ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশে ১৪ প্রতিষ্ঠান মোবাইল সেট উৎপাদন করছে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ ২০২১ ৫৯২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন বর্তমান সরকারের প্রযুক্তি বান্ধব নীতির ফলে দেশে ১৪টি  প্রতিষ্ঠান মোবাইল সেট উৎপাদন করছে। এসব কারখানায় এখন ফোরজি সেটও তৈরি হচ্ছে। ফলে আমাদের সেট আমদানীর প্রয়োজন নেই।

তিনি মঙ্গলবার মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন  জিএসএমএ ‘রাউন্ডটেবিল  অন বাংলাদেশ এচিভিং মোবাইল-এনেভলড ডিজিটাল ইনক্লিউশন’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ১৯৮৯ সালে মোবাইল ফোন যুগে প্রবেশ করলেও মনোপলি ব্যবসার কারণে মোবাইল ছিল সাধারণের নাগালের বাইরে। ‘৯৭ সালে চারটি অপারেটরকে মোবাইল ফোন পরিচালনার লাইসেন্স দেওয়ার মাধ্যমে মোবাইল সাধারণের নাগালে পৌঁছে দেওয়া হয়।

২০১৩ সালে ৩জি চালু করা অবধি মোবাইল প্রযুক্তি কেবল কথা বলার কাজেই ব্যবহৃত হতো। এরপর ’১৮ সালে ৪জি চালু হবার পর আমরা প্রকৃত মোবাইল ইন্টারনেটের যুগে প্রবেশ করলাম। মাত্র তিন বছরে করোনা থাকার পরও মোবাইল অপারেটররা দেশব্যাপী ৪জির সম্প্রসারণ করেছে। এর ব্যবহারের পরিধি বাড়াতে সরকার সকল উদ্যোগ নেবে, বলেন তিনি।

মন্ত্রী মোবাইল প্রযুক্তি বিকাশে বাংলাদেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ৪জি চালুর ধারাবাহিকতায় গ্রামীণ ফোনের শতভাগ এবং রবির ৯৮ ভাগ বিটিএস ৪জি নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে। টেলিটক ও বাংলালিংক শিগগিরই শতভাগ বিটিএস ফোর জি নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

মন্ত্রী ইতোপূর্বে দেশের তৃণমূল জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল সেবা গ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ করে করোনাকালে দেশের প্রত্যন্ত জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল চিকিৎসা সেবা এবং শিক্ষা নিশ্চিত করতে মন্ত্রী শতভাগ বিটিএস ফোরজি নেটওয়ার্কের আওতায় আনার জন্য অপারেটর সমূহকে তাগিদ দেন।

মন্ত্রী মোবাইল অপারেটর সমূহকে কোভিডকালে নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদানের জন্য মোবাইল অপারেটর সমূহের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন দেশের শতকরা ৭০ভাগ করোনা রোগী ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসে চিকিৎসা নিয়েছে।

জিএসএমএ নেতৃবৃন্দ মোবাইল ফোন বিকাশে বাংলাদেশের অবস্থান, ভবিষ্যত করণীয় ইত্যাদি বিষয়ে বেশ কিছু পরামর্শ তুলে ধরেন। তারা  ডিজিটাল দক্ষতা ও সচেতনা তৈরিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

বিটিআরসি, টেলিটক, রবি, বাংলালিংক ও এমটব প্রতিনিধিগণ,আইটিইউ এর এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিনিধি  এবং এটুআই এর সিনিয়র পলিসি এডভাইজার আনির চৌধুরী  গোলটেবিল বৈঠকে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন।

গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন জিএসএম কর্মকর্তা রাহুল শাহ এবং  জুলিয়ান গরমেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দেশে ১৪ প্রতিষ্ঠান মোবাইল সেট উৎপাদন করছে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ ২০২১

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন বর্তমান সরকারের প্রযুক্তি বান্ধব নীতির ফলে দেশে ১৪টি  প্রতিষ্ঠান মোবাইল সেট উৎপাদন করছে। এসব কারখানায় এখন ফোরজি সেটও তৈরি হচ্ছে। ফলে আমাদের সেট আমদানীর প্রয়োজন নেই।

তিনি মঙ্গলবার মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন  জিএসএমএ ‘রাউন্ডটেবিল  অন বাংলাদেশ এচিভিং মোবাইল-এনেভলড ডিজিটাল ইনক্লিউশন’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ১৯৮৯ সালে মোবাইল ফোন যুগে প্রবেশ করলেও মনোপলি ব্যবসার কারণে মোবাইল ছিল সাধারণের নাগালের বাইরে। ‘৯৭ সালে চারটি অপারেটরকে মোবাইল ফোন পরিচালনার লাইসেন্স দেওয়ার মাধ্যমে মোবাইল সাধারণের নাগালে পৌঁছে দেওয়া হয়।

২০১৩ সালে ৩জি চালু করা অবধি মোবাইল প্রযুক্তি কেবল কথা বলার কাজেই ব্যবহৃত হতো। এরপর ’১৮ সালে ৪জি চালু হবার পর আমরা প্রকৃত মোবাইল ইন্টারনেটের যুগে প্রবেশ করলাম। মাত্র তিন বছরে করোনা থাকার পরও মোবাইল অপারেটররা দেশব্যাপী ৪জির সম্প্রসারণ করেছে। এর ব্যবহারের পরিধি বাড়াতে সরকার সকল উদ্যোগ নেবে, বলেন তিনি।

মন্ত্রী মোবাইল প্রযুক্তি বিকাশে বাংলাদেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ৪জি চালুর ধারাবাহিকতায় গ্রামীণ ফোনের শতভাগ এবং রবির ৯৮ ভাগ বিটিএস ৪জি নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে। টেলিটক ও বাংলালিংক শিগগিরই শতভাগ বিটিএস ফোর জি নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

মন্ত্রী ইতোপূর্বে দেশের তৃণমূল জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল সেবা গ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ করে করোনাকালে দেশের প্রত্যন্ত জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল চিকিৎসা সেবা এবং শিক্ষা নিশ্চিত করতে মন্ত্রী শতভাগ বিটিএস ফোরজি নেটওয়ার্কের আওতায় আনার জন্য অপারেটর সমূহকে তাগিদ দেন।

মন্ত্রী মোবাইল অপারেটর সমূহকে কোভিডকালে নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদানের জন্য মোবাইল অপারেটর সমূহের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন দেশের শতকরা ৭০ভাগ করোনা রোগী ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসে চিকিৎসা নিয়েছে।

জিএসএমএ নেতৃবৃন্দ মোবাইল ফোন বিকাশে বাংলাদেশের অবস্থান, ভবিষ্যত করণীয় ইত্যাদি বিষয়ে বেশ কিছু পরামর্শ তুলে ধরেন। তারা  ডিজিটাল দক্ষতা ও সচেতনা তৈরিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

বিটিআরসি, টেলিটক, রবি, বাংলালিংক ও এমটব প্রতিনিধিগণ,আইটিইউ এর এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিনিধি  এবং এটুআই এর সিনিয়র পলিসি এডভাইজার আনির চৌধুরী  গোলটেবিল বৈঠকে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন।

গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন জিএসএম কর্মকর্তা রাহুল শাহ এবং  জুলিয়ান গরমেন।