মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ৫৪,৩০৪ শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি, আবেদনের সময় ৪ থেকে ৩০ এপ্রিল আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগে দুর্নীতি, ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোদির বিরুদ্ধে কমিশনের নালিশ মমতার বৃষ্টি-শিলাবৃষ্টিও হতে পারে দেশের বিভিন্ন এলাকায় হেফাজতের কর্মসূচিতে সমর্থন দিলেও ইন্ধন দেওয়ার কথা অস্বীকার ফখরুলের ইউরোপের মতো ভারতফেরৎ যাত্রীদেরও ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন করোনা: ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৫,০৪২, মৃত্যু ৪৫ দেশে ১৪ প্রতিষ্ঠান মোবাইল সেট উৎপাদন করছে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী তরঙ্গ পরিবর্তনে ২ দিন বিঘ্নিত হবে মোবাইল ফোন সেবা উত্তরায় শ্রীলঙ্কান নাগরিকের বিরুদ্ধে গৃহকর্মী ধর্ষণের অভিযোগ বাংলাদেশ সেকেন্ড হোম, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মায়ের মতো’: লোটে শেরিং এবারের স্বাধীনতা পুরস্কার বিতরণ ১১ এপ্রিল বাংলাদেশ-ভুটান বৈঠকে বাণিজ্য-যোগাযোগে গুরুত্ব গণহত্যা দিবস ‍উপলক্ষে ২৫ মার্চ সারাদেশে ১ মিনিটের ব্ল্যাক আউট নগরজুড়ে তিনদিন গ্যাসের সংকট, চরম দুর্ভোগে নগরবাসী মাসজুড়ে তাপপ্রবাহ-কালবৈশাখীর আভাস আবহাওয়া দপ্তরের দক্ষিণখানে গুলিতে ব্যবসায়ী নিহত, ৬ জন গ্রেফতার ১৩৮ প্রবাসী কর্মীর পরিবার পেল ৪ কোটি টাকার বঙ্গবন্ধু অভিবাসী ঋণ পরকীয়া প্রেমিককে হত্যায় প্রেমিকাসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি: বিএনপির ৩০ মার্চ পর্যন্ত সুবর্ণজয়ন্তীর সব কর্মসূচি স্থগিত

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল: কৃষিমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম : / ১০৯ জন দেখেছেন
আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ০৪:৫০ অপরাহ্ন

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল, ভাস্কর্য ভাঙ্গার সঙ্গে জড়িতদের প্রচলিত আইনে বিচার করা হবে।
তিনি বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী তাদের এই কাজ রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। এই আইনেই তাদের বিচার হবে। তাদেরকে অবশ্যই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।’
কৃষিমন্ত্রী শুক্রবার টাঙ্গাইলের পৌর পার্কে টাঙ্গাইল পৌরসভা আয়োজিত টাঙ্গাইল হানাদারমুক্ত দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরে বিএনপি জড়িত ও তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি এদের সাথে জোট করে ক্ষমতায় এসেছিল। ভাঙচুরে অবশ্যই তাদের যোগসাজশ আছে। কিন্তু বিচার করতে গেলে প্রমাণ লাগে। প্রমাণসাপেক্ষে অবশ্যই তাদের বিচার হবে। তারা যদি অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করে থাকে অবশ্যই তাদের বিচার করা হবে। যারা যারা অপরাধ করেছে তারা কেউই রেহাই পাবেন না বলেও জানান তিনি।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে ৯মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে যেভাবে পাকিস্তানী ও তাদের দোসরদের পরাজিত করা হয়েছে, তেমনিভাবে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতাকারীদের পরাজিত করা হবে বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে যেমন ধ্বংস করা যাবে না তেমনি কেউ যদি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা করে বা ভাঙে তাহলে তাদেরকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মতো মোকাবেলা করে আবারও পরাজিত করা হবে। তাদেরকে আবার জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
ড. রাজ্জাক বলেন, ‘যেভাবে পাকিস্তানী ও দোসরদের পরাজিত করা হয়েছে, তারা আমাদের পায়ের নিচে অস্ত্র সমর্পণ করেছে, আজকে যারা মনে করছে এ দেশকে পাকিস্তানের ধারায় ফিরিয়ে নিয়ে যাবে, তালেবানীয় আফগানিস্তান বানাবে, ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাবার স্বপ্ন দেখে, তাদেরকে একাত্তরের মতো আবারও পরাজিত করা হবে’।
ড. রাজ্জাক আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু এ দেশটিকে শুধু স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে চাননি, বরং দেশটিকে তিনি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ সবদিক দিয়ে স্বাধীন করতে চেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং ন্যায়-সমতার ভিত্তিতে একটি অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী পরাজিত শক্তি দেশীয়-আন্তর্জাতিক ঘাতকচক্র ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। তারপর থেকে ২১ বছর ধরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করেছে। যার ধারাবাহিকতা হলো বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা ও ভাঙচুর।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ভাস্কর্য ও মূর্তি এক নয়। ভাস্কর্যের একটা নান্দনিক দিক রয়েছে, এটি একটি শিল্প। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে করে তাঁর আদর্শ ও চেতনাকে এ দেশের ভবিষ্যত বা আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা যায়, জাগরূক রাখা যায়। ভাস্কর্য হচ্ছে স্মৃতিচিহ্ন বা স্মারক। এর মাধ্যমে ভবিষ্যত প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হবে এবং মানবপ্রেমে ও মানবসেবায় ব্রতী হবে।
আজ টাঙ্গাইল হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বরে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে টাঙ্গাইলকে মুক্ত করে। ১১ ডিসেম্বর সকালে বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বর্তমানে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি বিরাট বাহিনী নিয়ে টাঙ্গাইল পুরোনো শহরে প্রবেশ করেন এবং থানা চত্বরে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।
টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরনের সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন ও তানভীর হাসান ছোটমনির প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ