ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের স্বার্থরক্ষায় সহযোগিতায় আগ্রহী বিজিএমইএ-ডব্লিউআরএপি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৫৩ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: বিজিএমইএ এবং ওয়ার্ল্ডওয়াইড রেসপনসিবল অ্যাক্রেডেটেড প্রোডাকশনের (ডব্লিউআরএপি) বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রদান করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি’তে সম্প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান ও ডব্লিউআরএপি সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী আবেদিস সেফেরিয়ানের মধ্যে এক বৈঠকে এ আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

এ সময় বিজিএমইএ সহ-সভাপতি মিরান আলী এবং ডব্লিউআরএপি-এর কমপ্লায়েন্স অ্যাসুরেন্স এর জেষ্ঠ্য পরিচালক হং মেই এবং কমপ্লায়েন্স প্রশাসনের পরিচালক সৃষ্টি শর্মা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও ভাইস প্রসিডেন্ট (ষ্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট) মার্ক জেগার এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট (প্রশাসন)আইমি ডোব্রজেনিয়েকি  ভার্চ্যুয়ালী আলোচনায় যুক্ত হন।

বিজিএমইএ সভাপতি উত্তর আমেরিকাসহ পশ্চিমা বিশ্বে বাংলাদেশের ব্যবসা সম্প্রসারনের বিষয়ে আলোচনা করেন বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

সভায় বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের স্বার্থে বিজিএমইএ ও ডব্লিউআরএপি কিভাবে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রদান করতে পারে ও ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠান দুটি কোন কোন ক্ষেত্রে যুক্ত হতে পারে, সেগুলো নিয়েও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য সার্টিফিকেশন’কে আরও সহজতর করতে এবং বিশ্বে পোশাক সোর্সিংয়ের নিরপদ ও অনুকূল উৎস হিসেবেবাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধির জন্য কিভাবে আরও সহযোগিতামূলক ও সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহন করা যেতে পারে, সে বিষয়েও তারা আলোচনা করেন।

ফারুক হাসান কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, সামাজিক ও পরিবেশগত টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন ও শ্রমিকদের কল্যানে পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য বৈশ্বিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। হংকংভিত্তিক সাপাøই চেইন কমপ্লায়েন্স সল্যুশনস প্রোভাইডার, তার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইথিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারিং দেশ হিসেবে স্থান দিয়েছে।

প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যবিধি, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, শ্রমিক প্রতিনিধিত্ব, শৃঙ্খলাজনিত অনুশীলন এবং বৈষম্য, কাজের সময় এবং মজুরিসহ কমপ্লায়েন্স ও ইথিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারিংএর বিষয়গুলো অন্তর্ভূক্ত ছিলো।

নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য আরও গর্বের বিষয় হলো, সর্বোচ্চ সংখ্যক গ্রীন পোশাক কারখানার অবস্থান এদেশেই। বাংলাদেশের ১৪৫টি পোশাক কারখানা লীড (লিডারশীপ ইন এনার্জি এন্ড এনভাইরনমেন্টাল ডিজাইন) সনদপ্রাপ্ত। এগুলোর মধ্যে ৪২টি লীড প্লাটিনাম-রেটেড, ৯১টি লীড গোল্ড-রেটেড। ৫০০ টিরও অধিক কারখানার সনদ পাওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ফারুক হাসান বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ইতিবাচক চিত্র আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরতে ডব্লিউআরএপি এর সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী আবেদিস সেফেরিয়ানের সহযোগিতা ও সমর্থন চেয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের স্বার্থরক্ষায় সহযোগিতায় আগ্রহী বিজিএমইএ-ডব্লিউআরএপি

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: বিজিএমইএ এবং ওয়ার্ল্ডওয়াইড রেসপনসিবল অ্যাক্রেডেটেড প্রোডাকশনের (ডব্লিউআরএপি) বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রদান করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি’তে সম্প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান ও ডব্লিউআরএপি সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী আবেদিস সেফেরিয়ানের মধ্যে এক বৈঠকে এ আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

এ সময় বিজিএমইএ সহ-সভাপতি মিরান আলী এবং ডব্লিউআরএপি-এর কমপ্লায়েন্স অ্যাসুরেন্স এর জেষ্ঠ্য পরিচালক হং মেই এবং কমপ্লায়েন্স প্রশাসনের পরিচালক সৃষ্টি শর্মা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও ভাইস প্রসিডেন্ট (ষ্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট) মার্ক জেগার এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট (প্রশাসন)আইমি ডোব্রজেনিয়েকি  ভার্চ্যুয়ালী আলোচনায় যুক্ত হন।

বিজিএমইএ সভাপতি উত্তর আমেরিকাসহ পশ্চিমা বিশ্বে বাংলাদেশের ব্যবসা সম্প্রসারনের বিষয়ে আলোচনা করেন বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

সভায় বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের স্বার্থে বিজিএমইএ ও ডব্লিউআরএপি কিভাবে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রদান করতে পারে ও ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠান দুটি কোন কোন ক্ষেত্রে যুক্ত হতে পারে, সেগুলো নিয়েও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য সার্টিফিকেশন’কে আরও সহজতর করতে এবং বিশ্বে পোশাক সোর্সিংয়ের নিরপদ ও অনুকূল উৎস হিসেবেবাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধির জন্য কিভাবে আরও সহযোগিতামূলক ও সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহন করা যেতে পারে, সে বিষয়েও তারা আলোচনা করেন।

ফারুক হাসান কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, সামাজিক ও পরিবেশগত টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন ও শ্রমিকদের কল্যানে পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য বৈশ্বিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। হংকংভিত্তিক সাপাøই চেইন কমপ্লায়েন্স সল্যুশনস প্রোভাইডার, তার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইথিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারিং দেশ হিসেবে স্থান দিয়েছে।

প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যবিধি, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, শ্রমিক প্রতিনিধিত্ব, শৃঙ্খলাজনিত অনুশীলন এবং বৈষম্য, কাজের সময় এবং মজুরিসহ কমপ্লায়েন্স ও ইথিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারিংএর বিষয়গুলো অন্তর্ভূক্ত ছিলো।

নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য আরও গর্বের বিষয় হলো, সর্বোচ্চ সংখ্যক গ্রীন পোশাক কারখানার অবস্থান এদেশেই। বাংলাদেশের ১৪৫টি পোশাক কারখানা লীড (লিডারশীপ ইন এনার্জি এন্ড এনভাইরনমেন্টাল ডিজাইন) সনদপ্রাপ্ত। এগুলোর মধ্যে ৪২টি লীড প্লাটিনাম-রেটেড, ৯১টি লীড গোল্ড-রেটেড। ৫০০ টিরও অধিক কারখানার সনদ পাওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ফারুক হাসান বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ইতিবাচক চিত্র আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরতে ডব্লিউআরএপি এর সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী আবেদিস সেফেরিয়ানের সহযোগিতা ও সমর্থন চেয়েছেন।