ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নৃত্যশিল্পী গোলাম মোস্তফা খান আর নেই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২ ৫২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী, নৃত্য প্রশিক্ষক, গোলাম মোস্তফা খান আর নেই। রোববার (১৩ই নভেম্বর) রাত ৮টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

নৃত্যব্যক্তিত্ব গোলাম মোস্তফা খান দীর্ঘদিন ধরেই নিউমোনিয়াসহ শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, গত ২৮ অক্টোবর তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়েসহ অসংখ্য ভক্ত রেখে গেছেন।

১৯৮০ সালে এই গুণী ব্যক্তিত্বের হাত ধরেই প্রতিষ্ঠা পায় দেশের অন্যতম নৃত্যচর্চার প্রতিষ্ঠান ‘বেণুকা ললিতকলা কেন্দ্র’। নৃত্যশিল্পে বিশেষ অবদান রাখার জন্য এই গুণী ব্যক্তিত্ব ২০২০ সালে একুশে পদক, ২০১৬ সালে শিল্পকলা একাডেমির পদক লাভ করেছিলেন।

নৃত্যব্যক্তিত্ব গোলাম মোস্তফা খান এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। শোকবার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

তিনি তাঁর সৃজনশীল কর্মের মাধ্যমে নৃত্যপ্রেমী বাঙালির হৃদয়ে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবেন।

গোলাম মোস্তফা খান ২০২০ সালে একুশে পদক, ২০১৬ সালে শিল্পকলা একাডেমির পদক পেয়েছেন। এ ছাড়া নৃত্যে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার পেয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

নৃত্যশিল্পী গোলাম মোস্তফা খান আর নেই

আপডেট সময় : ১২:২৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২

একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী, নৃত্য প্রশিক্ষক, গোলাম মোস্তফা খান আর নেই। রোববার (১৩ই নভেম্বর) রাত ৮টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

নৃত্যব্যক্তিত্ব গোলাম মোস্তফা খান দীর্ঘদিন ধরেই নিউমোনিয়াসহ শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, গত ২৮ অক্টোবর তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়েসহ অসংখ্য ভক্ত রেখে গেছেন।

১৯৮০ সালে এই গুণী ব্যক্তিত্বের হাত ধরেই প্রতিষ্ঠা পায় দেশের অন্যতম নৃত্যচর্চার প্রতিষ্ঠান ‘বেণুকা ললিতকলা কেন্দ্র’। নৃত্যশিল্পে বিশেষ অবদান রাখার জন্য এই গুণী ব্যক্তিত্ব ২০২০ সালে একুশে পদক, ২০১৬ সালে শিল্পকলা একাডেমির পদক লাভ করেছিলেন।

নৃত্যব্যক্তিত্ব গোলাম মোস্তফা খান এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। শোকবার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

তিনি তাঁর সৃজনশীল কর্মের মাধ্যমে নৃত্যপ্রেমী বাঙালির হৃদয়ে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবেন।

গোলাম মোস্তফা খান ২০২০ সালে একুশে পদক, ২০১৬ সালে শিল্পকলা একাডেমির পদক পেয়েছেন। এ ছাড়া নৃত্যে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার পেয়েছেন।