ঢাকা ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে নিয়োগ দিতে নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুন ২০২২ ৮৮ বার পড়া হয়েছে

নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে নিয়োগ দিতে নির্দেশ হাইকোর্টের

বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১৩তম নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার (১ জুন) বিচারপতি কাশেফা হোসেন ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

গত ২১ নভেম্বর প্রেস ক্লাবে এক মানববন্ধনে নিয়োগবঞ্চিতরা বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিও শূন্যপদে নিয়োগের জন্য এনটিআরসিএ ২০১৬ সালে ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। নিবন্ধন পরীক্ষায় তিন ধাপে প্রিলিমিনারি, রিটেন ও ভাইভা শেষে চূড়ান্তভাবে মোট ১৭ হাজার ২৫৪ জন উত্তীর্ণ হলেও এনটিআরসিএ তাদের সবাইকে নিয়োগ দেয়নি।

তারা বলেন, নিয়োগ না পেয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে একাংশ (২ হাজার ২০৭ জন) হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। তাদের রিটের বিপরীতে হাইকোর্ট ডিভিশন নিবন্ধিতদের নিয়োগের পক্ষে রায় দিলে তারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়। কিন্তু যারা রিট করেননি তারা নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। আমাদের বঞ্চিত করে আমাদের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে নিয়োগ দিতে নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট সময় : ০৩:০১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুন ২০২২

১৩তম নিবন্ধনধারী ২৫০০ জনকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার (১ জুন) বিচারপতি কাশেফা হোসেন ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

গত ২১ নভেম্বর প্রেস ক্লাবে এক মানববন্ধনে নিয়োগবঞ্চিতরা বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিও শূন্যপদে নিয়োগের জন্য এনটিআরসিএ ২০১৬ সালে ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। নিবন্ধন পরীক্ষায় তিন ধাপে প্রিলিমিনারি, রিটেন ও ভাইভা শেষে চূড়ান্তভাবে মোট ১৭ হাজার ২৫৪ জন উত্তীর্ণ হলেও এনটিআরসিএ তাদের সবাইকে নিয়োগ দেয়নি।

তারা বলেন, নিয়োগ না পেয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে একাংশ (২ হাজার ২০৭ জন) হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। তাদের রিটের বিপরীতে হাইকোর্ট ডিভিশন নিবন্ধিতদের নিয়োগের পক্ষে রায় দিলে তারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়। কিন্তু যারা রিট করেননি তারা নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। আমাদের বঞ্চিত করে আমাদের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।