ ভাগ বিটিএস ৪জি নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে। টেলিটক ও বাংলালিংক শিগগিরই শতভাগ বিটিএস ফোর জি নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

মন্ত্রী ইতোপূর্বে দেশের তৃণমূল জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল সেবা গ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ করে করোনাকালে দেশের প্রত্যন্ত জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল চিকিৎসা সেবা এবং শিক্ষা নিশ্চিত করতে মন্ত্রী শতভাগ বিটিএস ফোরজি নেটওয়ার্কের আওতায় আনার জন্য অপারেটর সমূহকে তাগিদ দেন।

মন্ত্রী মোবাইল অপারেটর সমূহকে কোভিডকালে নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদানের জন্য মোবাইল অপারেটর সমূহের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন দেশের শতকরা ৭০ভাগ করোনা রোগী ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসে চিকিৎসা নিয়েছে।

জিএসএমএ নেতৃবৃন্দ মোবাইল ফোন বিকাশে বাংলাদেশের অবস্থান, ভবিষ্যত করণীয় ইত্যাদি বিষয়ে বেশ কিছু পরামর্শ তুলে ধরেন। তারা  ডিজিটাল দক্ষতা ও সচেতনা তৈরিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

বিটিআরসি, টেলিটক, রবি, বাংলালিংক ও এমটব প্রতিনিধিগণ,আইটিইউ এর এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিনিধি  এবং এটুআই এর সিনিয়র পলিসি এডভাইজার আনির চৌধুরী  গোলটেবিল বৈঠকে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন।

গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন জিএসএম কর্মকর্তা রাহুল শাহ এবং  জুলিয়ান গরমেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ