ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ কখনোই ঋণখেলাপি হয়নি, হবেও না: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ কখনই ঋণখেলাপি হয়নি, হবেও না: প্রধানমন্ত্রী

বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ কখনোই ঋণখেলাপি হয়নি, হবেও না বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ যত ঋণ নিয়েছে, সব সময় তা শোধ করেছে বলেও জানান তিনি।

বুধবার (৬ এপ্রিল) একাদশ জাতীয় সংসদের ১৭তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে এসব কথা বলেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের আগে বিরোধী দলের উপনেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের তার সমাপনী বক্তব্যে শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি কথা উল্লেখ করে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

জি এম কাদের বলেন, কৃষি, পোশাকখাত ও রেমিটেন্স- এই তিনটির যেকোনো একটিতে কোনো সমস্যা হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কার মতো হতে পারে। শ্রীলঙ্কা ঋণ শোধ করতে পারছে না এবং ঋণ নিতে পারছে না।

এরপর প্রধানমন্ত্রী তার সমাপনী ভাষণে বলেন, যত ঋণ নেয়া হয় ঋণটা সময়মতো পরিশোধ করা হয়। বাংলাদেশ কখনও ডিফল্টার হয়নি। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি অনেক মজবুত।

এসময় সংবিধানের ৭০ ধারা নিয়ে জি এম কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এমন একটি দলের কাছ থেকে সংবিধানের কথা শুনতে হচ্ছে, যে দলটির প্রধান একজন নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতায় এসেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ কখনোই ঋণখেলাপি হয়নি, হবেও না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২

বাংলাদেশ কখনোই ঋণখেলাপি হয়নি, হবেও না বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ যত ঋণ নিয়েছে, সব সময় তা শোধ করেছে বলেও জানান তিনি।

বুধবার (৬ এপ্রিল) একাদশ জাতীয় সংসদের ১৭তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে এসব কথা বলেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের আগে বিরোধী দলের উপনেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের তার সমাপনী বক্তব্যে শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি কথা উল্লেখ করে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

জি এম কাদের বলেন, কৃষি, পোশাকখাত ও রেমিটেন্স- এই তিনটির যেকোনো একটিতে কোনো সমস্যা হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কার মতো হতে পারে। শ্রীলঙ্কা ঋণ শোধ করতে পারছে না এবং ঋণ নিতে পারছে না।

এরপর প্রধানমন্ত্রী তার সমাপনী ভাষণে বলেন, যত ঋণ নেয়া হয় ঋণটা সময়মতো পরিশোধ করা হয়। বাংলাদেশ কখনও ডিফল্টার হয়নি। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি অনেক মজবুত।

এসময় সংবিধানের ৭০ ধারা নিয়ে জি এম কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এমন একটি দলের কাছ থেকে সংবিধানের কথা শুনতে হচ্ছে, যে দলটির প্রধান একজন নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতায় এসেছিলেন।