ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্ষত দানিয়ুব নদীতে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পর্যাপ্ত বৃষ্টির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে সার্বিয়ার দানিয়ুব নদীর পানি। এ মৌসুমে সবচেয়ে নিচে নেমেছে পানির স্তর। আর তাতেই দেখা গেল অস্বাভাবিক কিছুর। নদীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে জার্মান ও রাশিয়ান যুদ্ধজাহাজ।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এর করা এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ডুবে গিয়েছিল এসব যুদ্ধজাহাজ। পানি কমে যাওয়ায় তা এখন দেখা যাচ্ছে।

টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, ১৯৪৪ সালে সোভিয়েত বাহিনীর আক্রমণে দানিয়ুব নদীর তীরে জার্মানির কৃষ্ণসাগর বহরের শত শত যুদ্ধজাহাজ ডুবে যায়। পানি কমে যাওয়ায় জেগে ওঠা এসব যুদ্ধজাহাজ সেই বহরেরই অংশ ছিল। এমনকি এখনও পানির স্তর কম থাকলে ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ এই নদীপথে নৌ-চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়ে থাকে।

এই নদীর পানি এতটাই নিচে নেমে গেছ কোথাও কোথাও নদীর তলদেশ দেখা যাচ্ছে। আবার অনেক স্থানে সৃষ্টি হয়েছে চরের।

টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, মাসের পর মাস ধরে চলে আসা এই খরা এবং রেকর্ড-উচ্চ তাপমাত্রা দানিয়ুব নদীপথে নৌ-চলাচলকে কার্যত আটকে দিয়েছে। এতে করে জার্মানি, ইতালি এবং ফ্রান্সসহ ইউরোপের এক অংশ থেকে অন্য অংশে নৌ-চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। নৌ-চলাচল লেনগুলো চালু রাখার জন্য করা হচ্ছে ড্রেজিং। তবে বৃষ্টি না হওয়ায় কুব একটা লাভ হচ্ছে না ড্রেজিংয়েও। আর এসব জাহাজ উদ্ধারে দরপত্রের আহ্বান করেছে দেশটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্ষত দানিয়ুব নদীতে

আপডেট সময় : ০৪:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২

পর্যাপ্ত বৃষ্টির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে সার্বিয়ার দানিয়ুব নদীর পানি। এ মৌসুমে সবচেয়ে নিচে নেমেছে পানির স্তর। আর তাতেই দেখা গেল অস্বাভাবিক কিছুর। নদীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে জার্মান ও রাশিয়ান যুদ্ধজাহাজ।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এর করা এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ডুবে গিয়েছিল এসব যুদ্ধজাহাজ। পানি কমে যাওয়ায় তা এখন দেখা যাচ্ছে।

টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, ১৯৪৪ সালে সোভিয়েত বাহিনীর আক্রমণে দানিয়ুব নদীর তীরে জার্মানির কৃষ্ণসাগর বহরের শত শত যুদ্ধজাহাজ ডুবে যায়। পানি কমে যাওয়ায় জেগে ওঠা এসব যুদ্ধজাহাজ সেই বহরেরই অংশ ছিল। এমনকি এখনও পানির স্তর কম থাকলে ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ এই নদীপথে নৌ-চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়ে থাকে।

এই নদীর পানি এতটাই নিচে নেমে গেছ কোথাও কোথাও নদীর তলদেশ দেখা যাচ্ছে। আবার অনেক স্থানে সৃষ্টি হয়েছে চরের।

টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, মাসের পর মাস ধরে চলে আসা এই খরা এবং রেকর্ড-উচ্চ তাপমাত্রা দানিয়ুব নদীপথে নৌ-চলাচলকে কার্যত আটকে দিয়েছে। এতে করে জার্মানি, ইতালি এবং ফ্রান্সসহ ইউরোপের এক অংশ থেকে অন্য অংশে নৌ-চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। নৌ-চলাচল লেনগুলো চালু রাখার জন্য করা হচ্ছে ড্রেজিং। তবে বৃষ্টি না হওয়ায় কুব একটা লাভ হচ্ছে না ড্রেজিংয়েও। আর এসব জাহাজ উদ্ধারে দরপত্রের আহ্বান করেছে দেশটি।