শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাঙালির সব অর্জন আ. লীগের হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী সত্য তথ্য দিয়ে ভুল তথ্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চাই : তথ্যপ্রতিমন্ত্রী বিএনপি ধপাস করে পড়ে গেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলছেনা ভারত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট থেকেও সরে দাঁড়ালেন সাকিব দেশে অনেক ছোট দল আছে, বিএনপি তেমন একটি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফের জামিন মঞ্জুর, মুক্তিতে বাধা নেই দখলদার সরকার ঐতিহ্যগতভাবেই জনগণকে শত্রুপক্ষ ভাবে: রিজভী আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি হাফেজ ৫ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীকে ৬ মাসের মধ্যে অবসর সুবিধা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন পোশাক রপ্তানির লক্ষ্য অর্জন নিয়ে শঙ্কা দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে আ. লীগ: প্রধানমন্ত্রী যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত জি কে শামীমের জামিন দারুণ জয়ে মৌসুম শুরু ইন্টার মায়ামির

বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : মে ১৪, ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইতিহাস থেকে বারবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে এবং এভাবে জাতি ১৯৭৫ সালের পরের প্রকৃত ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এখন তা আর পারবেনা কারণ নতুন প্রজন্ম ইতিহাস সম্পর্কে অনেক সচেতন।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শনিবার বিকেলে ধানমন্ডি-৩২-এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট লাইব্রেরির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা যৌথভাবে লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন। পরে, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি কে এম সাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের লাইব্রেরি নতুন প্রজন্মকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রকৃত ইতিহাস এবং দেশ সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা ১৯৭৫ সালের পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে জাতির পিতার খুনিদের বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ প্রত্যাহার করে খুনিদের বিচারের মাধ্যমে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর একমাত্র লক্ষ্য জাতির পিতার স্বপ্নের সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলে মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।

এ সময় বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ