ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজারে সবজির দাম স্থিতিশীল, মুরগির বাজার চড়া

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পবিত্র রমজান ও সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় রাজধানীর বাজারগুলোতে থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে সবজি। সরবরাহ বাড়ায় সপ্তাহ ব্যবধানে বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। একইসঙ্গে কাঁচামরিচ, লেবু ও শসার দাম কিছুটা কমেছে। তবে সপ্তাহ ব্যবধানে এসব বাজারে সব ধরনের মুরগির দাম চড়া দেখা গেছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

রমজানে ঝালের চাহিদা বাড়লেও দাম কমেছে কাঁচামরিচের বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। এদিকে কিছুটা কমেছে ডিমের দামও। বাজারে এক ডজন ডিম কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে প্রায় ১০০ টাকা। বাজারে সিম প্রকারভেদে কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকা, টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা, দেশি গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, শালগম ৬০ টাকা, ফুলকপি বড় সাইজের প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও লাউ ৫০ থেকে ৭০ টাকায় পিস বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি বরবটি ১০০ টাকা, বেগুন কেজিতে ৪০ টাকা কমে প্রকারান্তরে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, করলা কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স কেজিতে ২০ টাকা কমে ১২০ টাকা, কচুরমুখী ১০০ থেকে ১২০ টাকা ও ধুন্দল ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১০০ টাকা, হাইব্রিড ৮০ ও খিরা কেজিতে ২০ টাকা কমে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। বাজারগুলোতে লেবুর দাম কমতে শুরু করেছে। এক হালি লেবু ৩০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে দেশি ধনেপাতা ১৫০ টাকা ও হাইব্রিড ধনেপাতা ৬০ থেকে ১০০ কেজি, পুদিনা পাতা ২০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস।
এসব বাজারে লাল শাক আঁটি ১০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা, ডাটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পালং শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে নতুন আলু ১৬ থেকে ১৮ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৩৫ টাকা ও পেঁয়াজ কলি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে ছোলা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৭০ টাকা, খেসারির ডাল ১০০ টাকা, অ্যাংকরের বেসন ১০০ টাকা ও বুটের ডালের বেসন ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে সোনালি কক মুরগি কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৩৪০ টাকা ও সোনালি হাইব্রিড মুরগি কেজি ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ২১০ টাকা ও দেশি মুরগি ৬৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা, হাঁসের ডিম ২০০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা ও সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরবরাহ কমে যাওয়া এবং চাহিদা বেড়ে যাওয়াই এই দাম বৃদ্ধির মূল কারণ। বিশেষ করে আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে মুরগির চাহিদা বাড়ায় বাজারে এর বড় প্রভাব পড়েছে।

নিউমার্কেটের মুরগি বিক্রেতা মো. আলমগীর বলেন, ‘গত সপ্তাহেও ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি করেছি। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে পাইকারি বাজারেই দাম বেড়ে গেছে। আমরা বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছি, তাই খুচরায়ও দাম বেড়েছে।’

আরেক বিক্রেতা সোহেল মিয়া জানান, রমজান সামনে রেখে অনেক খামারি আগেই মুরগি বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলে বর্তমানে সরবরাহ কম থাকায় পাইকারি বাজারে দামের ওপর এর প্রভাব পড়েছে। একই বাজারের বিক্রেতা আবদুল কাদের জানান, এখন ক্রেতাদের চাহিদা অনেক বেশি, ফলে সরবরাহ করা মুরগি দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।

হঠাৎ এই দাম বৃদ্ধিতে বাজারে আসা ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা গেছে। মুরগি কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যে এতটা দাম বাড়বে ভাবিনি। আগে ১৮০ টাকায় যে মুরগি কিনেছি, এখন সেটা ২৩০ টাকা দিয়ে নিতে হচ্ছে। এতে সংসারের খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।’

বাজারগুলোতে মাছের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১০০০ টাকা, এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষের পাঙ্গাস ১৭০ থেকে ২০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, কই মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকা, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকা ও পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস ৮০০ টাকা, গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা ও খাসির মাংস প্রতি কেজি ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নাসরিন আক্তার নামের এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মাছ-মাংস সবকিছুরই দাম বেশি। একটা মাঝারি ধরনের মুরগি নিলেই সাড়ে পাঁচশ থেকে ছয়শ টাকা দিতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা অনেক বড় বোঝা।’

নিউজটি শেয়ার করুন

বাজারে সবজির দাম স্থিতিশীল, মুরগির বাজার চড়া

আপডেট সময় : ০৪:২৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

পবিত্র রমজান ও সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় রাজধানীর বাজারগুলোতে থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে সবজি। সরবরাহ বাড়ায় সপ্তাহ ব্যবধানে বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। একইসঙ্গে কাঁচামরিচ, লেবু ও শসার দাম কিছুটা কমেছে। তবে সপ্তাহ ব্যবধানে এসব বাজারে সব ধরনের মুরগির দাম চড়া দেখা গেছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

রমজানে ঝালের চাহিদা বাড়লেও দাম কমেছে কাঁচামরিচের বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। এদিকে কিছুটা কমেছে ডিমের দামও। বাজারে এক ডজন ডিম কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে প্রায় ১০০ টাকা। বাজারে সিম প্রকারভেদে কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকা, টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা, দেশি গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, শালগম ৬০ টাকা, ফুলকপি বড় সাইজের প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও লাউ ৫০ থেকে ৭০ টাকায় পিস বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি বরবটি ১০০ টাকা, বেগুন কেজিতে ৪০ টাকা কমে প্রকারান্তরে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, করলা কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স কেজিতে ২০ টাকা কমে ১২০ টাকা, কচুরমুখী ১০০ থেকে ১২০ টাকা ও ধুন্দল ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১০০ টাকা, হাইব্রিড ৮০ ও খিরা কেজিতে ২০ টাকা কমে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। বাজারগুলোতে লেবুর দাম কমতে শুরু করেছে। এক হালি লেবু ৩০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে দেশি ধনেপাতা ১৫০ টাকা ও হাইব্রিড ধনেপাতা ৬০ থেকে ১০০ কেজি, পুদিনা পাতা ২০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস।
এসব বাজারে লাল শাক আঁটি ১০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা, ডাটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পালং শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে নতুন আলু ১৬ থেকে ১৮ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৩৫ টাকা ও পেঁয়াজ কলি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে ছোলা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৭০ টাকা, খেসারির ডাল ১০০ টাকা, অ্যাংকরের বেসন ১০০ টাকা ও বুটের ডালের বেসন ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে সোনালি কক মুরগি কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৩৪০ টাকা ও সোনালি হাইব্রিড মুরগি কেজি ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ২১০ টাকা ও দেশি মুরগি ৬৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা, হাঁসের ডিম ২০০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা ও সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরবরাহ কমে যাওয়া এবং চাহিদা বেড়ে যাওয়াই এই দাম বৃদ্ধির মূল কারণ। বিশেষ করে আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে মুরগির চাহিদা বাড়ায় বাজারে এর বড় প্রভাব পড়েছে।

নিউমার্কেটের মুরগি বিক্রেতা মো. আলমগীর বলেন, ‘গত সপ্তাহেও ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি করেছি। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে পাইকারি বাজারেই দাম বেড়ে গেছে। আমরা বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছি, তাই খুচরায়ও দাম বেড়েছে।’

আরেক বিক্রেতা সোহেল মিয়া জানান, রমজান সামনে রেখে অনেক খামারি আগেই মুরগি বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলে বর্তমানে সরবরাহ কম থাকায় পাইকারি বাজারে দামের ওপর এর প্রভাব পড়েছে। একই বাজারের বিক্রেতা আবদুল কাদের জানান, এখন ক্রেতাদের চাহিদা অনেক বেশি, ফলে সরবরাহ করা মুরগি দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।

হঠাৎ এই দাম বৃদ্ধিতে বাজারে আসা ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা গেছে। মুরগি কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যে এতটা দাম বাড়বে ভাবিনি। আগে ১৮০ টাকায় যে মুরগি কিনেছি, এখন সেটা ২৩০ টাকা দিয়ে নিতে হচ্ছে। এতে সংসারের খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।’

বাজারগুলোতে মাছের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১০০০ টাকা, এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষের পাঙ্গাস ১৭০ থেকে ২০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, কই মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকা, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকা ও পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস ৮০০ টাকা, গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা ও খাসির মাংস প্রতি কেজি ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নাসরিন আক্তার নামের এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মাছ-মাংস সবকিছুরই দাম বেশি। একটা মাঝারি ধরনের মুরগি নিলেই সাড়ে পাঁচশ থেকে ছয়শ টাকা দিতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা অনেক বড় বোঝা।’