শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ন্যায়বিচার পাওয়া সাংবিধানিক অধিকার : প্রধান বিচারপতি রাশিয়া ও ইরান একক ব্রিকস মুদ্রা তৈরির কাজ করছে: ইরান নারী স্পিকারদের সম্মেলন বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর অনবদ্য প্লাটফর্ম: স্পিকার নরসিংদীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মা-ছেলেসহ ৪ জনের শেয়ারবাজার ছাড়লেন আরও ২১৮৮ বিনিয়োগকারী জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে কেউ যেন বৈষম্যের শিকার না হন : রাষ্ট্রপতি ফের শাহরুখ খানের দলে সাকিব বিএনপি ভোট বর্জন করে গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে: দুদু সরকারের ধারাবাহিকতার কারণে এতো উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে : কাদের সাতক্ষীরায় ট্রাক উল্টে নিহত দুই টেক্সাসের হাস্টনে শক্তিশালী হারিকেনের আঘাত অর্থপাচার করলে কোন ছাড় নেই: ওবায়দুল কাদের প্রাথমিকে ২৯ শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষক গাজায় দীর্ঘমেয়াদে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হামাস বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া বন্ধ করছে মালয়েশিয়া

পুরোনো জামা-জুতো বিক্রি করেন আম্পায়ার আসাদ (ভিডিও)

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : জুন ২৪, ২০২২
পুরোনো জামা-জুতো বিক্রি করেন আম্পায়ার আসাদ (ভিডিও)

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সাবেক এলিট আম্পায়ার আসাদ রউফ পুরোনো জামা-জুতো বিক্রি করছেন। সম্প্রতি তার জামা-জুতো বিক্রির বেশ কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে বলা হচ্ছে পাকিস্তানের সাবেক এই আম্পায়ার দারিদ্রের কষাঘাতে লাহোরের লিন্ডে বাজারে একটি দোকান খুলেছেন। যেখানে পুরোনো জামা-জুতো বিক্রি করছেন তিনি।

তবে এমন ব্যবসায় গর্বিত আসাদ। অনেক আগে থেকেই তিনি এমন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যম জিও নিউজকে তিনি বলেছেন, ‘আজকাল আমার গল্প এভাবে বলা হচ্ছে যে, আমি খুব খারাপ অবস্থায় আছি এবং দারিদ্রের কারণে আমি লিন্ডে বাজারে কাজ করছি।’

আসাদ বলেন, ‘আমি যখন এলিট আম্পায়ার ছিলাম তখন থেকে এসব এলিট জিনিস বিক্রি করতাম। আম্পায়ারিং ছিল অন্য ব্যাপার। জুতো, কাপড় ও ব্যাগের মতো সেকেন্ড হ্যান্ড জিনিস বিক্রি করি। রান্নাবান্নার জিনিসপত্রও আছে, যেগুলো বড়লোকের বাড়িতেও ব্যবহৃত হয়।’

আসাদ এই ব্যবসা নিয়ে গর্বিত, ‘সেকেন্ড হ্যান্ডের জিনিসপত্রের ব্যবসা নিয়ে আমি অস্বস্তিতে নেই, আমি গর্বিত এমন একটি ব্যবসা করে যেটা আমার পরিবারের কেউ কখনও করেনি বা চিন্তাতেও আনেনি।’

পাকিস্তানের সাবেক এই আম্পায়ার অবশ্য কিছুটা সমস্যার মধ্যে আছেন, ‘৫৭ বছর বয়স পর্যন্ত আমি এলিট আম্পায়ার ছিলাম। কিছু কারণে আমার তার সঙ্গে সম্পর্ক চুকাতে হয়েছিল। আমার ছেলে অসুস্থ, ফিটনেস ইস্যুও আছে, আমার কানে শোনাতেও সমস্যা।’

৮ বছরের আম্পায়ারিং ক্যারিয়ারে ৪৯ টেস্ট, ৯৮ ওয়ানডে ও ২৩ টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ পরিচালনা করেন আসাদ। ২০১৩ সালে আইপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হন তিনি। ২০১৬ সালে তাকে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। আর কখনও আম্পায়ারিং করতে দেখা যায়নি আসাদকে।

https://youtu.be/TJLs_TKNkhM


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ