ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজারে আবারও তেল-চিনির সংকট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২ ৪৯ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের পর রাজধানীর বাজারে আবারও ভোজ্য তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া বাজারে চাহিদা অনুযায়ী চিনিও মিলছেনা। যতটুকু সরবরাহ আছে, তা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

খুচরা ব্যবসায়ী এবং ডিলাররা বলছেন, কোম্পানি থেকে চাহিদার তুলনায় অনেক কম তেল-চিনি সরবরাহ করায় বাজারে এই সংকট দেখা দিয়েছে। আর কোম্পানির প্রতিনিধিদের দাবি, গ্যাসের সংকটের কারণে উৎপাদন কমায় বাজারে সরবরাহ কমেছে।

১ নভেম্বর বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৭৮ টাকা থেকে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১৯৩ টাকা করার প্রস্তাব করেছে ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানার মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত আসেনি।

কিন্তু রাজধানীর বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ কমে গেছে। খুচরা ব্যবসায়ী জানান, দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করার পর থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না তারা।

খুচরা বিক্রেতা বলেন, ‘আগে ১০০ শতাংশ পেতাম, কিন্তু এখন পাচ্ছি ৬০ শতাংশ। ৮০০ টাকা দাম লিখা থাকলে আমরা বিক্রি করতাম ৮৫০/৮৫৫ টাকায়। কিন্তু এখন ৮৭০ টাকা দিয়ে আমাদের কিনতে হয়, আর বেচতে হয় ৮৮০ টাকায়।’

একই সঙ্গে চাহিদা অনুযায়ী চিনিও মিলছে না। সংকটের সুযোগে অনেকে বেশি দামে তেল-চিনি বিক্রি করছে বলে জানান ক্রেতারা।

পাইকারী ব্যবসায়ীরা জানান, চাহিদা অনুযায়ী তেল-চিনি সরবরাহ করছে না মিল মালিকরা।

উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে সরবাহ ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

টিকে গ্রুপ পরিচালক শফিউল আতহার তাসলিম বলেন, ‘সংকট এমনিতে তো থাকার কথা না। কিন্তু কিছুটা হচ্ছে। কারণ, যেহেতু কারখানা চালানো যাচ্ছে না সপ্তাহে দুইদিনও গ্যাসের অভাবে। আমদানি প্রাইজ বাড়লে বাড়বে, কম হলে কমবে। মন্ত্রণালয় হিসাব যাচাই করে দেখবে যে কি পরিমাণ পণ্য আসতাছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

বাজারে আবারও তেল-চিনির সংকট

আপডেট সময় : ১২:৩৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২

দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের পর রাজধানীর বাজারে আবারও ভোজ্য তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া বাজারে চাহিদা অনুযায়ী চিনিও মিলছেনা। যতটুকু সরবরাহ আছে, তা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

খুচরা ব্যবসায়ী এবং ডিলাররা বলছেন, কোম্পানি থেকে চাহিদার তুলনায় অনেক কম তেল-চিনি সরবরাহ করায় বাজারে এই সংকট দেখা দিয়েছে। আর কোম্পানির প্রতিনিধিদের দাবি, গ্যাসের সংকটের কারণে উৎপাদন কমায় বাজারে সরবরাহ কমেছে।

১ নভেম্বর বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৭৮ টাকা থেকে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১৯৩ টাকা করার প্রস্তাব করেছে ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানার মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত আসেনি।

কিন্তু রাজধানীর বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ কমে গেছে। খুচরা ব্যবসায়ী জানান, দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করার পর থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না তারা।

খুচরা বিক্রেতা বলেন, ‘আগে ১০০ শতাংশ পেতাম, কিন্তু এখন পাচ্ছি ৬০ শতাংশ। ৮০০ টাকা দাম লিখা থাকলে আমরা বিক্রি করতাম ৮৫০/৮৫৫ টাকায়। কিন্তু এখন ৮৭০ টাকা দিয়ে আমাদের কিনতে হয়, আর বেচতে হয় ৮৮০ টাকায়।’

একই সঙ্গে চাহিদা অনুযায়ী চিনিও মিলছে না। সংকটের সুযোগে অনেকে বেশি দামে তেল-চিনি বিক্রি করছে বলে জানান ক্রেতারা।

পাইকারী ব্যবসায়ীরা জানান, চাহিদা অনুযায়ী তেল-চিনি সরবরাহ করছে না মিল মালিকরা।

উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে সরবাহ ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

টিকে গ্রুপ পরিচালক শফিউল আতহার তাসলিম বলেন, ‘সংকট এমনিতে তো থাকার কথা না। কিন্তু কিছুটা হচ্ছে। কারণ, যেহেতু কারখানা চালানো যাচ্ছে না সপ্তাহে দুইদিনও গ্যাসের অভাবে। আমদানি প্রাইজ বাড়লে বাড়বে, কম হলে কমবে। মন্ত্রণালয় হিসাব যাচাই করে দেখবে যে কি পরিমাণ পণ্য আসতাছে।’