শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাঙালির সব অর্জন আ. লীগের হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী সত্য তথ্য দিয়ে ভুল তথ্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চাই : তথ্যপ্রতিমন্ত্রী বিএনপি ধপাস করে পড়ে গেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলছেনা ভারত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট থেকেও সরে দাঁড়ালেন সাকিব দেশে অনেক ছোট দল আছে, বিএনপি তেমন একটি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফের জামিন মঞ্জুর, মুক্তিতে বাধা নেই দখলদার সরকার ঐতিহ্যগতভাবেই জনগণকে শত্রুপক্ষ ভাবে: রিজভী আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি হাফেজ ৫ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীকে ৬ মাসের মধ্যে অবসর সুবিধা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন পোশাক রপ্তানির লক্ষ্য অর্জন নিয়ে শঙ্কা দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে আ. লীগ: প্রধানমন্ত্রী যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত জি কে শামীমের জামিন দারুণ জয়ে মৌসুম শুরু ইন্টার মায়ামির

ফ্রান্সে নির্বাচনে ডানপন্থী নেত্রীর চ্যালেঞ্জের মুখে ম্যাক্রোঁ

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : এপ্রিল ১০, ২০২২
ফ্রান্সে নির্বাচনে ডানপন্থী নেত্রীর চ্যালেঞ্জের মুখে ম্যাক্রোঁ

ফ্রান্সে চলছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। রোববার এই নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো প্রার্থী হয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডানপন্থী নেত্রী মেরি লে পেন।

প্রথম দফার নির্বাচনে জয়ী দুই প্রার্থী আগামী ২৪ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে অংশ নেবেন। ২০১৭ সালেও একই পদ্ধতিতে ভোট হয়েছিল এবং সেবার বিশাল জয় ছিনিয়ে আনেন ম্যাক্রোঁ। দেশটির ৪ কোটি ৮৭ লাখ মানুষ ভোটে অংশ নিচ্ছেন।

স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোটকেন্দ্র খোলা থাকবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ফ্রান্সের বিদেশী অঞ্চলগুলোতে সময়ের পার্থক্যের কারণে শনিবার ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।

ফরাসি ভোটাররা একটি রাষ্ট্রপতি পদের প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ডে তাদের ভোট দিচ্ছেন যা একটি ক্লিফহ্যাঙ্গার হয়ে উঠতে পারে।

এদিকে,এবারের ভোটে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে লড়াই হচ্ছে ডানপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী মেরি লে পেন, যিনি এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক চমক দেখিয়েছেন।

৪ কোটি ৮৭ লাখ মানুষ ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে রানিং মেট হিসেবে কোন দুই জনকে বেঁছে নেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

কিন্তু ভোট শুরু হওয়ার চার ঘণ্টা পরেও, মাত্র এক চতুর্থাংশ ভোটার উপস্থিত হয়েছে- যা গত ২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

ফ্রান্সের এবারের নির্বাচন প্রক্রিয়াটি প্রথমে কোভিড-১৯ মহামারী এবং তারপরে রাশিয়ার আক্রমণ দ্বারা আচ্ছন্ন হয়েছে। ইউক্রেনের যুদ্ধে ইউরোপের প্রতিক্রিয়ার পরিবর্তে প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে অল্প সময়ই ব্যয় করতে পেরেছেন প্রার্থীরা।

যাইহোক, অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে একটা ইস্যুই এবারের নির্বাচনে প্রাধান্য পেয়েছে, আর তা হলো- জ্বালানি বিল এবং কেনাকাটার ঝুড়িতে জীবনযাত্রার সর্পিল খরচ।

ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ২০১৭ সালে যখন একটি নতুন দলের হয়ে ক্ষমতায় আসেন, তখন পুরানো সবাইকে ছেঁটে ফেলে দিয়েছিলেন এবং যার ফলে দুটি বড় দল এখনও তাদের ক্ষত শুকিয়ে চলেছে।

সমাজতান্ত্রিক প্রার্থী অ্যান হিডালগোও এবার লড়াই করেছেন। অন্যদিকে ভ্যালেরি পেক্রেস রিপাবলিকানদের সমর্থন আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

এখন, ম্যাক্রোঁর কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো ডানপন্থি নেত্রী লে পেনকে সামলানো এবং থামাতে হবে বামপন্থি জিন-লুক মেলেনচনকেও।

তবে, কেউ কেউ ভবিষ্যদ্বাণী করছেন, এবারের নির্বাচনে হারতে পারেন ৪৪ বছর বয়সী এই ফরাসি প্রেসিডেন্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ