ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্লাইটে ঘুষিতে সহযাত্রীর মাথা ফাটালেন টাইসন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৪:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ এপ্রিল ২০২২ ১১৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা হেভিওয়েট বক্সার মাইক টাইসন আনুষ্ঠানিকভাবে পেশাদার বক্সিং ছেড়েছেন সেই ১৭ বছর আগে। কিন্তু মাইক টাইসন মানেই আকর্ষণ আর নতুন নতুন খবর। আরও একবার গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। তবে যে কারণে খবরের শিরোনাম হয়েছেন, তাতে অবশ্য গর্বের চেয়ে গ্লানিই বেশি। ঘটনাটি গত বুধবারের (২০ এপ্রিল)।

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে ফ্লোরিডায় যাচ্ছিলেন টাইসন। সেখানেই এক অতি উৎসাহি ভক্ত তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। সেই ঘটনাই শেষমেশ হাতাহাতিতে গিয়ে থামে। প্রথমে মাইক তার অনুরাগীর সঙ্গে বেশ ভালভাবেই কথা বলছিলেন। তবে তারপর নাগাড়ে মাইকের সঙ্গে কথা বলে যাওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ায় প্রথমে ৫৫ বছর বয়সি বক্সার তাকে চুপ করতে বলেন। কিন্তু সেই অনুরাগী মাইকের কথা শোনেননি। এরপরেই ক্ষেপে যান কিংবদন্তি বক্সার।

টাইসনের পেছনে কেবিনেই বসেছিলেন সেই ভক্ত। পেছন থেকেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জ্বালাতন করতে থাকেন টাইসনকে। অনেক্ষণ ধরে সহ্য করেন তার জ্বালাতন, এরপর আর পারলেন না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, পেশাদার ক্যারিয়ারে যেভাবে প্রতিপক্ষকে ঘুষির পর ঘুষি মেরে নকআউট করতেন, ঠিক একইভাবে সেই সহযাত্রীকে পেটাচ্ছেন টাইসন! ততক্ষণে সেই সহযাত্রীর বোঝা হয়ে গিয়েছে টাইসনের সঙ্গে যা ইচ্ছা তা-ই করে পার পাওয়া যাবে না!

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, টাইসনের দেখা পেয়ে আপ্লুত সেই সহযাত্রীর সঙ্গে শুরুতে বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণই করেছিলেন টাইসন। কিন্তু পরে সেই মাতাল যাত্রী একের পর এক কাণ্ড ঘটিয়ে উত্ত্যক্ত করে যাচ্ছিলেন টাইসনকে। ব্যস, আর সহ্য হয়নি সাবেক হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়নের। ইচ্ছেমতো পিটিয়েছেন। পরে উড়োজাহাজ ফ্লোরিডায় পৌঁছালে সেই যাত্রীকে চিকিৎসা দেয়া হয়।

টাইসন নিজে এ ব্যাপারে কিছু না বললেও তার মুখপাত্র আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি জানান, সেই ভক্ত টাইসনের দিকে পানির বোতলও ছুঁড়ে মেরেছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজ ফ্লাইটে মাইক টাইসনের সঙ্গে এক অভব্য ভক্তের সংঘর্ষ হয়, যিনি ক্রমাগত বিরক্ত করছিলেন টাইসনকে। পানির বোতলও ছুড়েছেন। সেই ভক্তের এমন কাজ করার আগে দুবার চিন্তা করা উচিত ছিল যে একজন সেলিব্রিটির সঙ্গে কীভাবে ব্যবহার করা উচিত।’

নিউজটি শেয়ার করুন

ফ্লাইটে ঘুষিতে সহযাত্রীর মাথা ফাটালেন টাইসন

আপডেট সময় : ০৪:৩৪:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ এপ্রিল ২০২২

বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা হেভিওয়েট বক্সার মাইক টাইসন আনুষ্ঠানিকভাবে পেশাদার বক্সিং ছেড়েছেন সেই ১৭ বছর আগে। কিন্তু মাইক টাইসন মানেই আকর্ষণ আর নতুন নতুন খবর। আরও একবার গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। তবে যে কারণে খবরের শিরোনাম হয়েছেন, তাতে অবশ্য গর্বের চেয়ে গ্লানিই বেশি। ঘটনাটি গত বুধবারের (২০ এপ্রিল)।

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে ফ্লোরিডায় যাচ্ছিলেন টাইসন। সেখানেই এক অতি উৎসাহি ভক্ত তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। সেই ঘটনাই শেষমেশ হাতাহাতিতে গিয়ে থামে। প্রথমে মাইক তার অনুরাগীর সঙ্গে বেশ ভালভাবেই কথা বলছিলেন। তবে তারপর নাগাড়ে মাইকের সঙ্গে কথা বলে যাওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ায় প্রথমে ৫৫ বছর বয়সি বক্সার তাকে চুপ করতে বলেন। কিন্তু সেই অনুরাগী মাইকের কথা শোনেননি। এরপরেই ক্ষেপে যান কিংবদন্তি বক্সার।

টাইসনের পেছনে কেবিনেই বসেছিলেন সেই ভক্ত। পেছন থেকেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জ্বালাতন করতে থাকেন টাইসনকে। অনেক্ষণ ধরে সহ্য করেন তার জ্বালাতন, এরপর আর পারলেন না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, পেশাদার ক্যারিয়ারে যেভাবে প্রতিপক্ষকে ঘুষির পর ঘুষি মেরে নকআউট করতেন, ঠিক একইভাবে সেই সহযাত্রীকে পেটাচ্ছেন টাইসন! ততক্ষণে সেই সহযাত্রীর বোঝা হয়ে গিয়েছে টাইসনের সঙ্গে যা ইচ্ছা তা-ই করে পার পাওয়া যাবে না!

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, টাইসনের দেখা পেয়ে আপ্লুত সেই সহযাত্রীর সঙ্গে শুরুতে বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণই করেছিলেন টাইসন। কিন্তু পরে সেই মাতাল যাত্রী একের পর এক কাণ্ড ঘটিয়ে উত্ত্যক্ত করে যাচ্ছিলেন টাইসনকে। ব্যস, আর সহ্য হয়নি সাবেক হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়নের। ইচ্ছেমতো পিটিয়েছেন। পরে উড়োজাহাজ ফ্লোরিডায় পৌঁছালে সেই যাত্রীকে চিকিৎসা দেয়া হয়।

টাইসন নিজে এ ব্যাপারে কিছু না বললেও তার মুখপাত্র আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি জানান, সেই ভক্ত টাইসনের দিকে পানির বোতলও ছুঁড়ে মেরেছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজ ফ্লাইটে মাইক টাইসনের সঙ্গে এক অভব্য ভক্তের সংঘর্ষ হয়, যিনি ক্রমাগত বিরক্ত করছিলেন টাইসনকে। পানির বোতলও ছুড়েছেন। সেই ভক্তের এমন কাজ করার আগে দুবার চিন্তা করা উচিত ছিল যে একজন সেলিব্রিটির সঙ্গে কীভাবে ব্যবহার করা উচিত।’