মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে মন্দিরগামীদের নিয়ে নৌকাডুবি, ২৪ জনের লাশ উদ্ধার, অনেকেই নিখোঁজ ডিএনসিসি মেয়র, ওয়াসা এমডিকে কারাগারে পাঠাতে চান নদী কমিশন চেয়ারম্যান নতুন মূল্য নির্ধারণ: পাম অয়েলে কমলো ১২ টাকা, চিনিতে ৬ টাকা বেনজীরের বিদায়, পুলিশের নতুন আইজি মামুন, র‌্যাবের ডিজি খুরশীদ ডলারে অতিরিক্ত মুনাফার অভিযোগ থেকে মুক্ত ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি কর্তারা শত অনিয়মের আখড়া ছিল ই-ভ্যালি, ছিলনা আয়-ব্যয়ের হিসাব ১৬ কোটি মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতা সাফজয়ী অধিনায়ক সাবিনার ল্যাব থাকলেও টেস্ট ছাড়াই হালাল সনদ দেয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ও সোনার বাংলা ক্যাপিটাল’র আমানত-দায় শেয়ারে রূপান্তর, চুক্তি সকল শক্তি দিয়েও নদী দখলকারীদের উচ্ছেদ করা যাচ্ছেনা: টুকু হংকংকে হারিয়ে সুপার ফোর নিশ্চিত করল ভারত প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা ষড়যন্ত্রে সরকারি দলের লোকজন জড়িত হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন খালেদা জিয়া বিএনপি-জামাতের সম্পর্ক ভেতরে অটুট: কাদের দেশে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

নৌকা চালিয়ে জীবন কাটছে শিশু মুনিরার

পিরোজপুর সংবাদদাতা
আপডেট : আগস্ট ২২, ২০২২
নৌকা চালিয়ে জীবন কাটছে শিশু মুনিরার

শক্ত কাঠের বৈঠাতে ভর করে জীবনের হাল ধরেছে ১২ বছরের মুনিরা। শারীরিক সমস্যার কারণে তার বাবা উপার্জনের সামর্থ্য হারিয়ে ফেলায় শৈশবেই সংসারের হাল ধরতে হয়েছে তাকে। তবে শত প্রতিকূলতার মাঝেও পড়াশুনা ছাড়েনি সে। তার স্বপ্ন একদিন বড় চাকরি করবে, দাঁড়াবে অবহেলিত মানুষের পাশে। লড়াকু এই শিশুর পড়ালেখা যেন অব্যাহত থাকে, সেজন্য সবার সহযোগিতা চাইলেন তার বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

হাফসা আকতার মুনিরা। পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলার চরবাসরী গ্রামের মনির হোসেনের একমাত্র কন্যা। বয়স মাত্র ১২ পেরিয়েছে। বাবা ছিলেন খেয়া পারাপারের মাঝি। দেড় বছর আগে মনির হোসেনের চোখে সমস্যা দেখা দিলে বন্ধ হয়ে যায় আয় রোজগার। নিরুপায় মুনিরা বাধ্য হয় সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিতে। নরম হাতে তুলে নেয় শক্ত কাঠের বৈঠা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যাত্রী নিয়ে ছুটে চলে নদীর এপার ওপার।

তবে শত কষ্টের মাঝেও পড়াশোনা ছাড়েনি মুনিরা। সংসারের জন্য উপার্জন করা থেকে শুরু করে ঘরের কাজ সামলানো, সব করতে গিয়ে পড়ালেখা বন্ধ হওয়ার কথা। কিন্তু তা ঘটেনি, তার ইচ্ছা শক্তি স্থানীয়দের নজর কেড়েছে।

প্রাইমারির গণ্ডি পরিয়ে মুনিরা পা রেখেছে মাধ্যমিকে। কাজের মধ্যেই কিছুটা সময় বের করে নেয় পড়াশোনার জন্য।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানালেন, মুনিরা বছরখানেক ধরে বিদ্যালয়ে অনিয়মিত। তবে সবার সহযোগিতা পেলে আবারও নিয়মিত হতে পারবে।

অসহায় মুনিরার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

সকল প্রতিকূলতাকে জয় করে মুনিরা নিয়মিত ক্লাসে ফিরবে, বড় হয়ে পূরণ করবে তার স্বপ্ন, এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ