শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৩৬ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে মরক্কো ২৪ বছর পর গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় বেলজিয়ামের গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে সরকার বেসামাল হয়ে গেছে : রিজভী বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম নির্ধারণ করতে পারবে সরকার আমাদের ও আওয়ামী লীগের মাঝখানে আসবেন না: সালাম ইসলামি ব্যাংক থেকে মালিকপক্ষের ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ পোশাক রপ্তানিতে আবারো দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ ডেঙ্গুতে মৃত্যুহীন দিনে ৩৮০ জন হাসপাতালে ভর্তি আশার আলো দেখাচ্ছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের কথা না ভেবে সরকার বিদেশে অর্থ পাচার করছে: ড. কামাল ডিসেম্বরকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস ঘোষণার দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পুলিশ প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে যা জানালেন বিএনপি নেতারা ডিএমপির ছয় কর্মকর্তা বদলি শুরু হলো সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযান করোনা টিকাদানের বিশেষ কর্মসূচি শুরু

প্রশ্নফাঁস পরিচালকের কক্ষ থেকে, বিক্রি জুয়ার আসরে

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : নভেম্বর ১০, ২০২২
প্রশ্নফাঁস পরিচালকের কক্ষ থেকে, বিক্রি জুয়ার আসরে

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন পরিচালক প্রশাসনের কক্ষ থেকে ফাঁস হয়। এরপর রাজধানীর উত্তরার একটি আবাসিক হোটেলে জুয়ার আসর থেকে বিক্রি করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরিতে মিলেছে প্রশ্ন বিক্রির লেনদেনের তথ্য। গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, ২০২১ সাল থেকে প্রশ্ন বিক্রি করে এ চক্র হাতিয়েছে দেড় কোটি টাকা। প্রশ্নফাঁসে জড়িত বিমানের জিএম- নিরাপত্তা ও জিএম প্রশাসন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১২ পদের নিয়োগ পরীক্ষার আগের দিন বলাকা ভবনে পরিচালক প্রশাসনের কক্ষে পরীক্ষার প্রশ্ন ফটোকপির সময় এমডির অফিস সহকারী জাহিদ হাসান প্রশ্নের ছবি তুলে নেয়।

সেদিন অফিস না থাকলেও বিমান বাংলাদেশের অফিসে ঢুকতে দেখা যায় গাড়ি চালক জাহাঙ্গীরকে। পরে তিনি জাহিদের কাছ থেকে প্রশ্ন নিয়ে বের হন। আরেক গাড়ি চালক মাসুদের সাথে মোটর সাইকেলে প্রশ্ন নিয়ে যান একটি হোটেলে। সেখানে জুয়ার আসর থেকেই তা বিলি করা হয়।

জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে উদ্ধার ডায়েরি পৃষ্ঠায় নিয়োগপ্রত্যাশীদের নাম ও তাদের কাছ থেকে নেয়া টাকার পরিমাণ জানা গেছে। ২০২১ সাল থেকে তিনবার প্রায় ৮৬ জনের কাছ থেকে টাকা নেয়া ছাড়াও রয়েছে ভাগাভাগির তথ্য।

ডিএমপি গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, অনেকগুলো এমন সরকারি কর্মচারি যারা কিনা চাকরি ফাঁকি দিয়ে জুয়া খেলতে যায় এবং জুয়ার টাকার জন্যই তারা এরকম প্রশ্নফাঁস ও নানা রকম জালিয়াতির কাজগুলো করে থাকে বলে তারা আমাদের কাছে ও বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তি প্রদান করেছে।

গোয়েন্দারা জানান, মাসুদ ও জাহাঙ্গীর বিমানের জিএম- নিরাপত্তার গাড়ী চালক। প্রশ্নফাঁসে জড়িত ওই কর্মকর্তাও। দায়িত্বে অবহেলা আছে জিএম- প্রসাশনের।

ডিএমপি গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, অবহেলার অভিযোগ আসছে। কারো ক্ষেত্রে ১৬৪ এ সরাসরি প্রশ্ন বিতরণ করার অভিযোগ আসছে। আমি মনে করি এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি বিমানের এমডি।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) যাহিদ হোসেন বলেন, আমরা তদন্তে সহায়তা করছি। ফৌজদারি তদন্ত চলছে। তদন্ত চলাকালে আমরা আসলে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।

ঘটনা তদন্তে গোয়েন্দা পুলিশের পাশপাশি মন্ত্রণালয় ও বিমানের পক্ষ থেকেও দুটি আলাদা কমিটি করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ