ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের ২০১৮ সালের নির্বাচন বিতর্কিত: মার্কিন রিপোর্ট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ এপ্রিল ২০২২ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

Perlament Vote

বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশে গত ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ। দেশের নিরাপত্তা বাহিনী একাধিক গুমের সঙ্গে জড়িত। মার্কিন মানবাধিকার রিপোর্ট ২০২১ এ এমন পর্যবেক্ষণ উঠে আসে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চরমভাবে লঙ্ঘিত। গণমাধ্যমও তাদের কাজ ঠিকভাবে করতে পারছে না। সাংবাদিকদের অযৌক্তিকভাবে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীকে বিভিন্ন সময় অবৈধ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। বলা হয়, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যাকান্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশে দুর্নীতি করলে দায়মুক্তি দেয়া হয়।

বিশ্বের ১৯০টি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের তৈরি করা বাৎসরিক রিপোর্টে এ দাবি করা হয়েছে। ২০২১ সালের বৈশ্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতির মূল্যায়নে তৈরি হয়েছে ‘২০২১: কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্যাকটিসেস’।

মার্কিন রিপোর্টের সামারিতে ক্যাটাগরিক্যালি মানবাধিকার লঙ্ঘনের কিছু অভিযোগ তোলা হয়। দাবি করা হয়, উত্থাপিত কিছু অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে। যার মধ্যে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, সরকারি এজেন্টদের দ্বারা নিষ্ঠুর এবং অবমাননাকর আচরণ, নির্যাতন, মামলা, প্রাণনাশের হুমকি, নির্বিচারে আটক, রাজনৈতিক কারণে বন্দি করা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিশোধ, বিচার বিভাগকে চাপে রাখা, স্বেচ্ছাচারী বা বেআইনি হস্তক্ষেপ, একজনের অপরাধে পরিবারের অন্য সদস্যকে হয়রানী, সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, অযৌক্তিক গ্রেপ্তার, সেন্সরশিপ আরোপসহ মতপ্রকাশ এবং মিডিয়ার উপর গুরুতর বিধিনিষেধ, ইন্টারনেট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা খর্ব করার চেষ্টা উল্লেখযোগ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের ২০১৮ সালের নির্বাচন বিতর্কিত: মার্কিন রিপোর্ট

আপডেট সময় : ০২:০৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ এপ্রিল ২০২২

বাংলাদেশে গত ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ। দেশের নিরাপত্তা বাহিনী একাধিক গুমের সঙ্গে জড়িত। মার্কিন মানবাধিকার রিপোর্ট ২০২১ এ এমন পর্যবেক্ষণ উঠে আসে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চরমভাবে লঙ্ঘিত। গণমাধ্যমও তাদের কাজ ঠিকভাবে করতে পারছে না। সাংবাদিকদের অযৌক্তিকভাবে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীকে বিভিন্ন সময় অবৈধ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। বলা হয়, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যাকান্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশে দুর্নীতি করলে দায়মুক্তি দেয়া হয়।

বিশ্বের ১৯০টি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের তৈরি করা বাৎসরিক রিপোর্টে এ দাবি করা হয়েছে। ২০২১ সালের বৈশ্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতির মূল্যায়নে তৈরি হয়েছে ‘২০২১: কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্যাকটিসেস’।

মার্কিন রিপোর্টের সামারিতে ক্যাটাগরিক্যালি মানবাধিকার লঙ্ঘনের কিছু অভিযোগ তোলা হয়। দাবি করা হয়, উত্থাপিত কিছু অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে। যার মধ্যে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, সরকারি এজেন্টদের দ্বারা নিষ্ঠুর এবং অবমাননাকর আচরণ, নির্যাতন, মামলা, প্রাণনাশের হুমকি, নির্বিচারে আটক, রাজনৈতিক কারণে বন্দি করা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিশোধ, বিচার বিভাগকে চাপে রাখা, স্বেচ্ছাচারী বা বেআইনি হস্তক্ষেপ, একজনের অপরাধে পরিবারের অন্য সদস্যকে হয়রানী, সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, অযৌক্তিক গ্রেপ্তার, সেন্সরশিপ আরোপসহ মতপ্রকাশ এবং মিডিয়ার উপর গুরুতর বিধিনিষেধ, ইন্টারনেট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা খর্ব করার চেষ্টা উল্লেখযোগ্য।