শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ১১:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর চৈত্র সংক্রান্তি শনিবার আওয়ামী লীগ পুলিশ লীগে পরিণত: মির্জা ফখরুল `বিএনপি ককটেল পার্টি করেনি, ইফতার পার্টি করেছে’ ইরান-ইসরায়েলকে সংযত থাকার আহ্বান রাশিয়াসহ পরাশক্তিগুলোর যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হওয়ার বার্তা কিমের দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ রোনালদো ৪ জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ জনের মৃত্যু ভারতীয় পণ্য বর্জন, বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচী নয়: খসরু সর্বোচ্চ গোলদাতার লড়াইয়ে চলছে টান টান উত্তেজনা আটলান্টার কাছে বড় ব্যবধানে হারলো লিভারপুল রেকর্ড ১৭টি `ডাক` ইনিংস ম্যাক্সওয়েলের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ২০ বিলিয়ন ডলারের উপরে পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈসাবী উৎসব শুরু কমেনি মুরগির দাম, বেড়েছে সবজির

বাংলাদেশের ২০১৮ সালের নির্বাচন বিতর্কিত: মার্কিন রিপোর্ট

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : এপ্রিল ১৩, ২০২২
Perlament Vote

বাংলাদেশে গত ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ। দেশের নিরাপত্তা বাহিনী একাধিক গুমের সঙ্গে জড়িত। মার্কিন মানবাধিকার রিপোর্ট ২০২১ এ এমন পর্যবেক্ষণ উঠে আসে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চরমভাবে লঙ্ঘিত। গণমাধ্যমও তাদের কাজ ঠিকভাবে করতে পারছে না। সাংবাদিকদের অযৌক্তিকভাবে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীকে বিভিন্ন সময় অবৈধ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। বলা হয়, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যাকান্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশে দুর্নীতি করলে দায়মুক্তি দেয়া হয়।

বিশ্বের ১৯০টি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের তৈরি করা বাৎসরিক রিপোর্টে এ দাবি করা হয়েছে। ২০২১ সালের বৈশ্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতির মূল্যায়নে তৈরি হয়েছে ‘২০২১: কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্যাকটিসেস’।

মার্কিন রিপোর্টের সামারিতে ক্যাটাগরিক্যালি মানবাধিকার লঙ্ঘনের কিছু অভিযোগ তোলা হয়। দাবি করা হয়, উত্থাপিত কিছু অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে। যার মধ্যে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, সরকারি এজেন্টদের দ্বারা নিষ্ঠুর এবং অবমাননাকর আচরণ, নির্যাতন, মামলা, প্রাণনাশের হুমকি, নির্বিচারে আটক, রাজনৈতিক কারণে বন্দি করা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিশোধ, বিচার বিভাগকে চাপে রাখা, স্বেচ্ছাচারী বা বেআইনি হস্তক্ষেপ, একজনের অপরাধে পরিবারের অন্য সদস্যকে হয়রানী, সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, অযৌক্তিক গ্রেপ্তার, সেন্সরশিপ আরোপসহ মতপ্রকাশ এবং মিডিয়ার উপর গুরুতর বিধিনিষেধ, ইন্টারনেট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা খর্ব করার চেষ্টা উল্লেখযোগ্য।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ